ব্যায়াম করার সঠিক সময়-প্রতিদিন কতক্ষণ ব্যায়াম করা উচিত

ব্যায়াম করার সঠিক সময়আপনি কি ব্যায়াম করার সঠিক সময় জানেন? আমরা আমাদের দেহকে সুস্থ রাখার জন‍্য ব‍্যায়াম করে থাকি। কিন্তু এর ফলাফল পাই না। কারণ আমরা কোন সময় ব‍্যায়াম করলে ভালো হবে তা জানি না।

ব্যায়াম-করার-সঠিক-সময়এই পোস্টে আমরা জানব কখন কোন সময় কোন ব‍্যায়াম করলে আমরা আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে পারব।

পোস্ট সূচিপত্রঃ ব্যায়াম করার সঠিক সময় নিয়ে বিস্তারিত সবকিছু 

ব্যায়াম করার সঠিক সময়

ব্যায়াম করার সঠিক সময় জানতে পারলে আমাদের শরীর ও মন দুটোই আমরা ঠিক রাখতে পারব। আপনি যদি ব্যায়ামের জন্য সঠিক সময় না জানেন, তবে পুরো চেষ্টা করেও এর কোনো ফলাফল আপনি পাবেন না। তাই ব‍্যায়াম করার সঠিক সময়টাই এখানে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। নিচে কিছু সময় নিয়ে আলোচনা করা হলোঃ
  • সকালে ব্যায়াম করার উপকারিতাঃ সকালে ব্যায়াম করলে শরীর সারা দিনের জন্য সতেজ থাকে। হরমোনের ভারসাম্য ঠিক থাকে এবং ঘুমও ভালো হয়। সকালে হালকা খালি পেটে হাঁটা বা যোগ ব্যায়াম করলে শরীরে অক্সিজেন ভালোভাবে পৌছায়।
  • বিকেলে ব্যায়াম কার জন্য ভালোঃ যাদের সকালে সময়ের অভাব, তারা বিকেল বেছে নিতে পারেন। বিকেলে ব্যায়াম করলে শরীর অনেকটা উষ্ণ থাকে, ফলে চোটের সম্ভাবনা কমে যায়। বিকেল ৪টা থেকে ৬টার মধ্যে ব্যায়াম করাই সবচেয়ে কার্যকর।
  • রাতে ব্যায়ামের ক্ষেত্রে সতর্কতাঃ রাতে খাওয়ার পরপর ব্যায়াম করা একদম ঠিক নয়। তবে হালকা হাঁটা বা স্ট্রেচিং শরীরকে শান্ত করে ঘুমের উপযোগী করে তোলে। তাই যারা রাতে সময় পান, তারা খেয়াল রাখবেন যেন ঘুমের অন্তরায় না হয়।
  • সময় নির্ধারণের ব্যক্তিগত পছন্দঃ আমরা সবাই এক রকম না। কারও পক্ষে সকালে সময় বের করা সহজ, আবার কেউ হয়তো রাতে বেশি ফ্রি থাকেন। তাই আপনি নিজের শরীরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সময় বেছে নিন।
এই পোস্টে আপনি জানতে পারবেন ব্যায়াম করার সকল সঠিক উপায় নিয়ে। আমরা উপরের ধাপগুলো এই পোস্টে বিশ্লেষণ করে লিখেছি। আমরা এই পোস্টে এটাও বলবো যে কোন ব‍্যায়ামগুলো আপনার জন‍্য সবচেয়ে বেশি ভালো হবে। সময় ঠিক থাকলে আপনার স্বাস্থ্য ভালো থাকবে, আপনার মনও সতেজ থাকবে।

প্রতিদিন কতক্ষণ ব্যায়াম করা উচিত

আপনি কি ব্যায়াম করার সঠিক সময় সম্পর্কে জানেন? এ পোস্টে আমরা তা বিস্তারিত জানব। প্রতিদিন ব্যায়াম কতক্ষণ করলে শরীর ও মন সুস্থ থাকে, এই প্রশ্ন আমাদের অনেকের মনেই মাঝে মাঝে আসে। আমরা যারা শরীর সুস্থ রাখতে চাই আমাদের নিয়মিত ব‍্যায়াম করা উচিৎ। মূলত বয়স, শরীরের অবস্থা আর লক্ষ্য অনুযায়ী ব‍্যায়ামের সময় ভিন্ন হতে পারে। নিচে কিছু বয়স অনুযায়ী ব‍্যায়ামের সময় দেওয়া হলোঃ

  • বয়স ১৮-৬০ বছর হলে, দিনে কমপক্ষে ৩০ মিনিট মাঝারি ব্যায়াম যথেষ্ট।
  • যারা ওজন কমাতে চান, তাদের জন্য ৪৫-৬০ মিনিট ব্যায়াম উপযুক্ত।
  • শিশুদের জন্য প্রতিদিন ১ ঘন্টা খেলা বা দৌড়ানো দরকার।

বেশি সময় ব্যায়াম করলে ক্লান্তি বাড়ে, আবার কম সময় করলে এর ফল পাওয়া যায় না। তাই প্রতিদিন এই নির্দিষ্ট সময়টুকু ধরে রাখতে পারলেই শরীর ভালো থাকবে। আমাদের ব্যায়ামের ধরনও মাঝে মাঝে বদলানো দরকার। আমরা যদি ঠিকমতো এই সময়গুলো মেনে ব‍্যায়াম করি, তবে ব্যায়ামের আসল উপকার পাওয়া সম্ভব। 

যোগব্যায়াম কোন সময়ে করা উচিত

যোগব্যায়াম ব্যায়াম করার সঠিক সময় কখন? এই প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে আমাদের শরীরের গঠন বা আমাদের শরীর কেমন তা বুঝতে হবে। কারণ যোগব্যায়াম কেবল ব্যায়াম নয়, এটি মন ও শরীরকে একত্রে ভালো রাখতে সাহায্য করে। নিচে এমন কিছু সময় দেওয়া হলোঃ 

  • সকালে ফজরের সময় বা সূর্য ওঠার পরই যোগব্যায়ামের সেরা সময়।
  • খালি পেটে এবং শান্ত পরিবেশে করা হলে মনোযোগও বাড়ে।
  • রাতে ঘুমানোর আগে হালকা স্ট্রেচিং বা প্রাণায়াম করলে ঘুম ভালো হয়।

যোগব্যায়ামের সুবিধা পেতে হলে নিয়মিত সময় ঠিক করা জরুরি। সকালে করলে শরীরের জড়তা কেটে যায়, আর মন থাকে ফুরফুরে। আমরা যারা সকালে বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকি, তারা বিকেলেও সময় করে নিতে পারি। তবে শরীরের জন্য সবচেয়ে কার্যকর সময় হচ্ছে সকাল। 

সকালে কোন ব্যায়াম করা উচিত

সকালে ব্যায়াম করলে শরীর সতেজ থাকে এবং সারা দিন কাজ করার শক্তি পাওয়া যায়। আপনি যদি জানতে চান সকালে কোন ব্যায়াম আমাদের জন‍্য উপকারী, তাহলে এটি আপনার জন্য একদম সঠিক জায়গা। নিচে আমরা আপনাকে কিছু ধারণা দিয়েছি এ সম্পর্কেঃ 

  • সকালে হাঁটা বা জগিং সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর ব্যায়াম।
  • যাদের হাঁটু বা পিঠে সমস্যা আছে, তারা হালকা যোগব্যায়াম করতে পারেন।
  • ব্রিদিং এক্সারসাইজ বা ডীপ ব্রেথিং মানসিক প্রশান্তি আনে।

এছাড়া ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ বা পুশ-আপ, স্কোয়াট ইত্যাদিও ধীরে ধীরে শুরু করা যেতে পারে। কিন্তু সবসময় খেয়াল রাখতে হবে শরীর যেন হঠাৎ ক্লান্ত না হয়ে পড়ে। তাই নিজের শরীর কতটুকু ব‍্যায়াম সহ‍্য করতে পারে তা মেনে ব‍্যায়াম করতে হবে। আমরা যদি আজ থেকেই ব‍্যায়াম শুরু করি, তাহলে এই উপকারটা আমাদেরই হবে।

ব্যায়াম করার সঠিক পদ্ধতি কী

ব্যায়াম করার সঠিক পদ্ধতি কী আপনি কি তা জানেন বা ব‍্যায়াম করার সঠিক সময় কোনটি? এই প্রশ্ন দুইটির উত্তর জানা জরুরি, কারণ ভুল পদ্ধতিতে ব্যায়াম করলে উপকারের চেয়ে ক্ষতি বেশি হয়। প্রতিদিনের ব্যায়ামে কিছু নিয়ম অনুসরণ করলে এর ভালো ফলাফল পাওয়া যায় খুব সহজেই। যেমনঃ 

ব্যায়াম-করার-সঠিক-সময়
  • প্রথমেই হালকা ওয়ার্ম-আপ দিয়ে শুরু করুন, এতে শরীর প্রস্তুত হয়।
  • এরপর পছন্দ অনুযায়ী কার্ডিও, ফ্রি হ্যান্ড, বা যোগব্যায়াম করতে পারেন।
  • ব্যায়ামের সময় শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়মিত রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
  • ব্যায়াম শেষে স্ট্রেচিং করলে পেশী ব্যথা কমে।

ব্যায়াম চলাকালীন পানি পান করা, হঠাৎ বেশি কষ্টকর ব্যায়াম না করা, এবং নিজের সক্ষমতা বুঝে ব‍্যায়াম করা উচিত। আপনি যদি এই নিয়মগুলো মেনে চলেন, তবে ব্যায়াম হবে নিরাপদ, আর শরীরও থাকবে সুস্থ। আমরা অনেকেই না জেনে ব্যায়াম শুরু করি, কিন্তু এখন থেকে আপনি সঠিক পথে হাঁটতে পারবেন যদি আপনি আমাদের দেখানো ব্যায়ামের প্রতিটি ধাপ ধীরে ধীরে অনুসরণ করেন।

প্রতিদিন কতটুকু ব্যায়াম করা উচিত

প্রতিদিন কতটুকু ব্যায়াম করা উচিত, তা নির্ভর করে বয়স ও শারীরিক অবস্থার উপর। তবে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট ব্যায়াম করাই সবচেয়ে ভালো। নিচে কতক্ষণ ব‍্যায়াম করতে হবে তা দেওয়া হয়েছেঃ 

আরও পড়ুনঃ মোটা হওয়ার ১২ উপায় - মোটা হওয়ার ঔষধ - মোটা হওয়ার ব্যায়াম

  • ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সীদের জন্য ৩০ মিনিট মাঝারি ব্যায়াম আদর্শ।
  • ওজন কমাতে চাইলে দিনে ৪৫-৬০ মিনিট ব্যায়াম করা ভালো।
  • যাদের শরীরে সমস্যা আছে, তারা ধীরে ধীরে সময় বাড়াতে পারেন।

কিন্তু অনেকেই ভাবেন যে ব‍্যায়াম করার সময়ই নেই। আসলে সকালে বা বিকেলে যে কোনো সময় ৩০ মিনিট বের করাই যথেষ্ট। ব্যায়াম মানেই ঘাম ঝরানো না, হাঁটাহাঁটি বা হালকা যোগব্যায়ামও ব্যায়ামেরই অংশ। আমরা যারা সুস্থ থাকতে চাই, তাদের জন্য প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ব্যায়াম করা অভ্যাসে পরিণত করা উচিত। এই সময়টুকুই আপনাকে দিবে সুস্থতা, সতেজতা আর শক্তি।

বিকেলে ব্যায়াম করার ফলাফল

বিকেলে ব্যায়াম করার ফলাফল নিয়ে অনেকেই চিন্তায় থাকেন। প্রকৃতপক্ষে বিকেল বেলা শরীর বেশি সক্রিয় থাকে, তাই ব্যায়ামের জন্য এটি ভালো সময় হতে পারে। আপনি যদি বিকালে খেলাধুলা করেন তাহলে তা ভালো ব‍্যায়াম হতে পারে। নিচে এ সম্পর্কে দেওয়া হলোঃ

  • বিকেলে শরীর গরম থাকে বলে ইনজুরি কম হয়।
  • এই সময় ব্যায়াম করলে শক্তি ও সহ্যক্ষমতা বেশি থাকে।
  • যারা সকালে ব্যস্ত, তাদের জন্য বিকেল হলো সহজ বিকল্প।

অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, বিকেলে ব্যায়াম করলে ঘুম ভালো হয় এবং মানসিক চাপ কমে। আপনি যদি কাজের ফাকে কিছুটা সময় বের করতে পারেন, তাহলে এর ফল পাবেন অনেক দ্রুত। তবে নিয়মিত ব‍্যায়ামের সময় বজায় রাখা জরুরি। আপনি যখন বিকেলে অভ্যাস গড়ে তুলবেন, তখন দেখবেন শরীর ধীরে ধীরে আরও ফিট হয়ে উঠছে। 

রাতে ব্যায়াম কতটা নিরাপদ

রাতে ব্যায়াম কতটা নিরাপদ, এই প্রশ্ন অনেকের মনেই আসে, বিশেষ করে যাদের দিনে ব‍্যায়াম করার সময় মেলে না। আসলে রাতেও ব্যায়াম করা যায়, তবে কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। নিচে এমনি কিছু সতর্ক সম্পর্কে দেওয়া হয়েছে যেগুলো আপনার জানা জরুরিঃ

  • রাত ৮টার পর খুব ভারী ব্যায়াম না করাই ভালো।
  • ঘুমের অন্তত এক ঘণ্টা আগে ব্যায়াম শেষ করা উচিত।
  • রাতের ব্যায়াম হালকা ও নিয়ন্ত্রিত হলে তা শরীরের জন্য উপকারী।

রাতে ব্যায়াম করলে সারাদিনের মানসিক চাপ কমে যায়। তবে যাদের ঘুমে সমস্যা আছে, তারা খুব দেরি করে ব্যায়াম করলে ঘুম ব্যাহত হতে পারে। তাই প্রতিদিন একই সময়ে, নিয়মিতভাবে হালকা ফ্রি হ্যান্ড বা যোগব্যায়াম করতে পারেন। রাতের ব্যায়াম নিরাপদ যদি আপনি সঠিক পদ্ধতি মেনে চলেন।

ওজন কমাতে সেরা ব্যায়াম সময়

ওজন কমাতে সেরা ব্যায়াম সময় নির্ধারণ করা হলে ব্যায়ামের ফলাফল দ্রুত পাওয়া যায়। ব্যায়াম করার সঠিক সময় সম্পর্কে আমরা এই পোস্টে জেনেছি। এখন সকালের ব্যায়ামে কীভাবে ওজন কমানো যায় তা জানবো। নিচে এ সম্পর্কে দেওয়া হলোঃ

  • সকালে খালি পেটে হালকা ব্যায়ামে চর্বি পোড়ে দ্রুত।
  • এই সময় শরীর ফ্রেশ থাকে, মনোযোগও ভালো থাকে।
  • সকালের রুটিন অনুসরণ করা সহজ ও নিয়মিত হয়।

তবে আপনি যদি সকালে ব্যায়াম করতে না পারেন, তাহলে বিকেলের ব্যায়ামও উপকারী। বিকেলে শক্তি বেশি থাকে বলে অনেক্ষণ ব্যায়াম করা যায়। এই নিয়মিত অভ্যাস আপনাকে দ্রুত ফলাফল এনে দেবে। তাই আপনার উচিৎ আমাদের দেখানো নিয়ম ও সময় অনুযায়ী ব‍্যায়াম করা।

ব্যায়ামের সময়ে ঘুমের প্রভাব

ব্যায়ামের সময়ে ঘুমের প্রভাব সরাসরি অনুভব করা যায়। সঠিক সময়ে ব্যায়াম করলে ঘুম সহজ হয়, আবার ভুল সময়ে করলে ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে। তাই আপনার উচিৎ এমন সময়ে ব‍্যায়াম করা যখন আপনার ঘুমে সমস্যা হবে না। যেমনঃ 

ব্যায়াম-করার-সঠিক-সময়
  • সকালে ব্যায়াম করলে সারাদিন সতেজ বোধ হয়, ঘুম হয় গভীর।
  • বিকেলের ব্যায়ামও রাতে ভালো ঘুমে সাহায্য করে।
  • তবে রাত ৯টার পর ব্যায়াম ঘুমকে বিলম্বিত করতে পারে।

আপনি যদি রাতে ব্যায়াম করেন, তবে ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে শেষ করতে হবে। শরীর তখন বিশ্রামে যাওয়ার সময় পায়। গবেষণায় বলা হয়েছে, যারা সঠিকভাবে ব্যায়াম করে, তাদের ঘুমের মান উন্নত হয়। এই কারণেই ব্যায়ামের সময় নির্ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ। 

পরিশেষে আমার মতামত 

আমার মতে, ব্যায়াম করার সঠিক সময় নির্ধারণ করা আপনার শরীর ও মনের জন‍্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে নিয়মিত ব্যায়ামই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তা সঠিক সময়ে করতে হবে। আপনি যদি সকাল, বিকেল বা রাত যে সময়েই ব‍্যায়াম করার সুবিধা মনে করেন, সেটাই বেছে নেওয়া ভালো হবে। শুধু খেয়াল রাখবেন, আপনার ঘুম, খাবার ও বিশ্রামের সঙ্গে সময়টা যেন মানানসই থাকে। এসকল নিয়ম ও সময়  আপনার শরীরকে ভালো রাখবে। [250412]





এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ST Bangla Hub নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url