হাইব্রিড পেঁপের ২০ ধরনের জাতের চাষ পদ্ধতি
ভালো জাতের পেঁপের ১৫টি চারাআপনি কি হাইব্রিড পেঁপের জাত সম্পর্কে জানতে চান? তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য। আমরা আপনাকে বিভিন্ন ধরনের হাইব্রিড পেঁপে সম্পর্কে জানাব। এছাড়াও আপনি আমাদের পোস্ট থেকে গাছের যত্ন করার উপায় গুলো সম্পর্কেও জানতে পারবেন।
এই পোস্টে আমরা বিস্তারিত জানব বিভিন্ন ধরনের হাইব্রিট জাতীয় পেঁপে সম্পর্কে। তাই শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথেই থাকুন। পোস্ট সূচিপত্র: হাইব্রিড পেঁপের জাত সম্পর্কে বিস্তারিত সবকিছু
- হাইব্রিড পেঁপের জাত
- হাইব্রিড পেঁপে চাষ পদ্ধতি
- রেড লেডি পেঁপের জাত
- গ্রীন লেডি পেঁপে চাষ পদ্ধতি
- সুইট লেডি পেঁপে চাষ পদ্ধতি
- টপ লেডি হাইব্রিড পেঁপে
- পেঁপে গাছের যত্ন নেওয়ার উপায়
- হাইব্রিড পেঁপে চাষের উপকারিতা
- হাইব্রিড পেঁপের অপকারিতা
- পরিশেষে আমার মতামত
হাইব্রিড পেঁপের জাত
হাইব্রিট পেঁপে সাধারণত চাষ করা হয়। সখ করে বা বাড়িতে লাগিয়ে গাছ থেকে পেঁপে ফলানো সাধারণত করা হয় না। হাইব্রিড পেঁপে চাষের জন্য অনেক ভালো। ভালো জাতের পেঁপের চারার মাঝে হাইব্রিড অনেক ভালো। তবে এর পিছনে একটু বেশি শ্রম দিতে হয়। হাইব্রিডের মাঝে অনেক জাতের পেঁপে আছে।
আরও পড়ুন: পেঁপে গাছের পরিচর্যা কিভাবে করতে হয়
অনেকেই ভাবে হাইব্রিড পেঁপের জাত অনেক ক্ষতি করে। কিন্তু আসলে তা না। এই পেঁপের যদি কোনো ক্ষতি থাকে তাহলে এ নিয়ে আমরা এই পোস্টের শেষে জানব। এছাড়াও হাইব্রিড পেঁপে অনেকেই অনেক সহজ পদ্ধতি তে চাষ করে থাকে। এর অনেক গুলো জাত আছে যেমন:
- রেড লেডি
- গ্রীন লেডি
- টপ লেডি
- সুইট লেডি
- গোল্ডেন লেডি
- সানরাইজ হাইব্রিড
- সুপার লেডি
- রয়্যাল স্টার
- টাইওয়ান হাইব্রিড
- সানগোল্ড
- হাওয়াই হাইব্রিড
- কারিকা হাইব্রিড
- সুপার সলো
- ফর্মোসা হাইব্রিড
- মালয়েশিয়ান হাইব্রিড
- থাই হাইব্রিড
- ডায়মন্ড লেডি
- সানরাইজ সলো
- রুবি হাইব্রিড
- স্টার লেডি
- এলিট হাইব্রিড
- প্রিমিয়াম লেডি
এছাড়াও অনেকগুলো পেঁপের জাত আছে। কিন্তু সবগুলো বাংলাদেশে চাষ করা হয় না। এর চাষ করার আলাদা কিছু পদ্ধতি আছে এ সম্পর্কে আমরা এই পোস্টে জানব। এছাড়াও আরও উন্নত হাইব্রিড জাতের পেঁপে সম্পর্কে জানব। যেগুলো সহজেই চাষ করা যায়। তাই শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথেই থাকুন।
হাইব্রিড পেঁপে চাষ পদ্ধতি
হাইব্রিড পেঁপে চাষ করার জন্য কিছু উপায় কাজে লাগাতে হবে। যত্ন ছাড়া এইসব হাইব্রিড পেঁপে বড় হয়ে উঠতে পারে না। কীভাবে পেঁপে গাছের যত্ন নিতে হবে এই পোস্টে আমরা জানব। এছাড়াও নিচে আমরা লিংক দিয়ে দিব। এভাবে চাষ করলে আপনি ভালো মানের হাইব্রিড জাতীয় পেঁপে পাবেন। এর চাষ করার কিছু উপায় হলো:
- রোদযুক্ত উঁচু জমি নির্বাচন করতে হবে
- দোআঁশ বা বেলে দোআঁশ মাটি হলে ভালো ফলন হয়
- গর্ত ১.৫–২ ফুট দূরে করতে হবে
- গর্তে গোবর সার ও ফসফরাস সার দিতে হবে
- ২০–৩০ দিনের চারা লাগাতে হবে
- রোপণের পর হালকা সেচ দিতে হবে
- প্রতি মাসে সার প্রয়োগ করতে হবে
- আগাছা পরিষ্কার রাখতে হবে
- পানি জমতে দেওয়া যাবে না
- পোকা হলে জৈব স্প্রে ব্যবহার করতে হবে
- ৫–৬ মাসে ফুল আসে
- ৬–৭ মাসে ফল পাওয়া যায়
আপনি যদি এইসব হাইব্রিড জাতীয় পেঁপে চাষ করতে চান তবে আপনাকে উপরের চাষ কৌশল গুলোর ব্যবহার করতে হবে। এছাড়াও আপনার হাতের কাজ সাথে অভিজ্ঞতা লাগবে। বা অভিজ্ঞদের মতামত নিয়ে কাজ করতে পারবেন। তাহলেই ভালো মানে পেঁপে পেতে পারেন।
রেড লেডি পেঁপের জাত
আমরা আগেই জেনেছি রেড লেডি পেঁপে হাইব্রিড পেঁপের জাত এর অংশ। তবে সব রেড লেডিই হাইব্রিট না। ফাস্ট লেডি পেঁপের পরেই রেড লেডি নিজের জায়গা করে নিয়েছে। আপনি বিভিন্ন রিসার্চ করে এটি দেখে নিতে পারবেন। এর কিছু চাষ পদ্ধতি আছে। চলুন এ সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
- জমি উঁচু ও রোদযুক্ত হতে হবে
- মাটি দোআঁশ বা বেলে দোআঁশ হলে ভালো ফলন হয়
- ১.৫–২ ফুট দূরত্বে গর্ত করতে হবে
- গর্তে গোবর সার ও সামান্য চুন মিশাতে হবে
- ২০–২৫ দিনের চারা লাগানো ভালো
- চারা লাগানোর পর হালকা পানি দিতে হবে
- মাসে একবার জৈব ও রাসায়নিক সার দিতে হবে
- গাছে ফুল এলে পানি কমাতে হবে
- ফল ধরলে নিয়মিত সেচ দিতে হবে
- ৬–৭ মাসে ফল পাওয়া যায়
গ্রীন লেডি পেঁপে চাষ পদ্ধতি
কিছু কিছু কাঁচা পেঁপে আছে যেগুলোর স্বাদ অনেক ভালো। এর মাঝে গ্রীন লেডি হলো সেরা। তরকারি হিসেবে বা পাকিয়েও খাওয়া যাবে। এটিও বাংলাদেশে চাষ করা যায়। তবে এর চাষের জন্য প্রাকৃতিক কিছু উপায়ের ব্যবহার করতে হবে। বাসা বাড়িতে লাগানোর চেয়ে চাষ করলে এটি ভালো হয়। এর কিছু চাষ পদ্ধতি হলো:
- এই জাত দ্রুত বাড়ে তাই উর্বর মাটি দরকার
- গর্তের মাপ ১.৫×১.৫ ফুট রাখা ভালো
- প্রতি গর্তে গোবর সার + ছাই + টিএসপি মিশাতে হয়
- চারা লাগানোর পর খুঁটি দিতে হবে
- প্রতি সপ্তাহে হালকা সেচ দিতে হবে
- মাসে একবার জৈব সার দিলে ফলন বাড়ে
- পাতা হলুদ হলে নাইট্রোজেন সার দিতে হয়
- গাছ বড় হলে অতিরিক্ত ডাল ছাঁটাই করতে হয়
- ৬ মাসের মধ্যেই ফল ধরা শুরু হয়
- ফল সবুজ থেকে হালকা হলুদ হলে তুলতে হব
সুইট লেডি পেঁপে চাষ পদ্ধতি
হাইব্রিড পেঁপের জাত এর মাঝে সুইট লেডি একটি। সুইট লেডি পেঁপের যেমন নাম তেমন এর স্বাদ। এর স্বাদ অনেক বেশি মিষ্টি হয়। মিষ্টি জাতীয় পেঁপে ফলাতে হলে সুইট লেডি পেঁপে চাষ করতে হবে। মিষ্টি ও ভালো জাতের পেঁপে চারার মাঝে এটি একটি। এর চাষ পদ্ধতি নিচে দেওয়া হলো:
- রোদযুক্ত উর্বর জমি নির্বাচন করতে হবে
- গর্তের মাপ প্রায় ১.৫ ফুট রাখতে হবে
- গর্তে গোবর সার ও টিএসপি দিতে হবে
- চারা লাগানোর পর খুঁটি দিতে হবে
- সপ্তাহে ১–২ বার পানি দিতে হবে
- পাতা হলুদ হলে নাইট্রোজেন সার দিতে হবে
- পোকা হলে নিম তেল স্প্রে করা ভালো
- গাছ বড় হলে অতিরিক্ত ডাল ছাঁটাই করতে হবে
- ৫–৬ মাসে ফল ধরা শুরু হয়
- ফল হালকা হলুদ হলে তুলতে হবে
টপ লেডি হাইব্রিড পেঁপে
রেড লেডির পরেই ভালো জাতের পেঁপের চারার মাঝে স্থান করে নেয় টপ লেডি। এটিও একটি উন্নত জাতের পেঁপে চারা। যা বাংলাদেশের অনেক জায়গাতে চাষ করা হয়। এরও কিছু নির্দিষ্ট চাষের পদ্ধতি আছে। চলুন এ সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক:
- উর্বর ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভালো এমন জমি নিতে হবে
- প্রতি গর্ত ২ ফুট দূরে করতে হবে
- গর্তে গোবর সারের সাথে ফসফরাস সার দিতে হবে
- চারা লাগানোর সময় বিকেল বেছে নেওয়া ভালো
- রোপণের পর ৭ দিন ছায়া দিলে চারা দ্রুত ধরে
- ১৫ দিন পরপর সেচ দিতে হবে
- আগাছা পরিষ্কার রাখতে হবে
- পোকা দেখা দিলে নিম তেল স্প্রে করা ভালো
- ৫–৬ মাসেই ফুল আসে
- ৭–৮ মাসে ফল সংগ্রহ করা যায়
পেঁপে গাছের যত্ন নেওয়ার উপায়
হাইব্রিড পেঁপের জাত এর ভালো যত্ন বা ভালো ফলনের জন্য প্রথমেই ভালো মাটি লাগবে। একদম ভালো দো-আঁশ মাটি লাগবে। কিছু মাটি আছে এগুলো বালু যুক্ত। আবার কিছু মাটিতে ভালো ফলন হয় না। তখন এসব মাটিতে ছায় বা গোবর ছিটিয়ে দিতে হয়। যাতে ভালো ফলন হতে পারে। আর মাটি উর্বর করতে হয়। এতেও কাজ না করলে সার দিতে হয়। এছাড়াও আরও অনেক পরিচর্যা করার উপায় আছে। চলুন তা জেনে নেই:
- রোদযুক্ত খোলামেলা জায়গায় পেঁপে গাছ লাগানো সবচেয়ে ভালো। পুরো দিন যেন পর্যাপ্ত সূর্যের আলো পায় এবং বিকেলের দিকে হালকা রোদ থাকে এমন জায়গা নির্বাচন করা উচিত। সম্পূর্ণ ছায়াযুক্ত স্থান, যেমন বাড়ির দেয়ালের পাশে বা বড় গাছের নিচে লাগালে ফলন কমে যায়। তাই উঠান, খোলা জমি বা পুকুরপাড়ের খালি জায়গা পেঁপে চাষের জন্য উপযুক্ত। তবে আশেপাশে বড় গাছ না থাকাই ভালো, কারণ সেগুলো আলো ও পুষ্টি কেড়ে নেয়।
- পেঁপে গাছে প্রতিদিন অল্প অল্প পানি দিতে হয়, কিন্তু কখনোই পানি জমে থাকতে দেওয়া যাবে না। গাছের গোড়ায় পানি দিতে হবে, তবে জমিতে পানি নিষ্কাশনের ভালো ব্যবস্থা থাকতে হবে। এজন্য অনেকেই টিলার মতো উঁচু বেড তৈরি করে সারিবদ্ধভাবে চারা লাগায় এবং মাঝখানে পানি যাওয়ার পথ রাখে। এতে অতিরিক্ত পানি নিচে নেমে যায় এবং শিকড় পচে না।
- মাটির গুণ ভালো হলে গাছ দ্রুত বাড়ে। উর্বর মাটিতে গোবর সার দিলেই অনেক সময় যথেষ্ট হয়। তবে মাটি দুর্বল হলে জৈব সার, কম্পোস্ট বা প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য সার ব্যবহার করা দরকার। মাসে অন্তত একবার জৈব সার দিলে গাছের বৃদ্ধি দ্রুত হয় এবং ফলনও ভালো আসে।
- গাছের চারপাশ সবসময় পরিষ্কার রাখতে হবে। আগাছা জন্মালে তা নিয়মিত তুলে ফেলতে হবে, কারণ আগাছা পুষ্টি শোষণ করে নেয়। শুকনো, হলুদ বা রোগাক্রান্ত পাতা দেখলে সঙ্গে সঙ্গে কেটে ফেলতে হবে। এতে রোগ ছড়ায় না এবং গাছ সুস্থ থাকে।
- গাছের গোড়ার মাটি মাঝে মাঝে আলগা করে দিলে বাতাস ঢোকে এবং শিকড় শক্ত হয়। পাতা হলুদ হয়ে গেলে বুঝতে হবে পুষ্টির ঘাটতি হয়েছে তখন সার বা জৈব খাদ্য দিতে হবে। গোবর প্রয়োগ করলে হালকা মাটি বা ছাই দিয়ে ঢেকে দেওয়া ভালো, এতে পোকা জন্মায় না।
- পোকামাকড় দেখা দিলে রাসায়নিকের বদলে নিম তেল বা জৈব কীটনাশক ব্যবহার করা নিরাপদ। গাছ লম্বা হয়ে গেলে পাশে খুঁটি দিয়ে বেঁধে রাখতে হবে, না হলে বাতাসে হেলে যেতে পারে বা ফলের ভারে ভেঙে যেতে পারে। ঝড়-বৃষ্টি হলে গাছ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকেও নজর রাখা জরুরি।
- ফুল আসার সময় অতিরিক্ত সার দেওয়া উচিত নয়, এতে ফুল ঝরে যেতে পারে। গাছের চারপাশে ময়লা বা আবর্জনা ফেলা যাবে না অনেকে মনে করেন এগুলো সার হয়, কিন্তু আসলে এতে রোগ ও পোকা বাড়ে। সবসময় পরিষ্কার পরিবেশ রাখলে গাছ সুস্থ থাকে এবং ফলন বেশি হয়।
হাইব্রিড পেঁপে চাষের উপকারিতা
হাইব্রিড পেঁপে চাষ করায় অনেক ধরনের উপকার পাওয়া যায়। এগুলো আমাদের দেহ স্বাস্থ্য সব কিছুকেই সুরক্ষা রাখে। অর্থাৎ পেঁপে আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা করে। তবে এর পিছনে কিছু ক্ষতি আছে তা পরে জেনে নিব। কৃষকরা অনেক সহজেই হাইব্রিড পেঁপে চাষ করে। এর কিছু সুবিধা হলো:
- সহজে বেশি পেঁপে ফলানো যায় ফলে কৃষকের লাভ বেশি হয়।
- গাছ দ্রুত বড় হয় তাই কম সময়ে ফল আসে।
- ফল আকারে বড় ও দেখতে সুন্দর হয় তাই বাজারে দাম ভালো পাওয়া যায়।
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সাধারণ জাতের তুলনায় বেশি হয়ে থাকে।
- একই জমিতে বেশি ফল উৎপাদন করা যায়।
- বাণিজ্যিক চাষের জন্য খুব উপযোগী।
- ফল সাধারণত অসম্ভব মিষ্টি ও রসালো হয় তাই ক্রেতার চাহিদা বেশি থাকে।
- পরিবহন করা সহজ হওয়ায় দূরে পাঠানো যায়।
- নতুন কৃষকরাও সহজে চাষ করতে পারে।
- বছরের বিভিন্ন সময়ে ফল পাওয়া যায়।
- কম সময়ে লাভ করা সম্ভব।
- একাধিক মৌসুমে ফল হয়।
- ফল দ্রুত বাজারজাত করা যায়।
- গাছ তুলনামূলক কম জায়গায় লাগানো যায়।
- উন্নত জাত হওয়ায় ফলের গুণগত মান ভালো থাকে।
- খাদ্য ও পুষ্টিগুণ ভালো থাকে।
- এর মিষ্টি ও স্বাদ অনেক অনেক বেশি হয়।
হাইব্রিড পেঁপে চাষের অপকারিতা
হাইব্রিড পেঁপের জাত এর অনেক উপকারিতা থাকলেও পাশাপাশি কিছু অপকারিতা আছে। চাষের ক্ষেত্রে এর পিছনে বেশি যত্ন ও শ্রম দিতে হয়। এছাড়াও বিশেষ নজরে রাখতে হয়। নাহলে নষ্ট হয়ে যায়। চাষ করা অনেক সহজ হলেও কিছু অপকারিতা আছে যেমন:
বীজ দাম বেশি হওয়ায় শুরুতে খরচ বেশি লাগে।
নিজে বীজ রেখে পরের বছর লাগালে একই ফলন নাও হতে পারে।
- নিয়মিত সার ও যত্ন না দিলে ফলন কমে যায়।
- অতিরিক্ত রাসায়নিক সার দিলে গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
- প্রাকৃতিক পরিবেশের ওপর নির্ভরতা বেশি থাকে।
- বীজ কোম্পানির উপর নির্ভরশীল হতে হয়।
- অযত্নে রোগ দ্রুত ছড়াতে পারে।
- অতিরিক্ত ফল ধরলে গাছ দুর্বল হয়ে যায়।
- ঝড় বা বাতাসে হাইব্রিড গাছ সহজে ভেঙে যেতে পারে।
- মাটির গুণমান খারাপ হলে ফলন ভালো হয় না।
- সঠিক পরিচর্যা না জানলে ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে।
- অতিরিক্ত পানি দিলে শিকড় পচে যেতে পারে।
- একই জমিতে বারবার লাগালে মাটির উর্বরতা কমে যায়।
- সব এলাকায় সব জাত সমান ফলন দেয় না।
পরিশেষে আমার মতামত
আশা করি আপনি আমাদের এই পোস্ট থেকে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন হাইব্রিড পেঁপের জাত সম্পর্কে। আপনি বিভিন্ন ধরনের হাইব্রিড পেঁপে চাষ করতে পারেন। এর মাঝে চার জাতের পেঁপে নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। এগুলো সবচেয়ে বেশি চাষ হয়। এর মাঝে রেড লেডি অনেক ভালো। আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন। শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।


ST Bangla Hub নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url