পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার উপায় ১০০% গেরান্টি
পড়াশোনা সহজে করা উপায়আপনি কি পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার উপায় গুলো খুঁজছেন? তবে আপনি সঠিক জায়গাতেই এসেছেন। এই পোস্টে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করব যে কীভাবে ক্লাসে প্রথম হওয়া যায় এবং কীভাবে কম পড়ে ভালো রেজাল্ট করা যায়।
এই পোস্টে পরীক্ষাতে প্রথম হওয়ার সকল কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। তাই শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথেই থাকুন। পোস্ট সূচিপত্র: পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার উপায় নিয়ে বিস্তারিত সবকিছু
- পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার উপায়
- বোর্ড পরীক্ষায় ভালো করার উপায়
- সারা বছর কীভাবে পড়াশোনা করতে হয়
- পরীক্ষার ১ মাস আগে কীভাবে পড়া উচিত
- পরীক্ষার আগে শান্ত থাকার উপায়
- পড়ালেখা না করে ভালো রেজাল্ট করার উপায়
- পরীক্ষার কক্ষে করণীয় ১০টি টিপস
- ঘরে বসে পড়াশোনা করার উপায়
- পড়াশোনা কেন করতে হবে
- পরিশেষে আমার মতামত
পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার উপায়
পরীক্ষায় প্রথম কে না হতে চায়। তবে অনেকেই শুধু পাসের চিন্তা করে। কিন্তু অনেকের জিদ থাকে যে পরীক্ষায় প্রথম হতেই হবে। এই জিদ কে কাজে লাগাতে হবে। পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার উপায়গুলো কেউ সঠিক ভাবে কাজে লাগাতে পারলেই হওয়া সম্ভব। বতর্মানে পড়াশোনা নিয়ে অনেক কম্পিটিশন কে কার আগে যাবে। এ অবস্থায় ক্লাসে বা পরীক্ষায় প্রথম হওয়া অনেক কঠিন একটি কাজ।
আরও পড়ুন: পরীক্ষার আগের রাতে করণীয় কি
প্রথমেই ক্লাসে যে সবচেয়ে ভালো তাকে দেখতে হবে সে কি করে। অবশ্যই যদি তুমি ভালো স্কুলে পড়াশোনা করো তবে স্কুলের স্টুডেন্টরাও অনেক মেধাবী থাকবে। এর মাঝে যে সবচেয়ে ভালো তোমার তাকে নজর রাখতে হবে। ধরো তোমার রোল ১০ এখন তুমি প্রথম হতে চাও। তাহলে তোমার আগে যত জনই থাকুক তুমি সেই ১ রোলের স্টুডেন্ট কে দেখবে যে সে কি করছে। অবশ্যই সে সারাদিন রাত পড়াশোনা করে।
তোমার সারাদিন রাত পড়াশোনা করতে হবে না। টিপস খাটিয়ে পড়াশোনা করতে হবে। আর এইসকল টিপস গুলো নিয়েই আজকের পোস্টে আলোচনা করা হয়েছে। আমরা ধাপে ধাপে প্রত্যেকটা বিষয় জানাব। সূচিপত্র থেকে দেখে নিতে পারো। অবশ্য তোমার জীবনের লক্ষ্য ক্লাসে প্রথম হওয়া নয় বরং জীবনে সফল হওয়া। এরপরেও অনেকে শুধু এই প্রথম টাই দেখবে।
যাইহোক যে ক্লাসে ১ম তোমার তার থেকে একটু এডভান্স লেভেলের পড়াশোনা করতে হবে। যেমন তোমার উচিৎ ভোরে উঠে পড়াশোনা করা। পড়াশোনা ছাড়া অন্য কোথাও মন না দেওয়া। মনের ভিতরে একটা জিদ রাখা। আরেকটা বিষয় হচ্ছে পড়াশোনা নিয়ে কখনো অহংকার করা যাবে না যে তুমি প্রথম এই সেই। দেখবে যারা চুপচাপ থাকে তারাই ভালো করে। তাই সব বিষয় নিয়েই গর্ব করো পড়াশোনা নিয়ে নয়। যাইহোক চলো এবার টিপস গুলো শুরু করা যাক।
বোর্ড পরীক্ষায় ভালো করার উপায়
বোর্ড পরীক্ষা জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। বোর্ড পরীক্ষায় ভালো করার অনেক গুলো উপায় আছে। বোর্ড পরীক্ষায় যে ভালো করে তার নামই থাকে। ক্লাসে কেউ প্রথম কিন্তু বোর্ডে যে প্রথম হবে তার নাম শেষ পর্যন্ত ভালো থাকবে। তাই ক্লাসে প্রথম হওয়া থেকে বোর্ড পরীক্ষায় আরও ভালো করতে হবে। বোর্ড পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার কিছু টিপস হলো:
- শুরুতেই পুরো সিলেবাস ভাগ করে করে শিখো। ধরো একটা টার্গেট নেও যে একটা বিষয়ের ৫টা অধ্যায় ৩ মাসে শেষ করবে। আর ২ মাস রিভিশন দিবে। এভাবে বোর্ড পরীক্ষার আগে পর্যন্ত প্রত্যেকটা বিষয় ভাগ করে করে শেষ করবে এবং রিভিশন দেওয়ার যথেষ্ট সময় রাখবে।
- পুরাতন বোর্ড প্রশ্ন বারবার লিখে প্র্যাকটিস করো। এমন ভাবে রুটিন করবে যাতে সবকিছু শেষ হয়। যেমন ১৫ দিনে ১ অধ্যায় শেষ করবে। এর মাঝে ৫ দিন পুরাতন বোর্ড প্রশ্নের সমাধান করবে।
- মেইন বই ভালো করে পড়া সবচেয়ে জরুরি
- যেগুলো গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এগুলো আলাদা নোট করো
- সময় ধরে মডেল টেস্ট দিয়ে নিজেকে পরীক্ষা করো যে তোমার কতটুকু শিখা হয়েছে। সপ্তাহে সপ্তাহে নিজেকে পরীক্ষা করো।
- না বুঝলে শিক্ষক বা বন্ধুকে জিজ্ঞেস করো
- পরীক্ষার আগে দুশ্চিন্তা না করে শান্ত থাকো
- রাতে বেশি জেগে পড়বে না
- পরীক্ষা হলে প্রশ্ন ভালো করে পড়ে উত্তর লেখো
- যেই প্রশ্ন গুলো সহজ ভালো ভাবে পারবে সেগুলো আগে লিখবে। এতে করে তোমার কনফিডেন্স বাড়বে। এরপরে শিক্ষকরা যদি দেখে শুরুতে ভালো লিখেছে তাহলে ভালো স্টুডেন্ট ধরে সারা খাতা ভালো ভাবে দেখবে।
মূলত রুটিন করে পড়াশোনা করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই রুটিন কীভাবে করে পড়তে হবে এবং সারা বছর কীভাবে পড়াশোনা করতে হবে এ নিয়ে চলুন বিস্তারিত জানা যাক।
সারা বছর কীভাবে পড়াশোনা করতে হয়
সারা বছর বিভিন্ন টিপস মেনে ভালো করে পড়া শোনা করলে পরীক্ষায় প্রথম হওয়া যায়। পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার উপায় গুলো সারা বছর কাজে লাগাতে হবে। এর মাঝে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে রুটিন করে পড়া। সারা বছর রুটিন করে পড়া। এছাড়াও কতক্ষণ কি পড়তে হবে চলুন সব জেনে নেই।
ধরো তোমার ১০টি সাবজেক্ট আছে। তোমার প্রত্যেকটা বিষয়ের অধ্যায় ১০টি। এখন তোমার হাতে এক বছর সময় সিলেবাস শেষ করার জন্য। তাহলে তোমাকে একটা ভালো রুটিন বানাতে হবে। সপ্তাহে ৭ দিন সময়। এর মাঝে ৩ দিন ৫টি বিষয় এবং বাকি ৩ দিন বাকি তিনটি বিষয় পড়বে। এবং শুক্রবারে অর্ধেক সময় ধরো তুমি শুক্রবারে ১০ ঘন্টা পড়াশোনা করলে। এর ৫ ঘন্টা সারা সপ্তাহে যা কিছু পড়েছো ৩০ মিনিট করে প্রতিটি বিষয় মোট ১০টি বিষয় রিভিশন দিবে।
এরপরে বাকি ৫ ঘন্টা কঠিন যেই বিষয় গুলো আছে ধরো ৫টি বিষয় কঠিন। এগুলো রিভিশন দিবে সবগুলো এক ঘন্টা করে। আর এটি গেলো শুক্রবার। বাকি সপ্তাহের ৬ দিন তোমাকে ভালো ভাবে পড়তে। এখনকার সময় সবাই মোটামুটি প্রাইভেট স্কুল করে। এটা স্বাভাবিক এখন সবাই এগুলোই করছে।
প্রাইভেট স্কুল এগুলোর পিছনে মাত্র ৬-৭ ঘন্টা সময় দিতে হবে। খেলাধুলা ১ ঘন্টা করা যায়। বা সময় কাটানোর জন্য ১ ঘন্টা। ধরো এভাবে ৮ ঘন্টা আর ৭ ঘন্টা ঘুম। এই মোট ১৫ ঘন্টা। তবে পরীক্ষার এক মাস আগে থেকে ৬ ঘন্টা ঘুমানোর অভ্যাস করতে হবে এর কম ঘুমানো যাবে না। যাইহোক বাকি ৯ ঘন্টার মাঝে ৮ ঘন্টা যদি তুমি পড়াশোনা করো তবে তুমি অবশ্যই প্রথম হবে।
এখন এই ৭ ঘন্টার মাঝে ৫টি বিষয় শেষ করতে হবে। বাকি ১ ঘন্টাতে প্রাইভেট স্কুলের পড়া শেষ করতে হবে। তাহলে প্রতিটি বিষয় গড়ে ১ বা দেড় ঘন্টাতে শেষ করা যাবে। এখন ধরো তোমার অর্ধবার্ষিকে ৫টি অধ্যায় শেষ করতে হবে। তাহলে টার্গেট নিবে নিজে থেকে রুটিন করবে কোন অধ্যায় কতদিন করে অধ্যায় শেষ করতে সময় লাগবে তা হিসাব করে পড়বে। ধরো ৩ মাসে সিলেবাস শেষ করে ২ মাস রিভিশন দিবে। এবং পরীক্ষা চলাকালীন মাসে পুরা মাস আবার সব রিভিশন দিবে।
পরীক্ষার ১ মাস আগে কীভাবে পড়া উচিত
পরীক্ষার একমাস আগে ভালো ভাবে পড়তে হবে। আর তুমি যদি সারা বছর না পড়ে পরীক্ষার আগে পড়াশোনা করে প্রথম হতে চাও তা প্রায় সম্ভব না। কারণ যে প্রথম হবে সে সারা বছর পড়াশোনা করেছে এবং তুমি একমাস পড়ে প্রথম হতে চাও। তবে একমাস পড়ে ভালো রেজাল্ট করতে পারো তার জন্য আরও পড়ুন সেকশন গুলোতে লিংক দেওয়া আছে।
যাইহোক সারা বছর পড়া শেষ করে সিলেবাস শেষ করে এবং একবার রিভিশন দেওয়ার পরে তোমাকে এক মাস পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে হবে। এই এক মাস সম্পূর্ণ পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে হবে। দিনে ১০-১২ ঘন্টা পড়াশোনা করতে হবে। প্রতি সাবজেক্ট এক ঘন্টা করে পড়তে হবে। এবং সম্পূর্ণ সিলেবাস এই এক মাসে শেষ করতে হবে। আর পরীক্ষার আগের দিন কীভাবে পড়বে তাও আরও পড়ুনে দেওয়া হয়েছে এখান থেকেও জেনে নিতে পারো।
পরীক্ষার আগে শান্ত থাকার উপায়
পরীক্ষার আগে যদি কেউ উত্তেজিত হয়ে যায় তবে তার পরীক্ষা ভালো হবে না। শান্ত মাথায় একদম চুপচাপ পরীক্ষা দিতে হবে। দেখবে ভালো স্টুডেন্ট রা পরীক্ষার সময় চুপচাপ থাকে। পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার উপায় গুলোর মাঝে একটি উপায় হচ্ছে পরীক্ষার আগে শান্ত থাকা। পরীক্ষার আগে শান্ত থাকার কিছু উপায় হলো:
আরও পড়ুন: পড়াশোনার পাশাপাশি আয় করার উপায়
- তুমি নিজেকে বোঝাও এবং ভয় পাওয়ার কিছু নেই
- নিয়মিত ঘুমাও। রাত জেগে পড়া ভালো না
- পড়া শেষ করে একটু হাঁটাহাঁটি করো
- অতিরিক্ত চিন্তা করলে পড়া বন্ধ করে দাও
- অন্যের সাথে নিজের তুলনা কোরো না
- ধীরে শ্বাস নাও, মন শান্ত রাখো
- আগের সাফল্যগুলো মনে করো
- নিজের উপর বিশ্বাস রাখো
- শান্ত থাকলে মনে রাখা সহজ হয়
এই উপায় গুলো ব্যবহার করে শান্ত থাকতে হবে। আর যদি তুমি বেশি পড়াশোনা করো এমনিতেই দেখবে তুমি শান্ত হয়ে গেছো। এবং শান্ত থাকলে তুমি মনে মনেও পড়া শিখতে পারবে। তাই পরীক্ষার আগে শান্ত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
পড়ালেখা না করে ভালো রেজাল্ট করার উপায়
আপনার মাথায় একটা প্রশ্ন সবসময়ই আসে যে কিভাবে না পড়ে পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করা যায়। এখন আমরা আপনাকে এর সকল টিপস সম্পর্কে তো অবশ্যই জানাব। সাথে আপনাকে আরও কিছু কাজ করতে হবে। কারণ পরীক্ষার হলে বসে আপনাকে নকল করা আমরা শিখাব না। তাই আমরা কিছু টিপস দিব যা মেনে চললেই আপনি কম পড়ে পরীক্ষায় ভালো করতে পারবেন।
আসলে পুরোপুরি না পড়ে পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করা বাস্তবে সম্ভব নয়। তবে হ্যাঁ, কম পড়ে, স্মার্টভাবে চিন্তা করে ভালো রেজাল্ট করা সম্ভব। অনেক শিক্ষার্থী ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়ে, কিন্তু ফলাফল এতো ভালো হয় না। আবার কেউ কেউ অল্প সময়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস পড়ে ও বুঝে ভালো রেজাল্ট করে। এর জন্য রয়েছে অনেক টিপস। যেমন: ভালো ঘুম এবং সাথে হালকা পাতলা পড়া এবং পড়ার মাঝে মাঝে ব্রেক নেওয়া। এমন অনেক টিপস আছে। আপনাকে প্রথমেই একটি প্রশ্ন বুঝে শিখতে হবে। কিন্তু আপনার তো পড়ার সময় কম তাই আপনি শুধু একটা প্রশ্নের মূল যেই লাইন আছে ঐটা শিখবেন এবং পরে এর উপর ভিত্তি করে বানিয়ে লেখা শুরু করবেন। তবে উল্টাপাল্টা বানিয়ে লেখলেই তো আর হবে না। তার জন্য বানিয়ে লেখার কিছু স্কিল দরকার হবে। এ নিয়ে পোস্টের নিচে সম্পূর্ণ বর্ণনা করা হয়েছে।
এরপর আপনার উচিৎ আগের বার বা আগের বছর কি কি প্রশ্ন এসেছে এগুলো হালকা পাতলা পড়া। আপনার নিজ ইচ্ছায় যেগুলো মনে হবে এগুলো দাগিয়ে রাখবেন এবং টিপস মেনে শিখবেন তারপর বানিয়ে লেখবেন। আপনি যেহেতু কম পড়ছেন সেহেতু নাম্বারও তুলনা মূলক ভাবে কম হবে। আর আমাদের নিয়ম মেনে বেশি পড়লে আপনার পরীক্ষা অবশ্যই ভালো হবে।
এরপর ঠান্ডা মাথায় পরীক্ষা দিতে হবে। আপনি একটি ট্রিকস কাজে লাগাতে পারেন। আপনি একটা পড়া পড়ার সময় চুইংগাম চাবালেন তারপর পরীক্ষাতে একই ফ্লেভারের চুইংগাম চাবালেন। এতে করে আপনার ঐ পড়া মনে পড়বে। এছাড়াও পরীক্ষার হলে পানি রাখবেন সাথে। আর না পারলে কারো সাহায্য তো নেবেনই। কিন্তু আপনার ব্রেইন অবশ্যই খাটাতে হবে। প্রশ্ন বেশি কঠিন হলে আপনি শুধু পাস করার চিন্তা করবেন। নাহলে বেশি চিন্তা করলে শেষে দেখা যাবে কিছুই হবে না। এরকম আরও অনেক টিপস আছে যা নিয়ে আমরা বিস্তারিত জানব।
পরীক্ষার কক্ষে করণীয় ১০টি টিপস
পরীক্ষার কক্ষে বসে অনেক সময় সবকিছু উল্টাপাল্টা লাগে যে কি পরীক্ষা দিচ্ছি কি হচ্ছে। আপনাকে পরীক্ষার হলেও মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে। এরপরে পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার উপায় গুলো কাজে লাগাতে হবে। যাইহোক পরীক্ষার কক্ষে করণীয় ১০টি টিপস হলো:
- তুমি হলে ঢোকার আগে প্রবেশপত্র ঠিক করে নাও
- সিটে বসে প্রশ্নপত্র পাওয়ার আগ পর্যন্ত শান্ত থাকো
- প্রশ্নপত্র পেলে পুরোটা একবার ভালো করে পড়ো
- যেটা সহজ মনে হয় সেটা আগে লেখো
- সময় ভাগ করে উত্তর লেখো
- অপ্রয়োজনীয় কথা লিখে সময় নষ্ট কোরো না
- হাতের লেখা পরিষ্কার রাখো
- কোনো প্রশ্ন না পারলে আতঙ্কিত হয়ো না
- শেষ ১০ মিনিট রিভিশনের জন্য রাখো
- আত্মবিশ্বাস নিয়ে খাতা জমা দাও
ঘরে বসে পড়াশোনা করার উপায়
ঘরে বসে মাথা ঠান্ডা রেখে পড়াশোনা করলে ভালো হয়। প্রাইভেট কচিং থেকে নিজে নিজে বাসায় পড়া সবচেয়ে ভালো। এছাড়াও অনলাইনে বিভিন্ন কোর্স করলে ঘরে বসেই অনেক ভালো ভাবে পড়াশোনা করা যায়। তাই ঘরে বসে পড়া সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে। রুটিন করে ঘরে বসে পড়াশোনা করলে ভালো হয়। আর এই রুটিন কীভাবে করতে হয় তা আমরা আগেই বলেছি। ঘরে বসে ৮-১২ ঘন্টা পড়াশোনা করা সবচেয়ে ভালো।
পড়াশোনা কেন করতে হবে
পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার উপায় গুলো সম্পর্কে তো জেনেছি। কিন্তু কেন প্রথম হতে হবে? কেন পড়াশোনা করতে হবে? আমাদের জীবনের একটা লক্ষ্য আছে। এই লক্ষ্য আমাদের পূরণ করতে হবে। দেখবে অনেকেই অনেক কথা বলে কারণ কেউ চায় না যে অন্য কেউ সফল হোক। আবার অনেকেই মন থেকে চায়। কিন্তু তা বুঝা মুশকিল। কিন্তু তোমার কাছে সুযোগ আছে জীবনে কিছু করার।
কি করবে এই জীবন দিয়ে? যেখানে কোনো সাফল্য নেই। মজা তুমি ভবিষ্যতেও করতে পারবে কিন্তু পড়াশোনা তোমাকে এখন করতে হবে। ভবিষ্যতে করতে পারবে না। তখনকার আপসোস আর কিচ্ছু ফিরে পাবে না। তাই এখন জান প্রাণ দিয়ে পড়াশোনা করো। এখন শুনা যায় পড়াশোনা ছাড়াই বড়লোক হয়ে গিয়েছে সফল হয়েছে। হ্যাঁ সত্যি বাস্তব। কিন্তু তাদের আলাদা গুণ ছিল। অনেক অনেক বেশি গুণ। তোমাকে সেই গুণ খুজতে হবে। এবং সবার মাঝে এসব থাকে না। তাই পড়াশোনায় সবকিছু। আর প্রথম হতে থাকলে তুমি নিজেকে নিয়ে এমনেই গর্ববোধ করবে। পরিশেষে আমার মতামত
আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন যে কীভাবে পরীক্ষায় প্রথম হওয়া যায়। এই পোস্টে দেওয়া পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার উপায় গুলো যদি আপনি মেনে কাজ করতে পারেন তবেইদেখবেন আপনি সফল হয়েছেন। আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন। শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
ST Bangla Hub নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url