অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার উপায়

পড়াশোনার পাশাপাশি আয় করার উপায়আপনি কি অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার উপায় সম্পর্কে জানতে চান? তাহলে আপনি আজকে সঠিক জায়গাতেই এসেছেন। কারণ অনলাইনে কাপড়ের ব‍্যবসা করার সেরা টিপসগুলো আমাদের পোস্টে আছে। এছাড়াও আমরা আপনাকে যেকোনো ব‍্যবসা করার টিপস সম্পর্কে তো জানাবোই। 

অনলাইনে-কাপড়ের-ব্যবসা-করার-উপায়এই পোস্টে আমরা ধাপে ধাপে আমরা আপনাকে ১০+ অর্থাৎ অনেকগুলো পদ্ধতি সম্পর্কে জানাব। তাই শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথেই থাকুন এবং পোস্টটি পড়ুন। 

পোস্ট সূচিপত্র: অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার উপায় নিয়ে যা যা থাকছে ক্লিক করুন 

অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার উপায়

বর্তমান যুগ অনলাইনের যুগ। আর সবাই এখন অনলাইনেই কিনা কাটা করতে পছন্দ করে। আর আপনি যখন একটা ব‍্যবসা করছেন তা আরও বৃদ্ধি করতে হলে আপনাকে অবশ্যই অনলাইনের সাহায্য নিতে হবে। আর অনলাইনে কাপড়ের ব‍্যবসা করার উপায় অনেক ভালো একটা বিষয়। আপনার যদি একটা কাপড়ের দোকান থাকে বা কাপড়ের স্টক থাকে তাহলে আপনি অনেক সহজেই অনলাইনে কাপড়ের ব‍্যবসা করতে পারবেন। 

আরও পড়ুন: ইংরেজি শিখার সহজ উপায়

  • Social Media: শুরুতেই আপনাকে একটি ফেসবুক পেইজ খুলে নেওয়া দরকার। আবার instagram এ এখন কাপড়ের ব‍্যবসা অনেক ভালো চলছে। এর মাঝে সবচেয়ে ভালো হলো থ্রিফটিং। মূলত এটা হচ্ছে বাইরের দেশের মানুষ দামি কাপড় গুলো ব‍্যবহার করে তা পরে আবার পাইকারি ভাবে বিক্রি করে দেয়। আবার ঐ কাপড় গুলোই বিভিন্ন দেশে চলে যায়। আপনাকে ঐগুলো সংগ্রহ করতে হবে। তাহলে চলুন থ্রিফটিং নিয়ে জেনে নেওয়া যাক। 
  • থ্রিফটিং: আপনাকে প্রথমে একটি সোশ্যাল মিডিয়া খুলতে হবে বিভিন্ন ধরনের। তারপর আপনি প্রতিদিন পোস্ট করবেন কারো না কারো চোখে তো পড়বেই। এখন ধরুন যে আপনার ফলোয়ার ভিউয়ার কিছুই নেই। তাহলে আপনি একটি ভালো মানে পেইজ কিনে নিতে পারেন এমন। ৩-৫ হাজারের মাঝেই এমন পেইজ হয়ে যাবে। তারপর প্রতিদিন পোস্ট এক দুইটা হলেও আপনার লাভ হবে। আপনি কোনো ডেলিভারি কমপানির সাথে যোগাযোগ রাখতে পারেন। যেমন Daraz। বদলে আপনার ডেলিভারিও এভাবেই হয়ে যাবে বা কুরিয়ার করতে পারেন। থ্রিফটিং করলে আপনার লাভ হবে প্রচুর। প্রতি কাপড়েই ২০০-৫০০ টাকা পর্যন্ত।
  • Group\Market place: আপনি বিভিন্ন কাপড় বিক্রি করার ফেসবুক গ্রুপ খুজবেন। তারপর ঐ গ্রুপ গুলোতে আপনার কাপড়ের একটা প্রফেশনাল ছবি তুলে ছেড়ে প্রাইজ সহ দিয়ে দিবেন। এতে করে অনেকের আগ্রহ বাড়বে। এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন মার্কেট প্লেস যেখানে আপনি কাপড়ের ছবি ছাড়তে পারবেন। এ নিয়ে আমরা নিচে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। এখন শুধু হালকা একটা ধারণা দিয়ে রাখলাম।
শুরুতেই এইসব পদ্ধতি বলে দিলাম কিন্তু পরে এগুলো নিয়ে আরও বেশি আলোচনা করবো। এখন তাহলে ব‍্যবসা করার উপায় টা সম্পর্কে একটু আলোচনা করি। আপনাকে প্রথমেই ঠিক করতে হবে আপনার টার্গেটেড কাস্টমার। অর্থাৎ আপনি কাদের কাছে আপনার কাপড় বিক্রি করতে চান। আপনি মেয়েদের কাপড়, ছেলেদের কাপড়, ছোট বাচ্চাদের কাপড়, বা বড় মানুষ দের কাপড় বা ফ‍্যাশন করার জন‍্য এমন এমন আপনার টার্গেড ঠিক করে নিতে পারেন। এছাড়াও আপনি যদি সবগুলো একসাথে করতে পারেন তাহলে তাও আপনার জন‍্য ভালো। 

আরেকটা বিষয় হচ্ছে আপনার উচিৎ আপনার দ্রুত ডেলিভারি ব‍্যবস্থা করা এতে করে কাস্টমাররা পরবর্তী সময়ে আপনার কাছ থেকেই প্রডাক্ট কিনবে। আর আপনার শুরুতেই অনেক ভালো ভালো কাপড় বিক্রি করতে হবে। যেই তথ‍্য কাস্টমারকে জানাবেন সেই তথ‍্য অনুযায়ীই প্রোডাক্ট পাঠাবেন। নাহলে কাস্টমারের ভরসা উঠে যাবে। আমরা সাধারণত দেখে থাকি অনলাইনের জিনিস ভালো হয় না। আর আপনি যদি ভালো জিনিস সাপ্লাই দিতে পারেন তাহলে আপনি এই বিশাল বড় প্রতিযোগিতাতে টিকে যাবেন। এ নিয়ে বিস্তারিত এই পোস্টে আলোচনা করা হবে। 

অনলাইন ব‍্যবসা বলতে কি বুঝায়

অনলাইন ব্যবসা বলতে মূলত এমন একটি ব্যবসা পদ্ধতিকে বোঝায়, যেখানে ইন্টারনেট ব্যবহার করে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় করা হয়। এখানে দোকান ভাড়া, কর্মচারী বা বড় জায়গার প্রয়োজন হয় না। একটি স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ এবং ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই অনলাইন ব্যবসা শুরু করা যায়।

অনলাইন ব্যবসার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো আপনি দেশের যেকোনো জায়গা থেকে কাস্টমার পেতে পারেন। কাস্টমাররা যেকোনো সময় আপনার কাছ থেকে প্রোডাক্ট অর্ডার দিতে পারবে। এতে করে আপনার সুবিধা। আপনি যেকোনো সময় দেখে সার্ভিস দিতে পারবেন। বর্তমানে অনলাইন ব‍্যবসা করার জন‍্য অনেক মাধ‍্যম আছে। এর এইসব জাগাতে প্রতিযোগিতাও অনেক বেশি হয়ে থাকে। বর্তমানে অনলাইন ব্যবসার জনপ্রিয় মাধ্যমগুলো হলো:

  • Facebook Page ও Group
  • নিজস্ব Website
  • E-commerce Marketplace
  • WhatsApp Business

What's app Business টা আবার কি? এতো কিছু জানলাম এটা তো জানা হলো না। এ নিয়ে নিচে লেখা হবে। তাই শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথেই থাকবেন। যাই হোক এছাড়াও আরও অনেক অনেক মাধ‍্যম আছে। আমরা আপনাকে সবগুলো উপায় সম্পর্কেই জানাব। 

কাপড়ের ব‍্যবসা কীভাবে শুরু করা যায়

অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার উপায় গুলো জানার পাশাপাশি আরেকটি প্রশ্ন আসে কাপড়ের ব‍্যবসা কীভাবে শুরু করা যায়? আপনার চিন্তার কিছু নেই। আপনি একবার শুরু করুন আপনার ইনকাম হবেই। শুধু ধৈর্য‍্য ও সময়ের প্রয়োজন। সবাই সফল হতে পারে না কিন্তু বেশির ভাগ মানুষই হয়েছে। কারণ দেশে যদি ২০ কোটি মানুষ থাকে তাদের প্রত‍্যেকেরই কাপড় লাগবে। এটা সবারই দরকার। সবাই তো সরাসরি দোকানেই কিনে না। অনেকেই অনলাইন থেকে কিনতে পছন্দ করে। 

ধরুন আপনি যদি এখন শুরু করেন তাহলে অবশ্যই ৫-৬ বা এর বেশি কিছু সময় বা আরও কম সময়ে আপনার নাম উঠে যাবে। আপনি তো সরাসরি ব‍্যবসা করছেনই সাথে অনলাইনে চালালেও সমস্যা নেই। শুধু ছবি তুলুন আর পোস্ট করুন তবে এর আগে সব সেট আপ করুন যা নিয়ে আমরা জানব। এখন মানুষ যেভাবে অনলাইনের উপর নির্ভর হচ্ছে ভবিষ্যতে আরও হবে। এখন আপনার অনলাইন কাস্টমার কম হলেও ১০-১৫ বছর পরে তো বেশির ভাগ কাস্টমার অনলাইনেই থাকবে। 

আপনার ব‍্যবসা যথা চিন্তা করেন যে ১০-১৫ বছর পরে অনলাইনে করবেন তখন আপনার প্রতিযোগিতা আরও বেশি থাকবে। আপনি এখন থেকে শুরু করলে আপনার ব‍্যবসা তুলতে সময় লাগবে। যারা অনেক আগে থেকে এইসব ব‍্যবসা করছে তারা দেখবেন তাদের ব‍্যবসা অনেক সময় ধরে উপরে তুলে রেখেছে। এবং তাদের কাস্টমার এখন বেশি। কারণ তারা ঐ সময় টুকু দিয়েছে। ভবিষ্যতে আপনারও হবে। তাই এখন থেকেই শুরু করুন। 

আপনার প্রতিযোগিতা অনেক বেশি এখন। আর আপনার থেকে অনেক ভালো বড় ব‍্যবসায়ী তো আছেই। কিন্তু ভবিষ্যতে আপনার অভিজ্ঞতাও বাড়বে আর আপনার কাস্টমার তখন পারবে। তখন যারা নতুন শুরু করবে তাদের থেকে আপনার চাহিদা বেশি থাকবে। তাই এখন থেকেই এই ব‍্যবসা শুরু করুন। 

আপনাকে প্রথমে সবকিছু সেট আপ করতে হবে। এ নিয়ে উপরে মোটামুটি ধারণা দিয়েছি এছাড়াও নিচে বিস্তারিত আছে। তারপর আপনার কাপড় সিলেক্ট করতে হবে। তারপর ডেলিভারি, সাপোর্ট সব ঠিক করতে হবে, মোটামুটি ছবি এডিটিং শিখতে হবে এবং পরে শুধু পোস্ট আর কাস্টমার। একবার সব সেট আপ হলে পরে শুধু আপনার কাজ হবে ছবি তুলা পোস্ট করা আর কাস্টমার সার্ভিস দেওয়া। তাহলে চলুন এই সবকিছু সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক। 

অনলাইনে কাপড়ের ব‍্যবসার নাম 

অনলাইনে কাপড়ের ব‍্যবসার নাম বলতে মূলত বুঝানো হয়েছে যে আপনার ব‍্যবসা কোন কোন কাপড়ের উপর নির্ভর করবে। এমন অনেক ধরনের কাপড়ের ধরন আছে যেগুলো নিয়ে আপনি ব‍্যবসা করতে পারবেন। যেমন: 
অনলাইনে-কাপড়ের-ব্যবসা-করার-উপায়
  • রঙিন পোশাক
  • দেশি ফ্যাশন ঘর
  • আভিজাত্য বস্ত্রালয়
  • ট্রেন্ডি কাপড়
  • নকশী পোশাক
  • স্মার্ট ফ্যাশন হাব
  • শহুরে পোশাক
  • ফ্যাশন বাজার
  • স্টাইল বাংলা
  • বাঙালি ড্রেস হাউস
  • Style Loom
  • TrendyWear
  • Urban Cloth
  • FashionNest
  • Dressora
  • WearCraft
  • Clothify
  • Modest Wear BD
  • Elite Outfit
  • DailyWear Hub
  • Bangla Fashion Hub
  • Deshi Style Wear
  • Trendy কাপড়
  • Fashion বাংলা
  • Style & Saree
  • BD Outfit Zone
  • Smart Dress BD
  • Bangla Trendy Wear
  • Fashion Ghor
  • Style Bangla Hub
  • Queen Fashion
  • SheStyle
  • LadyWear BD
  • Pink Closet
  • Women Trend
  • Her Fashion Hub
  • MenStyle BD
  • Urban Man Wear
  • Gentleman Outfit
  • Alpha Wear
  • ManTrend
আপনার প্রথমেই আপনার কম্পানির নাম দিতে হবে। আপনি কোন কাপড় নিয়ে কাজ করবেন তার উপর আপনার কম্পানির নাম থাকবে। এইসব কিছু নিয়ে আপনি আপনার পেইজ, মার্কেট প্লেস, ওয়েবসাইট সবকিছু সাজাবেন। 

অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার নিয়ম

আমরা আগেই মূলত অনলাইনে কাপড়ের ব‍্যবসা করার নিয়ম গুলো সম্পর্কে জেনেছি। এছাড়াও আমাদের এখন কিছু সহজে জেনে নেওয়া উচিৎ। যেন আপনি ধাপে দাপে শুরু করতে পারেন। অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার উপায় অর্থাৎ কিছু নিয়ম সম্পর্কে নিচে দেওয়া হলো: 
  • প্রথমেই টার্গেড কাস্টমার অনুযায়ী কাপড় বাছাই করতে হবে
  • ভালো মানের কাপড় বাছাই করতে হবে
  • সোশ্যাল মিডিয়া প্ল‍্যাটফর্ম, মার্কেট প্লেস সাজাতে হবে
  • ডেলিভারি সুবিধা ও কাস্টমার সার্ভিস ঠিক করতে হবে
  • মোটামুটি ছবি এডিটিং শিখতে হবে
  • আপনার পেইজ বা পোস্টে আকর্ষণ রাখতে হবে
  • নেগেটিভ রিভিউ যেন না আসে এমন কাজ করতে হবে

কোন কোন প্ল‍্যাটফর্মে কাপড় বিক্রি করা যাবে

অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার উপায় গুলোর মাঝে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হচ্ছে পোশাক বিক্রি করার প্ল‍্যাটফর্ম ঠিক করা। আমার মতে আপনার একটি ওয়েবসাইট সবার প্রথম সাজানো উচিৎ। এখন এই ওয়েবসাইট সাজানো নিয়ে বলতে গেলে পোস্ট অনেক লম্বা হয়ে যাবে। এখন আপনি এর ব‍্যবহার করতেও পারেন নাও পারেন তা আপনার বিষয়। 

প্রথমেই আপনাকে SEO আর্টিকেল রাইটিং শিখতে হবে। আপনার একটি ওয়েবসাইট সাজানো থাকতে হবে। বা আপনি একটি ওয়েবসাইট কিনে নিতে পারবেন। যেমন ওয়েবসাইট কিনার একটি উপায় হচ্ছে Ordinary IT এছাড়াও আমাদের সাথে আপনি যোগাযোগ করতে পারেন। এখান থেকে আপনি আপনার মন মতো একটি বিজনেস ওয়েবসাইট বানিয়ে আর্টিকেল লেখা শিখে। গুগলে পোস্ট র‍্যাংঙ্ক করিয়ে কাস্টমার পেতে পারেন। 

কারণ অনেক কাস্টমার গুগলে কাপড় কিনার চেষ্টা করে। এ নিয়ে আপনি গুগল থেকে বা আমাদের ওয়েবসাইটের অন‍্যান‍্য পোস্ট থেকে জানতে পারেন অথবা পরবর্তী সময়ে এই পোস্টের সাথেই আপডেট এনে দিব বিস্তারিত। এছাড়াও আপনাকে তো আমরা জানিয়েছিই যে আপনি কোন কোন জায়গায় আপনার কাপড় বিক্রি করতে পারবেন। 

কোন কোন কাপড়ের চাহিদা বেশি

আপনি কাপড়ের ব‍্যবসা করবেন কিন্তু কোন ধরনের কাপড়? যেমন তেমন হলেই তো আর চলবে না আপনাকে বুঝে নিতে হবে কোন কাপড় গুলো এখন ট্রেন্ডিং এ আছে। বর্তমানে অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসায় নিচের পোশাকগুলোর চাহিদা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়
  • মেয়েদের থ্রি পিস
  • কুর্তি ও টপস
  • ছেলেদের পাঞ্জাবি
  • টি-শার্ট ও ক্যাজুয়াল শার্ট
  • বাচ্চাদের পোশাক
  • শীতের কাপড় (হুডি, সোয়েটার, জ্যাকেট)
  • নাইট ড্রেস ও হোমওয়্যার

কাপড়ের ব্যবসার ঝুঁকি

প্রত‍্যেকটা ব‍্যবসারই কিছু ঝুঁকি থাকে। অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার উপায়ের সাথে আপনাকে এর কিছু ঝুঁকি সম্পর্কেও জানতে হবে। যেন আপনি সাবধান থাকতে পারেন। এমন কিছু ঝুঁকি হচ্ছে
অনলাইনে-কাপড়ের-ব্যবসা-করার-উপায়
  • স্টক জমে যাওয়ার ঝুঁকি
  • ডেলিভারি সমস্যার ঝুঁকি
  • রিটার্ন ও অর্ডার বাতিল
  • কাপড়ের মান নিয়ে অভিযোগ
  • দাম প্রতিযোগিতা
  • নকল বা কপি ডিজাইন সমস্যা
  • মৌসুমি নির্ভরতা

পরিশেষে আমার মতামত 

আশা করি আপনি অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার উপায়গুলো সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। এখন আপনার ব‍্যবসা শুরু করার দরকার। আপনি ব‍্যবসা শুরু করেন এবং ব‍্যবসাতে মন দেন। আপনার সাফল্য এভাবেই আসবে। শুধু সৎ পথে ব‍্যবসা চালিয়ে যাওয়া শুরু করুন। দেখবেন আপনি প্রতিযোগিতাও এগিয়ে থাকবেন। আমাদের সাথে থাকার জন‍্য আপনাকে অসংখ‍্য ধন‍্যবাদ। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ST Bangla Hub নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url