পেয়ারা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা
পেয়ারা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতাআপনি কি পেয়ারা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান? আপনার প্রতিদিনের পুষ্টিতে পেয়ারা কতটুকু ভূমিকা রাখে আর কোন ক্ষেত্রে এটা ক্ষতিকর হতে পারে সবকিছু জানতে পারবেন এই পোস্টে।
আজকের পোস্ট থেকে আমরা জানতে পারব পেয়ারা খেলে কি কি উপকার ও অপকার পাওয়া যায়। তাহলে চলুন শুরু করা যাক। পোস্ট সূচিপত্রঃ পেয়ারা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা নিয়ে বিস্তারিত সবকিছু
- পেয়ারা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা
- ১ টি পেয়ারা তে কত ক্যালরি থাকে
- পেয়ারা খেলে কি কি ক্ষতি হতে পারে
- পাকা পেয়ারা খাওয়ার কি কি উপকারিতা রয়েছে
- পেয়ারা খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে
- পেয়ারায় ভিটামিন সি-এর উপকারিতা
- পেয়ারা বেশি খেলে যা হয়
- কাঁচা ও পাকা পেয়ারার পার্থক্য
- পেয়ারা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কেমন
- পেয়ারার বীজ খাওয়া উচিত কি না
- পরিশেষে আমার মতামত
পেয়ারা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা
পেয়ারা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা আমরা অনেকেই জানি না। অথচ এই ফলটি আমাদের প্রতিদিনের জীবনে অনেক বড় উপকার করতে পারে। আবার কিছু সময় এটি শরীরের জন্য অনেক সমস্যাও তৈরি করতে পারে। পেয়ারা খাওয়া ভালো কিন্তু অতিরিক্ত খাওয়া ভালো নয়। তাহলে চলুন এর উপকারিতা ও অপকারিতা জেনে নেই।
- পেয়ারা খাওয়ার উপকারিতাঃ পেয়ারা এমন একটি ফল যা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। পেয়ারার মাঝে অনেক পুষ্টি যা আমাদের সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। পেয়ারা খেলে আমরা যা যা উপকারিতা পাবে তা নিচে দেওয়া হলো:
- এটি ভিটামিন সি-তে ভরপুর, যা ঠান্ডা লাগা থেকে আমাদের রক্ষা করে।
- প্রতিদিন পেয়ারা খেলে হজমের সমস্যা অনেকটাই কমে যায়।
- পেয়ারায় থাকা আঁশ পেট পরিষ্কার রাখে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
- এটি রক্তে সুগারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ভালো।
- পেয়ারায় আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ত্বক ভালো রাখতে সহায়তা করে।
- ওজন কমাতে যারা চাচ্ছেন, তারা পেয়ারা খেলে উপকার পাবেন।
- চোখের জন্যও এটি উপকারী, কারণ এতে ভিটামিন এ রয়েছে।
- পেয়ারা খাওয়ার অপকারিতাঃ যদিও পেয়ারার অনেক উপকারিতা আছে, কিন্তু অতিরিক্ত খেলে কিছু সমস্যা হতে পারে। কোনো খাবার অতিরিক্ত মাত্রায় খাওয়া উচিৎ নয়। তেমনি পেয়ারা যদি অতিরিক্ত খাওয়া হয় এর কিছু ক্ষতি দেখা দিতে পারে। যেমন:
- অতিরিক্ত পেয়ারা খেলে গ্যাস্ট্রিক বা পেট ফুলে যেতে পারে।
- যারা কাঁচা পেয়ারা খায়, তাদের অনেক সময় পেটে ব্যথা হতে পারে।
- অনেক বেশি পেয়ারার বীজ খেলে হজমে সমস্যা হতে পারে।
- কারও কারও পেয়ারায় অ্যালার্জি হতে পারে, বিশেষ করে শিশুদের।
আমরা যদি নিয়ম মেনে এবং পরিমাণ বুঝে পেয়ারা খাই, তাহলে এই পেয়ারা খাওয়ার অপকারিতা থেকে উপকারটাই বেশি পাওয়া যাবে। তাই পেয়ারা খেতে হলে জানতে হবে কতটুকু খাওয়া ভালো আর কখন পেয়ারা খাওয়া ভালো। এই পোস্টে আমরা এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। তাই শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথেই থাকুন এবং সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ুন।
১ টি পেয়ারা তে কত ক্যালরি থাকে
আপনি যদি পেয়ারা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানতে চান তাহলে আগে আপনাকে জানতে হবে ১টি পেয়ারা তে কত ক্যালরি থাকে। এটা জানলে আপনি এর উপকারিতা সম্পর্কে বুঝতে পারবেন। একেক পেয়ারা তে একেক ধরনের ক্যালরি। নিচে এ সম্পর্কে দেওয়া হলোঃ
- একটি মাঝারি আকারের পেয়ারাতে থাকে প্রায় ৮০ থেকে ১০০ ক্যালরি।
- পেয়ারা খুবই কম ক্যালরির ফল, তাই যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তারা এটি নিশ্চিন্তে খেতে পারেন।
- এতে থাকে প্রচুর পরিমাণে আঁশ, যা অনেকক্ষণ পেট ভরা রাখে।
- এছাড়া এতে চিনি খুব কম, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী।
- সকালে বা বিকেলে একবেলা নাস্তার বিকল্প হিসেবেও একটি পেয়ারা খাওয়া যেতে পারে।
এখান থেকে আমরা পেয়ারার ক্যালরি জানার পাশাপাশি এর সকল উপকার সম্পর্কেও জানতে পারি। সুতরাং বলা যায় পেয়ারা অতিরিক্ত না খেয়ে পরিমাণ মতো খেলে এর অনেক উপকার পাওয়া যায়। পেয়ারায় অন্যান্য ফল থেকে কিছুটা বেশি ক্যালরি থাকে।
পেয়ারা খেলে কি কি ক্ষতি হতে পারে
সব ফল যেমন উপকার করে তেমনই অতিরিক্ত খেলে কিছু ক্ষতিও হতেই পারে। পেয়ারা খেলে কি কি ক্ষতি হতে পারে তা জানা আমাদের জন্য জরুরি। কারণ আমরা এটি না জেনে ভাবি যে যত পেয়ারা খাব তত উপকার পাব। আসলে বিষয়টা এমন না। তাই নিচের বিষয় গুলো লক্ষ করুন।
- অতিরিক্ত পেয়ারা খেলে পেটে গ্যাস বা ব্যথা হতে পারে।
- অনেক বেশি বীজ খেলে হজমে সমস্যা হতে পারে।
- কাঁচা পেয়ারা খেলে কারও কারও গলা খুসখুস করতে পারে।
- কারও শরীরে অ্যালার্জি থাকলে চুলকানি বা ত্বকে ফুসকুড়িও হতে পারে।
তাই প্রতিদিন একটি বা দুইটি পেয়ারা খাওয়া ভালো। অতিরিক্ত খাওয়ার দরকার নেই। আপনি যদি অতিরিক্ত মাত্রায় পেয়ারা খান তাহলে আপনি অসুস্থ হয়ে যেতে পারেন। এর জন্য আমি আপনাকে বলব প্রতিদিন পরিমাণ মতো খান। কোনো কিছুই অতিরিক্ত মাত্রায় খাওয়া ভালো নয়।
পাকা পেয়ারা খাওয়ার কি কি উপকারিতা রয়েছে
পেয়ারা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা দুটিই আছে। কিন্তু এর উপকারিতাটা কি? যারা ফল খেতে ভালোবাসে, তারা জানে পাকা পেয়ারা খাওয়ার কি কি উপকারিতা রয়েছে। তাহলে আপনিও জেনে নিন এর উপকার গুলো কি কি। পাকা পেয়ারা খেতে অনেক স্বাদ কিন্তু এর উপকার গুলো কি। তাহলে নিচে পাকা পেয়ারা খাওয়ার কিছু উপকারিতা দেওয়া হলোঃ
- পাকা পেয়ারা হজমের জন্য ভালো। এটি পেটকে ঠান্ডা করে।
- এতে রয়েছে ভিটামিন সি, যা ঠান্ডা-কাশি থেকে রক্ষা করে।
- এটি রক্ত পরিশোধন করে এবং ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে।
- চোখ ভালো রাখতে ভিটামিন এ সহায়তা করে।
- ওজন কমাতে চাইলে পাকা পেয়ারা উপকারী, কারণ এতে চর্বি একেবারে নেই।
সঠিক পরিমাণে পাকা পেয়ারা খেলে আমরা সহজেই শরীর ভালো রাখতে পারব। তাই আমরা যখন পেয়ারা খাব তখন পরিমাণ মতো খাওয়ার চেষ্টা করব। বিশেষ করে পাকা পেয়ারা খাওয়ার চেষ্টা করব। কারণ উপরের বিষয় গুলো থেকে আমরা জেনেছি পাকা পেয়ারা আমাদের জন্য কতটুকু উপকারি।
পেয়ারা খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে
আমরা যদি প্রতিদিন পেয়ারা খাই তাহলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই বাড়বে। পেয়ারা খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এটা অনেক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে। তাই আপনি যদি সুস্থ থাকতে চান তাহলে নিয়মিত ফল খাওয়া ভালো হবে। রোগ প্রতিরোধে নিচে এর কিছু উপকারিতা দেওয়া হলোঃ
- পেয়ারায় থাকে ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা শরীরের ক্ষতিকর জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করে।
- এটি ঠান্ডা-জ্বর, সর্দি-কাশির মতো রোগ সহজে প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
- নিয়মিত পেয়ারা খেলে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ কম হয়।
- শরীরকে ভিতর থেকে শক্তিশালী রাখে, যার ফলে ছোটখাটো অসুখ সহজে শরীরে প্রভাব ফেলতে পারে না।
তাই প্রতিদিনের খাবারে পেয়ারা রাখলে আমরা সহজেই অনেক রোগ থেকে বাঁচতে পারব। এই ফলগুলো আমাদের জীবনে অনেক ভাবে সাহায্য করে। আপনি যদি পেয়ারা খেতে পছন্দ করেন তাহলে আপনার উচিৎ পেয়ারা পরিষ্কার করে তারপর খাওয়া।
পেয়ারায় ভিটামিন সি-এর উপকারিতা
আপনি কি জানেন পেয়ারায় ভিটামিন সি-এর উপকারিতা অনেক বেশি? একটি পেয়ারাতে একটি কমলার তুলনায় দ্বিগুণ ভিটামিন সি থাকে। বিষয়টি অনেক অবাক করে দেয়। আসলে পেয়ারাতে সবচেয়ে বেশি ভিটামিন সি পাওয়া যায়। নিচে ভিটামিন সি সম্পর্কে দেওয়া হলোঃ
- ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং শরীরকে ঠান্ডা-জ্বর থেকে রক্ষা করে।
- এটি ত্বক উজ্জ্বল রাখে এবং বয়সের ছাপ কমায়।
- শরীরের কোষগুলোর গঠন ঠিক রাখে এবং ক্ষত সারাতে সাহায্য করে।
- দাঁত ও হাড় মজবুত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এই কারণেই প্রতিদিন এক বা দুটি পেয়ারা খাওয়া খুবই উপকারী। আপনার শরীরে যদি ভিটামিন সি এর অভাব থাকে তাহলে আপনি পেয়ারা খেতে পারেন। তাহলে আপনার শরীর পেয়ারার পুষ্টি তে ভরে যাবে। তাই ভিটামিন সি এর জন্য পেয়ারা খুবই উপকারী ফল।
পেয়ারা বেশি খেলে যা হয়
যদি আপনি ভাবেন বেশি পেয়ারা খেলেই উপকার, তাহলে আপনার একটু সাবধান হওয়া দরকার। পেয়ারা বেশি খেলে যা হয় সেটা জানা আপনার জন্য খুবই দরকার। আপনি যদি জানতে পারেন যে অতিরিক্ত পেয়ারা খাওয়া কতটা ক্ষতি করে তাহলে আপনি সাবধান থাকবেন। তাই নিচে এ সম্পর্কে দেওয়া হলোঃ
- অতিরিক্ত খেলে পেটে গ্যাস হতে পারে বা পেট ফেঁপে যেতে পারে।
- অনেক সময় বেশি বীজ খাওয়ার ফলে হজমে সমস্যা হয়।
- কারও কারও গলায় খুসখুস ভাব বা অস্বস্তি দেখা দেয়।
- অতিরিক্ত খেলে রুচি নষ্ট হতে পারে বা মুখে শুকনোভাব আসে।
তাই পেয়ারা উপকারী হলেও পরিমাণ মতো খাওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন এক বা দুটি পেয়ারা খেলেই যথেষ্ট উপকার পাওয়া যায়। আর এই কারণেই আমাদের জানা দরকার যে অতিরিক্ত পেয়ারা খেলে কি হয়। এই পোস্টে আমরা এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানব।
কাঁচা ও পাকা পেয়ারার পার্থক্য
কাঁচা ও পাকা পেয়ারার পার্থক্য বোঝা খুব দরকার। কারণ দুটোর উপকার ও স্বাদ আলাদা। কাঁচা পেয়ারা টক-মিষ্টি স্বাদের হয় আর পাকা পেয়ারা হয় মিষ্টি ও কোমল। কাঁচা বা পাকা উভয়ই জাতের পেয়ারা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা আছে। কিন্তু কোনটি বেশি উপকারী? তাহলে চলুন জেনে নেই এদের মাঝে পার্থক্যঃ
- কাঁচা পেয়ারায় ফাইবার বেশি থাকে, যা হজমে সাহায্য করে।
- পাকা পেয়ারায় ভিটামিন সি বেশি থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ বাড়ায়।
- কাঁচা পেয়ারা খেলে অনেক সময় গ্যাস্ট্রিক বা পেটে অস্বস্তি হতে পারে।
- পাকা পেয়ারা সহজে হজম হয়, শিশুরাও সহজে খেতে পারে।
তবে একটা কথা সবসময় মনে রাখতে হবে, পেয়ারা ভালো করে ধুয়ে খাওয়া খুবই জরুরি। কাঁচা বা পাকা যেটাই খান না কেন, এদের পুষ্টিগুণ সবসময়ই অনেক বেশি। এই পেয়ারা দুটি খাওয়ার উপকারিতা অনেক বেশি। তাই যেকোনো একটি খেলেই হবে।
পেয়ারা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কেমন
অনেকেই জানতে চায় যে পেয়ারা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কেমন? ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য পেয়ারা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা আছে। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য পেয়ারা অনেক উপকারী। নিচে এর কিছু উপকার দেওয়া হলোঃ
- পেয়ারায় গ্লুকোজের পরিমাণ খুব কম, তাই রক্তে চিনি বাড়ায় না।
- এতে থাকা ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
- পেয়ারা হজমে ভালো, তাই পেটের গ্যাস বা কোষ্ঠকাঠিন্য কমে।
- প্রতিদিন অল্প পরিমাণ পেয়ারা খেলে ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণে থাকে।
তবে অতিরিক্ত পেয়ারা খাওয়া ঠিক নয়। পরিমাণ মতো পেয়ারা খাওয়া অনেক ভালো। এই তথ্যগুলো থেকে বোঝা যায় পেয়ারা খাওয়ার উপকারিতা অনেক বেশি। এছাড়াও ডায়াবেটিকদের জন্যও এই পেয়ারা খাওয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
পেয়ারার বীজ খাওয়া উচিত কি না
বেশিরভাগ মানুষ জানে না পেয়ারার বীজ খাওয়া উচিত কি না। আসলে, এই বিষয়ে কিছু সতর্কতা জানা দরকার। কেননা এই বীজ আমাদের উপকার বা অপকার দুটিই করতে পারে। তাই আমাদের সকলের উচিৎ এ সম্পর্কে জানা। নিচে এ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছেঃ
- পেয়ারার বীজে অনেক ফাইবার থাকে, যা হজমে উপকার করে।
- তবে অতিরিক্ত বীজ খেলে পেটে ব্যথা বা কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।
- যাদের হজম দুর্বল, তাদের জন্য বীজ খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ।
- শিশুদের ও বৃদ্ধদের বীজ ছাড়া খাওয়াই ভালো।
পরিশেষে আমার মতামত
আমার মতে, আপনার পেয়ারা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জেনে তারপরে ফল খাওয়া উচিৎ। কারণ পেয়ারাতে এই দুটিই আছে। আপনি যদি পরিমাণ মতো খান তাহলে অনেক উপকার পাবেন। কিন্তু মনে রাখবে প্রতিদিন বেশি খেলে এটি আমাদের ক্ষতি করতে পারে। এই পোস্টে এ সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আশা করি আপনি সবকিছু বুঝতে পেরেছেন। [250412]


ST Bangla Hub নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url