ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য যা যা প্রয়োজন - ৫০+ ফ্রিল্যান্সিং কাজ
পড়াশোনার পাশাপাশি আয় করার উপায়আপনি কি ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য যা যা প্রয়োজন এ নিয়ে জানতে চাচ্ছেন? আপনি কি ফ্রিল্যান্সিং শিখতে চান? তবে আপনি আজকে সঠিক জায়গাতেই এসেছেন। আমরা আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং শিখা থেকে শুরু করে যা যা করতে হবে বা কাজ শুরুর আগে যা যা লাগবে সবকিছু নিয়ে জানাব।
এই পোস্টে আমরা ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে সকল তথ্য বিস্তারিত আলোচনা করব। তাই শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথেই থাকুন।
পোস্ট সূচিপত্র: ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য যা যা প্রয়োজন জানতে ক্লিক করুন
- ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য যা যা প্রয়োজন
- বিভিন্ন প্রকার ফ্রিল্যান্সিং কাজ
- ফ্রিল্যান্সিং করতে কোন কোন দক্ষতা লাগে
- কিভাবে ফ্রিল্যান্সার হওয়া যায়
- ফ্রিল্যান্সার হতে কি কি জানতে হবে
- ফ্রিল্যান্সিং এ কোন কোন কাজ করা হয়
- ফ্রিল্যান্সিং শিখতে কত সময় লাগে
- অনলাইনে আয় করার উপায়
- ফ্রিল্যান্সিং এর সুবিধা অসুবিধা
- পরিশেষে আমার মতামত
ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য যা যা প্রয়োজন
ঘরে বসে কে না আয় করতে চায়? আর ঘরে বসে আয় করার সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। তার জন্য আমাদের ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য যা যা প্রয়োজন তা সম্পর্কে জানতে হবে। তাহলে আমরা ভালো ভাবেই এটি শুরু করতে পারব। এবং কিছু মাসের মাঝেই আয় শুরু হবে যা নিয়ে নিচে আমরা জানব। যাইহোক ফ্রিল্যান্সিং শিখার জন্য কিছু জিনিসের প্রয়োজন হবে যেমন:
আরও পড়ুন: প্রতিদিনের রুটিন তৈরি করার উপায়
- একটি স্মার্টফোন বা কম্পিউটার। শুরুতে মোবাইল দিয়েও কিছু কাজ করা যায়, তবে কম্পিউটার হলে ভালো।
- ভালো ইন্টারনেট সংযোগ। কাজ পাঠানো, ক্লায়েন্টের সাথে কথা বলা সবকিছুর জন্য ভালো মানের ইন্টারনেট দরকার।
- একটি নির্দিষ্ট দক্ষতা (Skill)। যেমন: লেখা, ডিজাইন, ভিডিও এডিট, ডাটা কাজ ইত্যাদি। এ নিয়েও জানব পরবর্তীতে।
- ইমেইল অ্যাকাউন্ট। কাজের জন্য একটি ভালো ও পরিষ্কার ইমেইল থাকা জরুরি।
- ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে অ্যাকাউন্ট। যেমন: Fiverr, Upwork, Freelancer ইত্যাদি।
- ধৈর্য ও কাজের দক্ষতা এবং মন-মানসিকতা। শুরুতে কাজ নাও পেতে পারেন, ধৈর্য ধরাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
- সময় মেনে কাজ করা। সময়মতো কাজ না দিলে ক্লায়েন্ট হারানোর সম্ভাবনা থাকে।
এসকল বিভিন্ন ধরনের জিনিস লাগবে। মূলত একটি মোবাইল অথবা একটি কম্পিউটার বা ল্যাপ্টপ হলেই বুঝা যায়। যেমন আমিও একজন এই ধরনের কর্মী। আমি এখন বর্তমানে মোবাইলের মাধ্যমে লিখছি। এছাড়া আমার একটি ল্যাপ্টপ আছে। এগুলো দিয়েই আমার কাজ হয়ে যাচ্ছে। তবে একেক প্রফেশনের জন্য একেক জিনিস লাগবে। যেমন ফটোগ্রাফার হলে ভালো ক্যামেরা।
এছাড়াও আমার মাঝে লেখালেখির দক্ষতা আছে তাই আমি এই কাজটি বেছে নিয়েছি। তেমনি আপনার যেই বিষয়ের উপর দক্ষতা আছে আপনি ঐ বিষয়ের উপর কাজ করতে পারবেন। প্রথমে আমারও ইনকাম হয় নি আস্তে আস্তে হয়েছে। তাই আপনাকেও ধৈর্য ধরতে হবে। এমন আরও নানা বিষয় নিয়ে জানতে পোস্টটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।
বিভিন্ন প্রকার ফ্রিল্যান্সিং কাজ
বিভিন্ন প্রকারের ফ্রিল্যান্সিং কাজ রয়েছে। যেগুলোর মাধ্যমে আয় হয়। আপনি এখান থেকে যেকোনো একটি বেছে নিয়ে আপনার দক্ষতা দেখে তারপর আপনি এই বিষয়ের উপর রিসার্চ করুন। এবং তাহলেই আপনি সবকিছু নিয়ে জানতে পারবেন। এমন ৫০টি কাজ নিচে দেওয়া হলো:
- কনটেন্ট রাইটিং
- ব্লগ লেখা
- SEO কাজ
- ফেসবুক পোস্ট লেখা
- ইউটিউব স্ক্রিপ্ট লেখা
- গ্রাফিক ডিজাইন
- লোগো ডিজাইন
- ব্যানার ডিজাইন
- পোস্টার ডিজাইন
- ভিডিও এডিটিং
- ইউটিউব ভিডিও এডিট
- শর্ট ভিডিও এডিট (Reels/Shorts)
- ওয়েব ডিজাইন
- ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
- ওয়ার্ডপ্রেস কাজ
- ডাটা এন্ট্রি
- কপি-পেস্ট কাজ
- এক্সেল কাজ
- ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট
- ইমেইল ম্যানেজমেন্ট
- ফেসবুক পেজ ম্যানেজমেন্ট
- সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট
- ডিজিটাল মার্কেটিং
- ফেসবুক বিজ্ঞাপন চালানো
- ইউটিউব SEO
- কীওয়ার্ড রিসার্চ
- প্রোডাক্ট লিস্টিং
- অ্যামাজন কাজ
- ই-কমার্স ম্যানেজমেন্ট
- ট্রান্সলেশন কাজ
- বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ
- ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ
- ভয়েস ওভার
- অডিও এডিটিং
- থাম্বনেইল ডিজাইন
- Canva ডিজাইন
- PDF থেকে Word কাজ
- টাইপিং কাজ
- অনলাইন রিসার্চ
- লিড জেনারেশন
- CV / Resume লেখা
- PowerPoint তৈরি
- অনলাইন টিউটর
- কোর্স কনটেন্ট তৈরি
- স্ক্রিপ্ট রাইটিং
- ওয়েবসাইট কনটেন্ট আপডেট
- ব্লগ ম্যানেজমেন্ট
- AI টুল ব্যবহার করে কাজ
- চ্যাট সাপোর্ট
- কাস্টমার সাপোর্ট কাজ
এরকম আরও অনেক রকমের কাজ রয়েছে। আমরা কিছু প্রফেশন নিয়েই আলোচনা করবো। যেখান থেকে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার ফ্রিল্যান্সিং করতে কি কি জিনিসের দরকার। তাই শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথেই থাকুন।
ফ্রিল্যান্সিং করতে কোন কোন দক্ষতা লাগে
সকল কাজ করতেই কোনো না কোনো দক্ষতার প্রয়োজন হয়। তেমনি ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য কিছু দক্ষতার প্রয়োজন হয়। আপনি যদি এটি শিখতে চান তাহলে আপনাকে আগে থেকেই এই দক্ষতা গুলো সম্পর্কে জেনে রাখা উচিৎ। নিচে এমন কিছু দক্ষতা উল্লেখ্য করা হয়েছে।
- যোগাযোগ করার দক্ষতা। ক্লায়েন্টের সাথে সহজভাবে কথা বলতে পারা।
- সময় ম্যানেজ করার দক্ষতা। কখন কোন কাজ শেষ করবেন, সেটা জানা।
- শেখার মানসিকতা। নতুন জিনিস শিখতে আগ্রহী হওয়া।
- কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের বেসিক জ্ঞান। ফাইল পাঠানো, ইমেইল করা এসব জানা।
- ধৈর্য। শুরুতে কাজ না পেলেও হাল না ছাড়া।
- নিজের উপর বিশ্বাস।
আপনার আগে থেকেই এই দক্ষতা গুলো জেনে রাখা উচিৎ। এছাড়াও আপনি আস্তে আস্তে সবগুলো দক্ষতাই নিজের মাঝে নিয়ে আসতে পারবেন। এ নিয়ে কোনো সমস্যা হবে। আপনি কাজ শুরু করলে এমনি এমনিই সব শিখে যাবেন।
কিভাবে ফ্রিল্যান্সার হওয়া যায়
ফ্রিল্যান্সিং এর একটি অন্য রকম জগত আছে। অবশ্যই একজন ফ্রিল্যান্সার হতে হলে কিছু স্কিল থাকতেই হবে। ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য যা যা প্রয়োজন এর মাঝে এ সম্পর্কে জানা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ একজন ফ্রিল্যান্সার হতে হলে কিছু দক্ষতা থাকতে হবে। এমন কিছু দক্ষতা বা শর্ত বা কাজ হলো:
- প্রথমে একটা স্কিল বেছে নিন। যেমন: লেখা, ডিজাইন, ভিডিও এডিট, ডাটা কাজ ইত্যাদি।
- ইউটিউব বা অনলাইন থেকে শিখুন। শুরুতে কোর্স না কিনলেও ফ্রি শেখা যায়।
- ছোট ছোট প্র্যাকটিস করুন। শেখার সাথে সাথে নিজে নিজে কাজ করে দেখুন।
- একটা ফ্রিল্যান্সিং সাইটে অ্যাকাউন্ট খুলুন। Fiverr, Upwork, Freelancer যেকোনো একটিতে।
- প্রোফাইল সুন্দর করে সাজান। আপনি কী পারেন, সহজ ভাষায় লিখুন।
- ছোট কাজ দিয়ে শুরু করুন। প্রথমে কম টাকায় হলেও কাজ নিন, অভিজ্ঞতা হবে।
- ধৈর্য ধরে লেগে থাকুন। শুরুতে কাজ পেতে সময় লাগে, এটা স্বাভাবিক।
ফ্রিল্যান্সার হতে কি কি জানতে হবে
একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হতে হলে অনেক কিছুই জানতে হবে। একজন ফ্রিল্যান্সারের জ্ঞান অনেক বেশি থাকে। সে তার কাজকে অনেক পছন্দ করে। এবং তার মাঝে দক্ষতা আছে। একজন ফ্রিল্যান্সার সবসময় তার মাথা ঠান্ডা রাখে। তার অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। তার অনেক কিছু সম্পর্কে জানতে হয়। এমন কিছু বিষয় হচ্ছে:
- কম্পিউটার বা মোবাইল চালানো
- ইন্টারনেট ব্যবহার করা
- ইমেইল পাঠানো ও রিসিভ করা
- একটি কাজ ভালোভাবে জানা (স্কিল)
- সহজ ইংরেজি বোঝার ক্ষমতা
- সময় মেনে কাজ করার অভ্যাস
- ক্লায়েন্টের সাথে ভদ্রভাবে কথা বলা
- নতুন জিনিস শেখার আগ্রহ
- ভুল থেকে শেখার মানসিকতা
- হাল না ছাড়ার মনোভাব
আপনি যদি একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হতে চান তাহলে আপনাকে এই বিষয় গুলো সম্পর্কে জানতে হবে। তবেই আপনি সফল হতে পারবেন। এছাড়াও আরও অনেক বিষয় আছে যেগুলো আপনাকে জানতে হবে। তা নিয়েও আলোচনা আছে।
ফ্রিল্যান্সিং এ কোন কোন কাজ করা হয়
আমরা ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য যা যা প্রয়োজন ও ৫০+ ফ্রিল্যান্সিং কাজ সম্পর্কে জেনেছি। এখন আমরা ৫০+ কোন কোন কাজ আছে তা নিয়ে জানবো। দুটি এক নয় এগুলো ভিন্ন। আপনি এখান থেকেও বুঝতে পারবেন আপনার কোন কাজ করা ভালো হবে।
আরও পড়ুন: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ICT এর গুরুত্ব
- কনটেন্ট লেখা
- ব্লগ পোস্ট লেখা
- ফেসবুক পোস্ট লেখা
- ইউটিউব স্ক্রিপ্ট লেখা
- SEO কাজ
- কীওয়ার্ড রিসার্চ
- গ্রাফিক ডিজাইন
- লোগো ডিজাইন
- ব্যানার ডিজাইন
- পোস্টার ডিজাইন
- Canva ডিজাইন
- ভিডিও এডিটিং
- ইউটিউব ভিডিও এডিট
- শর্ট ভিডিও এডিট (Reels/Shorts)
- থাম্বনেইল ডিজাইন
- ওয়েব ডিজাইন
- ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
- ওয়ার্ডপ্রেস কাজ
- ডাটা এন্ট্রি
- কপি-পেস্ট কাজ
- টাইপিং কাজ
- এক্সেল কাজ
- ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট
- ইমেইল ম্যানেজমেন্ট
- সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট
- ফেসবুক পেজ ম্যানেজ করা
- ডিজিটাল মার্কেটিং
- ফেসবুক বিজ্ঞাপন চালানো
- ইউটিউব SEO
- অনলাইন রিসার্চ
- লিড জেনারেশন
- প্রোডাক্ট লিস্টিং
- অ্যামাজন কাজ
- ই-কমার্স ম্যানেজমেন্ট
- ট্রান্সলেশন কাজ
- বাংলা-ইংরেজি অনুবাদ
- ভয়েস ওভার
- অডিও এডিটিং
- PDF থেকে Word করা
- পাওয়ারপয়েন্ট বানানো
- CV / Resume লেখা
- অনলাইন টিউটর
- কাস্টমার সাপোর্ট
- চ্যাট সাপোর্ট
- AI টুল ব্যবহার করে কাজ
- ওয়েবসাইট কনটেন্ট আপডেট
- ব্লগ ম্যানেজমেন্ট
- অনলাইন কোর্স কনটেন্ট তৈরি
- স্ক্রিপ্ট রাইটিং
- ওয়েবসাইট টেস্টিং
- ট্রান্সক্রিপশন কাজ
- সাবটাইটেল লেখা
ফ্রিল্যান্সিং শিখতে কত সময় লাগে
আসলে ফ্রিল্যান্সিং আপনি কতদিনে শিখবেন তা নির্ভর করবে আপনি এর পিছনে কত সময় দিচ্ছেন। আর আপনার দক্ষতা কতটুকু কাজটি করার জন্য। এসকল বিষয় বিবেচনা করে আপনি ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারবেন। আপনি যদি প্রতিদিন ১-২ ঘন্টা সময় দেন আপনার ৫/৬ মাসে শিখা হয়ে যাবে। তবে প্রতিদিন ৪/৫ ঘন্টা বা আরও বেশি যদি প্রফেশন হিসেবে বেছে নেন তবে অনেক তাড়াতাড়িই শিখা হয়ে যাবে। ২-৩ মাসে। এবং ধীরে ধীরে আপনি নিজেই অভিজ্ঞ হয়ে উঠতে পারবেন। তাই আপনার উচিৎ প্রতিদিন এর পিছনে একটি নির্দিষ্ট সময় দেওয়া। তবেই আপনি তাড়াতাড়ি শিখতে পারবেন।
অনলাইনে আয় করার উপায়
অনলাইন থেকে আয় করার অনেক উপায় রয়েছে। যার মাঝে ফ্রিল্যান্সিং অন্যতম। আমরা ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য যা যা প্রয়োজন তা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনেছি। এখন আমরা জানব যে কীভাবে অনলাইন থেকে আয় করা যায় এমন ২০ টি উপায়। নিচে অনলাইনে আয় করার উপায় দেওয়া হলো:
- ফ্রিল্যান্সিং কাজ
- কনটেন্ট লেখা
- গ্রাফিক ডিজাইন
- ভিডিও এডিটিং
- ওয়েব ডিজাইন
- ওয়ার্ডপ্রেস কাজ
- ডাটা এন্ট্রি
- কপি-পেস্ট কাজ
- অনলাইন টিউশন
- ইউটিউব চ্যানেল
- ফেসবুক পেজ থেকে আয়
- ব্লগিং
- SEO কাজ
- সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট
- অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
- ই-কমার্স ব্যবসা
- অনলাইন কোর্স বিক্রি
- ডিজিটাল মার্কেটিং
- ভয়েস ওভার কাজ
- ট্রান্সলেশন কাজ
- AI টুল ব্যবহার করে কাজ
- অনলাইন রিসার্চ
- ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট
ফ্রিল্যান্সিং এর সুবিধা অসুবিধা
প্রত্যেকটা কাজের সুবিধা ও অসুবিধা দুটিই আছে। তেমনি ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য যেমন সুবিধা আছে তার থেকে অসুবিধা কিছু বেশি। ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য যা যা প্রয়োজন জানার পাশাপাশি সুবিধা অসুবিধা জানতে হবে। এই জগতে অনেক কিছুর মুখোমুখি হতে হয়। ফ্রিল্যান্সিং করার বিভিন্ন ধরনের সুবিধা আছে যেমন:
- ঘরে বসে কাজ করা যায়
- নিজের সময় নিজের মতো করে ব্যবহার করা যায়
- চাকরির মতো বস নেই
- একাধিক কাজ থেকে আয় করা সম্ভব
- স্কিল বাড়ার সাথে আয়ও বাড়ে
এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের অসুবিধা দেখা যায়। তবে এগুলো ভয় না পেয়ে মুখোমুখি হওয়াই ভালো। এগুলো কাটিয়ে যে উঠতে পারে সে সফল হয়। এমন কিছু অসুবিধা হলো:
- শুরুতে কাজ পাওয়া কঠিন
- নিয়মিত আয় নাও হতে পারে
- নিজেকে নিজেই ম্যানেজ করতে হয়
- কখনো ক্লায়েন্ট কাজ বাতিল করতে পারে
- ধৈর্য না থাকলে হতাশ লাগতে পারে
পরিশেষে আমার মতামত
আশা করি আপনি ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য যা যা প্রয়োজন তা সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। আপনি চাইলেই ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারেন এবং তাড়াতাড়িই সফলতা পেতে পারেন। প্রথমে আপনার দক্ষতা এখন। যদি আপনার মাঝে কিছুই না থাকে সময় নষ্ট করা ঠিক হবে না। আর যদি করেন তবে মন প্রাণ দিয়ে করেন। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। এবং শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।



ST Bangla Hub নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url