চাকরির ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি কিভাবে নিতে হয়
চাকরির ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি কিভাবে নিতে হয়আপনি কি চাকরির ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি কিভাবে নিতে হয় জানতে চান? ইন্টারভিউয়ের দিন অনেকেই ঘাবড়ে যায়, এমনকি সহজ প্রশ্নের উত্তরও অনেকে ভুলে যায়। এটি একটি বড় সমস্যা। আমাদের এই সময় মাথা ঠান্ডা রাখা উচিৎ।
আমাদের এই পোস্টে আপনি জানতে পারবেন কিভাবে চাকরির ইন্টারভিউয়ের জন্য একটি সেরা প্রস্তুতি নেওয়া যায়। তাহলে চলুন শুরু করা যাক। পোস্ট সূচিপত্রঃ চাকরির ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি কিভাবে নিতে হয় এ নিয়ে বিস্তারিত সবকিছু
- চাকরির ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি কিভাবে নিতে হয়
- চাকরির ইন্টারভিউ কত প্রকার এবং কি কি
- চাকরির ইন্টারভিউ কিভাবে দিতে হয়
- চাকরির ইন্টারভিউ এর উত্তম উত্তর কি
- ইন্টারভিউ কঠিন প্রশ্নের উত্তর
- ইন্টারভিউয়ের আগের মানসিক প্রস্তুতি
- সিভি এবং কভার লেটার তৈরির কৌশল
- প্রথম ইমপ্রেশন তৈরি করার টিপস
- পোশাক নির্বাচন ও দেহভাষার গুরুত্ব
- ইন্টারভিউ শেষে কীভাবে নিজেকে উপস্থাপন করবেন
- পরিশেষে আমার মতামত
চাকরির ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি কিভাবে নিতে হয়
- পদের তথ্য জেনে রাখাঃ যে প্রতিষ্ঠানে ইন্টারভিউ দিতে যাচ্ছেন, সে প্রতিষ্ঠানের সম্পর্কে অন্তত ২টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে যাবেন। এতে আপনার চাকরির প্রতি আগ্রহ প্রমাণ হবে।
- নিজের পরিচিতি ঠিকভাবে বলার চর্চা করাঃ নিজের শিক্ষা, দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ছোট করে স্পষ্টভাবে বলতে পারার চর্চা করুন।
- সাধারণ প্রশ্ন-উত্তর অনুশীলন করাঃ আপনার দুর্বলতা কী?, পাঁচ বছর পর নিজেকে কোথায় দেখেন? এই ধরনের প্রশ্নগুলোর উত্তর আগেভাগেই ভাবুন।
- সঠিক পোশাক নির্বাচন করাঃ পোশাক খুব বেশি দামি বা জাঁকালো না হয়ে যেন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও উপযুক্ত হয়, সেটা দেখুন।
- দেহ ভাষার অনুশীলন করাঃ চোখে চোখ রেখে কথা বলা, হালকা হাসি এবং মাথা নেড়ে সম্মতি দেওয়া এই সবই আত্মবিশ্বাসের পরিচায়ক।
আপনি যদি এই কৌশলগুলো ইন্টারভিউয়ের সময় প্রয়োগ করেন তাহলে আপনি একটা সেরা ইন্টারভিউ দিতে পারবেন এবং চাকরি পেতে পারেন। এই বিষয়গুলো আমাদের পোস্টে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। তাই আমাদের সাথেই থাকুন এবং সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ুন।
চাকরির ইন্টারভিউ কত প্রকার এবং কি কি
চাকরির ইন্টারভিউয়ের ধরন আগে থেকে জানা থাকলে এর জন্য প্রস্তুতি নেওয়া অনেকটা সহজ হয়ে যায়। চাকরির ইন্টারভিউ কত প্রকার এবং কি কি এই প্রশ্নের উত্তর জানতে না পারলে অনেক সময় আমরা চিন্তার মাঝে থাকি।সাধারণভাবে চার ধরনের ইন্টারভিউ দেখা যায়ঃ
- সরাসরি সাক্ষাৎকার (ফেস টু ফেস)
- ফোন ইন্টারভিউ
- ভিডিও কনফারেন্স ইন্টারভিউ
- গ্রুপ ইন্টারভিউ
প্রতিটি ইন্টারভিউর ধরন আলাদা প্রস্তুতি রয়েছে। যেমন, ভিডিও ইন্টারভিউয়ের আগে প্রযুক্তিগত দিক চেক করতে হবে। আবার সরাসরি ইন্টারভিউতে সময়, পোশাক ও দেহভাষার ওপর গুরুত্ব দিতে হয়। আমরা আমাদের পোস্টে প্রত্যেকটি ইন্টারভিউ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।
চাকরির ইন্টারভিউ কিভাবে দিতে হয়
চাকরির ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি কিভাবে নিতে হয় বা কীভাবে দিতে হয় এগুলো আমাদের জানা দরকার। আমাদের মাঝে অনেকেই অনেক চাকরির ইন্টারভিউ দিয়ে থাকে। কিন্তু সঠিক ভাবে না দেওয়ার ফলে চাকরিটা আর পায় না। ইন্টারভিউ দেওয়ার জন্য কয়েকটি সহজ কার্যকরী ধাপ অনুসরণ করতে হবে। নিচে তা দেওয়া হলোঃ
- কোম্পানি ও পদের সম্পর্কে আগে থেকে তথ্য জেনে রাখুন।
- নিজের জীবনবৃত্তান্ত ভালোভাবে মুখস্থ করুন।
- সাধারণ প্রশ্নগুলোর (যেমন: নিজের পরিচয় দিন, কেন এই চাকরি চান) উত্তর আগে থেকেই চর্চা করুন।
- সময়মতো পৌঁছান ও উপযুক্ত পোশাক পরুন।
- প্রশ্নের উত্তর পরিষ্কার, সংক্ষেপে ও আত্মবিশ্বাসের সাথে দিন।
- চোখে চোখ রেখে কথা বলুন।
এই টিপসগুলো মেনে চললে আপনি সহজেই একটি ভালো চাকরি পেতে পারেন। আপনার মনে যদি আত্মবিশ্বাস থাকে থাকলে আপনি অবশ্যই একটি সেরা ইন্টারভিউ দিতে পারবেন। আর আমাদের সাথে থাকলে আমরা আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করব।
চাকরির ইন্টারভিউ এর উত্তম উত্তর কি
অনেকেই জানে না যে চাকরির ইন্টারভিউ এর উত্তম উত্তর কি হওয়া উচিত। কারণ ভুল উত্তর দিলে ভালো যোগ্যতার পরেও চাকরি পাওয়া কঠিন হয়। তাই আমাদের এই প্রশ্নের উত্তর জানতে হবে। নিচে এমন কিছু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হলো যার মাধ্যমে আপনি ইন্টারভিউয়ারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেনঃ
- নিজের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার সাথে মিলিয়ে উত্তর দিন।
- উত্তর যেন সংক্ষিপ্ত কিন্তু অর্থপূর্ণ হয়।
- নেতিবাচক কিছু না বলে পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গি রাখুন।
- অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস নয়, বাস্তব তথ্য দিন।
যেমন, যদি জিজ্ঞেস করে আপনার দুর্বলতা কী? আপনি বলতে পারেন, আমি অতিরিক্ত খুঁতখুঁতে, তবে এখন সময় বাঁচাতে নিজের মাঝে দক্ষতা তৈরি করছি। এভাবে চিন্তাভাবনা করে উত্তর দিলে ইন্টারভিউয়ার আপনাকে গুরুত্ব দেবে। এটি হলো চাকরির ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতির সহজ প্রশ্নের উত্তর। মনে আত্মবিশ্বাস রেখে সব প্রশ্নের উত্তর দিন।
ইন্টারভিউ কঠিন প্রশ্নের উত্তর
ইন্টারভিউতে কিছু প্রশ্ন থাকে যেগুলোর উত্তর দেওয়া অনেক কঠিন মনে হয়। এই প্রশ্নগুলো সাধারণত আপনার আত্মবিশ্বাস, চিন্তাভাবনা ও একটা সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য করা হয়। চাকরির ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি কিভাবে নিতে হয়, তা জানলে এই কঠিন প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়া সহজ হয়। নিচের কৌশল গুলো অনুসরণ করতে পারেনঃ
- প্রথমে সাধারণ কিছু প্রশ্নের উত্তর অনুশীলন করুন যেমন: নিজেকে পরিচয় দিন, আপনার দুর্বলতা কী?
- আপনি কেন এই চাকরির জন্য উপযুক্ত? এই ধরনের প্রশ্নে নিজের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা তুলে ধরুন
- STAR (Situation, Task, Action, Result) পদ্ধতি অনুসরণ করে উত্তর দিন
- হঠাৎ করা প্রশ্নে দমে না গিয়ে শান্ত থেকে চিন্তা করে উত্তর দিন
- প্রাকটিস করতে বন্ধু বা পরিবারের কাউকে দিয়ে প্রশ্ন করাতে পারেন
ইন্টারভিউয়ের আগের মানসিক প্রস্তুতি
ইন্টারভিউয়ের দিন আপনার মনের অবস্থাই আপনার চাকরির জন্য অনেক বড় ভূমিকা রাখে। তাই ইন্টারভিউয়ের আগের মানসিক প্রস্তুতি খুব গুরুত্বপূর্ণ। মানসিক ভাবে প্রস্তুত থাকলে আপনি একটি সেরা ইন্টারভিউ দিতে পারবেন। মানসিক প্রস্তুতির জন্য কিছু সহজ পদ্ধতি নিচে দেওয়া হলোঃ
আরও পড়ুনঃ ছাত্রদের টাকা আয় করার ২০টি সেরা কার্যকরী উপায়
- ইন্টারভিউয়ের আগের রাতে ভালো ঘুমান
- সকালে হালকা খাবার খান এবং ইতিবাচক চিন্তা করুন
- আয়নায় নিজের সঙ্গে কথা বলুন, আত্মবিশ্বাস বাড়বে
- আগে থেকে কিছু সম্ভাব্য প্রশ্ন নিজে নিজে অনুশীলন করুন
- নিজেকে বারবার বলুন “আমি পারব”।
- ইন্টারভিউয়ের জায়গায় একটু আগে গিয়ে কিছু সময় নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসে মনোযোগ দিন
এই মানসিক প্রস্তুতিগুলো আপনাকে ইন্টারভিউয়ের সময় শান্ত ও আত্মবিশ্বাসী রাখবে। এর ফলে আপনি সেরা একটি ইন্টারভিউ দিয়ে ইন্টারভিউয়ারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারবেন। অন্যদের থেকে আপনার বেশি আত্মবিশ্বাস থাকায় আপনি চাকরির জন্য বেশি উপযোগী থাকবেন।
সিভি এবং কভার লেটার তৈরির কৌশল
চাকরির ইন্টারভিউয়ের আগে যেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তা হলো আপনার সিভি এবং কভার লেটার তৈরির কৌশল জানা। চাকরির ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি কিভাবে নিতে হয় এটি জানার পাশাপাশি আমাদের এর প্রস্তুতিও নিতে হবে। নিচে সিভি ও কভার লেটার তৈরির কৌশল দেওয়া হলোঃ
- সিভিতে হালকা ডিজাইন রাখুন, কিন্তু গুছানোভাবে লিখুন
- আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করুন
- বানান ও গ্রামারের ভুল একদমই যেন না থাকে
- কভার লেটারে সংক্ষেপে আপনি কেন যোগ্য সেটি বোঝাতে হবে
- প্রতিটি চাকরির জন্য আলাদা করে কভার লেটার তৈরি করুন
- সিভির শুরুতে সংক্ষিপ্ত একটি প্রোফাইল লিখুন
এভাবে তৈরি করা সিভি ও কভার লেটার আপনাকে অন্য প্রার্থীদের চেয়ে আলাদা বা ইউনিক করে তুলবে। আপনার উচিৎ আপনার সিভি অনেক সুন্দর ভাবে সাজানো। এবং একটা আকর্ষণীয় কভার লেটার বানানো। তাহলে আপনি ইন্টারভিউয়ারকে খুশি করতে পারবেন।
প্রথম ইমপ্রেশন তৈরি করার টিপস
প্রথম ইমপ্রেশন হলো সেই মুহূর্ত, যখন আপনি ইন্টারভিউ বোর্ডে ঢুকেন, এবং আপনাকে দেখে প্রথম যে ধারণাটা তৈরি হয়। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। প্রথম ধারণা সবসময় মনে থেকে যায়। চাকরির ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি নেওয়ার মধ্যে প্রথম ইমপ্রেশন তৈরির পদ্ধতি অবশ্যই থাকা উচিত। নিচে এর কিছু টিপস দেওয়া হলোঃ
- দরজায় নক করে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করুন
- হাসি মুখে চোখে চোখ রেখে ‘নমস্কার’ বা ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলুন
- বসতে বললে ধীরে ধীরে বসুন
- নিজের নাম স্পষ্টভাবে বলুন
- অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস বা ভয় কোনোটাই দেখাবেন না
- চোখে চোখ রেখে কথা বলুন
এই সহজ টিপসগুলো মেনে চললে আপনার প্রথম ইমপ্রেশন ভালো হবে, যা ইন্টারভিউ বোর্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। আপনি যদি স্মার্ট সাজেন এবং স্মার্ট হয় কথা বলেন তাহলে আপনার যোগ্যতা বেশি ধরা হবে। ভয় তো মোটেও পাওয়া যাবে না। স্মার্ট ও কনফিডেন্স থাকতে হবে।
পোশাক নির্বাচন ও দেহভাষার গুরুত্ব
একটি সুন্দর ও পরিষ্কার পোশাক যেমন আপনাকে স্মার্ট দেখায়, তেমনই সঠিক দেহভাষাও আপনার আত্মবিশ্বাসকে প্রকাশ করে। পোশাক নির্বাচন ও দেহভাষার গুরুত্ব চাকরির ইন্টারভিউয়ে সফল হতে চাইলে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। নিচে এর কিছু টিপস দেওয়া হলোঃ
- হালকা রঙের, পরিপাটি পোশাক বেছে নিন
- চুল ও নখ পরিষ্কার রাখুন
- বেশি সুগন্ধি ব্যবহার করা উচিত নয়
- সোজা হয়ে বসুন ও অকারণে হাত নাড়াবেন না
- প্রশ্ন শুনে একটু থেমে উত্তর দিন
- চোখে চোখ রেখে নম্রভাবে কথা বলুন
- হাসি মুখে থাকুন
ইন্টারভিউ শেষে কীভাবে নিজেকে উপস্থাপন করবেন
ইন্টারভিউ শেষে আপনি কীভাবে বিদায় নিচ্ছেন, সেটিও বোর্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ইন্টারভিউ শেষে কীভাবে নিজেকে উপস্থাপন করবেন জানা থাকলে আপনি পরিপূর্ণভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারবেন। নিচে এর কিছু টিপস দেওয়া হলোঃ
- ইন্টারভিউ শেষে ধন্যবাদ জানাতে ভুলবেন না
- উঠে দাঁড়িয়ে বোর্ডের সদস্যদের দিকে তাকিয়ে হাসি দিন
- চেয়ার গুছিয়ে বের হন
- দরজা ধীরে খুলে বের হয়ে যান
- বাইরে এসে নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখুন
- পরবর্তী দিন বা সময় ইমেইল বা কল করলে কৃতজ্ঞতা জানান
- নিজের ভুলগুলো বিশ্লেষণ করুন
এই ছোট ছোট আচরণগুলো ইন্টারভিউয়ের শেষে আপনাকে স্মার্ট বানাতে সাহায্য করে। আপনার চালচলন ভালো হলে আপনি অবশ্যই চাকরিটা পেয়ে যাবেন। আপনার চালচলনের উপরে তখন নির্ভর করবে যে আপনি কতটুকু স্মার্ট আর চাকরির জন্য যোগ্য।
পরিশেষে আমার মতামত
প্রিয় পাঠক, আপনি যদি একটি ইন্টারভিউ দিতে যান তাহলে আপনাকে চাকরির ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি কিভাবে নিতে হয় তা সম্পর্কে ভালো ভাবে জানতে হবে। এই পোস্টটি সম্পূর্ণ এর উপরে ছিল। আমার মতে, আপনার আত্মবিশ্বাসী আচরণ ও স্মার্ট ভাবে কথা বলার ধরন ও চালচলন আপনার ইন্টারভিউয়ে আপনাকে সাহায্য করবে।
আপনি যদি আমাদের দেখানো নিয়ম, কৌশল ও টিপস গুলো মেনে চলেন এবং এভাবে যদি মানসিক ভাবে প্রস্তুতি নেন তাহলে আপনি একটি সেরা ইন্টারভিউ দেওয়ার মাধ্যমে একটি ভালো চাকরি পেতে পারেন। আপনার একটি সেরা ইন্টারভিউ যাতে হয় তার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে আপনার জন্য শুভেচ্ছা। [250412]


ST Bangla Hub নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url