বৈশাখী মেলা অনুচ্ছেদ - ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে এইচএসসি পর্যন্ত
স্বাধীনতা দিবস অনুচ্ছেদআপনি যদি বৈশাখী মেলা অনুচ্ছেদ সম্পর্কে শিখতে চান তাহলে আজকের পোস্টটি শুধু আপনার জন্য। আমরা শুধু আপনাকে অনুচ্ছেদটি সম্পর্কে জানাব না বরং কীভাবে আপনি সহজ পদ্ধতিতে যেকোনো অনুচ্ছেদ লেখতে পারবেন সেটিও শিখাব।
এই পোস্টের শেষে আমরা আপনাকে সহজে অনুচ্ছেদ শিখা ও মনে রাখার কৌশল সম্পর্কে শিখাব। তাই শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথেই থাকুন।
পোস্ট সূচিপত্র : বৈশাখী মেলা সম্পর্কে এই পোস্টে যা যা থাকছে ক্লিক করুন
- বৈশাখ মেলা ষষ্ঠ শ্রেণি
- বৈশাখ মেলা সপ্তম শ্রেণি
- বৈশাখী মেলা অনুচ্ছেদ অষ্টম শ্রেণি
- বৈশাখী মেলা অনুচ্ছেদ নবম,দশম এবং এসএসসি
- বৈশাখী মেলা অনুচ্ছেদ এইচএসসি
- অনুচ্ছেদ লেখার নিয়ম
- পরিশেষে আমার মতামত
বৈশাখ মেলা ষষ্ঠ শ্রেণি
বৈশাখী মেলা বাঙালিদের অন্যতম জনপ্রিয় ও আনন্দময় উৎসব। বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে এই মেলার আয়োজন করা হয়। সাধারণত স্থানীয় লোকজনই বৈশাখী মেলার উদ্যোগ নেন। কোথাও মেলা এক দিন চলে, আবার কোথাও কয়েক দিন কিংবা সারা বৈশাখ মাস জুড়েও চলতে দেখা যায়। বৈশাখী মেলা সাধারণত খোলা জায়গায় বসে।
আরও পড়ুন: মাদকাসক্তি ও এর প্রতিকার রচনা
গ্রামে নদীর তীর, বটগাছের নিচে, হাট-বাজার বা মন্দির প্রাঙ্গণে মেলার আয়োজন করা হয়। বৈশাখী মেলার আরেকটি বড় আকর্ষণ হলো খাবার। মেলায় নানা ধরনের মিষ্টান্ন, বাতাসা, সন্দেশ, হাওয়াই মিঠাই ও ঐতিহ্যবাহী খাবার বিক্রি হয়। এছাড়া যাত্রাপালা, গান, নাচ, নাগরদোলা ও লোকজ খেলাধুলা মেলার আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তোলে। শহরের বৈশাখী মেলা গ্রামীণ মেলার তুলনায় কিছুটা ভিন্ন। ঢাকায় রমনার বটমূলে বড় আকারে নববর্ষ উদযাপন করা হয়। শোভাযাত্রা, গান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুরো পরিবেশ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। সব মিলিয়ে বৈশাখী মেলা বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতীক। এই মেলা মানুষের মনে আনন্দ আনে এবং সবার মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি করে। [১৫০ শব্দ]
বৈশাখ মেলা সপ্তম শ্রেণি
বৈশাখী মেলা বাংলা নববর্ষকে কেন্দ্র করে আয়োজিত একটি ঐতিহ্যপূর্ণ লোকজ উৎসব। প্রতি বছর পহেলা বৈশাখে দেশের নানা অঞ্চলজুড়ে এই মেলার আয়োজন দেখা যায়। সাধারণত স্থানীয় মানুষজনের উদ্যোগেই মেলা বসে এবং এর স্থায়িত্ব এক দিন থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত হতে পারে। নববর্ষের আনন্দকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই এই মেলার মূল উদ্দেশ্য।
আরও পড়ুন: পরীক্ষার আগের রাতে কি কি করণীয়
খোলা মাঠ, গ্রামের হাট-বাজার, নদীর তীর কিংবা মন্দির প্রাঙ্গণ এসব জায়গায় বৈশাখী মেলা বসতে দেখা যায়। মেলার দিনগুলোতে আশপাশের এলাকা থেকে অসংখ্য মানুষ সেখানে ভিড় করে। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বয়স্ক মানুষ পর্যন্ত সবাই উৎসবের আনন্দে অংশ নেয়। পুরো মেলাপ্রাঙ্গণ মুখরিত থাকে হাসি, গান ও কোলাহলে।
বৈশাখী মেলায় গ্রামীণ জীবনের নানা উপকরণ পাওয়া যায়। কুটিরশিল্পের সামগ্রী, মাটির খেলনা, বাঁশ ও কাঠের তৈরি জিনিসপত্র ছাড়াও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য বিক্রি হয়। পাশাপাশি মুড়ি, খই, বাতাসা, পিঠা-পুলি ও নানা মিষ্টিজাতীয় খাবার মেলার বিশেষ আকর্ষণ। শিশুদের বিনোদনের জন্য নাগরদোলা ও খেলনার দোকান থাকে। বৈশাখী মেলা শুধু কেনাবেচার স্থান নয়। এটি লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মিলনক্ষেত্র। যাত্রা, পুতুলনাচ, লোকগান ও নানা বিনোদনমূলক আয়োজন এই মেলাকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। তাই বৈশাখী মেলা বাঙালির সংস্কৃতি ও সামাজিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। [১৮০ শব্দ]
বৈশাখী মেলা অনুচ্ছেদ অষ্টম শ্রেণি
বৈশাখী মেলা বাঙালিদের অন্যতম জনপ্রিয় ও আনন্দময় উৎসব। বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে এই মেলার আয়োজন করা হয়। সাধারণত স্থানীয় লোকজনই বৈশাখী মেলার উদ্যোগ নেন। কোথাও মেলা এক দিন চলে, আবার কোথাও কয়েক দিন কিংবা সারা বৈশাখ মাস জুড়েও চলতে দেখা যায়। বৈশাখী মেলা সাধারণত খোলা জায়গায় বসে। গ্রামে নদীর তীর, বটগাছের নিচে, হাট-বাজার বা মন্দির প্রাঙ্গণে মেলার আয়োজন করা হয়।
আরও পড়ুন: পড়াশোনার পাশাপাশি আয় করার উপায়
মেলার দিনগুলোতে শিশু, কিশোর, নারী-পুরুষ সবাই আনন্দে মেতে ওঠে। ছোটরা দল বেঁধে মেলায় যায় এবং নানা খেলনা কিনে খুশি হয়। মেলায় হাড়ি-পাতিল, বাঁশ ও কাঠের তৈরি জিনিস, কুটিরশিল্প এবং গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী পাওয়া যায়। বৈশাখী মেলার আরেকটি বড় আকর্ষণ হলো খাবার। মেলায় নানা ধরনের মিষ্টান্ন, বাতাসা, সন্দেশ, হাওয়াই মিঠাই ও ঐতিহ্যবাহী খাবার বিক্রি হয়। এছাড়া যাত্রাপালা, গান, নাচ, নাগরদোলা ও লোকজ খেলাধুলা মেলার আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তোলে। শহরের বৈশাখী মেলা গ্রামীণ মেলার তুলনায় কিছুটা ভিন্ন। ঢাকায় রমনার বটমূলে বড় আকারে নববর্ষ উদযাপন করা হয়। শোভাযাত্রা, গান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুরো পরিবেশ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। সব মিলিয়ে বৈশাখী মেলা বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতীক। এই মেলা মানুষের মনে আনন্দ আনে এবং সবার মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি করে। [১৯০ শব্দ]
বৈশাখী মেলা অনুচ্ছেদ নবম,দশম এবং এসএসসি
বৈশাখী মেলা বাঙালিদের কাছে একটি অন্যতম আনন্দের উৎসব। বাংলা বছরের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে এই মেলা পালিত হয়। দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে এক থেকে সাত দিন পর্যন্ত বৈশাখী মেলা অনুষ্ঠিত হয়। কোথাও কোথাও আবার এই মেলা সারা মাস ধরেও চলে। সাধারণত গ্রাম ও শহরের স্থানীয় লোকজনের উদ্যোগেই এ মেলার আয়োজন করা হয়। বৈশাখী মেলাগুলো সর্বসাধারণের উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়। মেলায় নাচ, গান, যাত্রাপালা, নাগরদোলা সহ নানা ধরনের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকে।
আরও পড়ুন: এসএসসি পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করার উপায়
মেলার দিনে ছেলে-বুড়ো, ছোট-বড় সবাই আনন্দে মেতে ওঠে। ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা দলবেঁধে মেলায় যায় এবং নারীরাও একসঙ্গে মেলায় অংশ নেয়। বৈশাখী মেলার আরেকটি বড় আকর্ষণ হলো খাবার। মেলায় নানা ধরনের মিষ্টান্ন, বাতাসা, সন্দেশ, হাওয়াই মিঠাই ও ঐতিহ্যবাহী খাবার বিক্রি হয়। মেলায় হাড়ি-পাতিল, খেলনা, ঘর সাজানোর সৌখিন জিনিসসহ নানা ধরনের সামগ্রী পাওয়া যায়। হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ সংস্কৃতির অনেক জিনিসও বৈশাখী মেলায় দেখা যায়। বিভিন্ন আকৃতির সন্দেশ ও হাওয়াই মিঠাই মেলার বিশেষ আকর্ষণ। সকাল থেকেই পুরো এলাকা সাজ সাজ রব দিয়ে মুখরিত থাকে। গ্রামের বৈশাখী মেলা সাধারণত নদীর ধারে বা বটগাছের নিচে বসে। শহরের মেলা গ্রামের মেলা থেকে কিছুটা ভিন্ন হয়। ঢাকায় রমনার বটমূলে বড় আকারে বৈশাখী শোভাযাত্রা ও নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বৈশাখী মেলা বাঙালির প্রাণের উৎসব, যেখানে সকল ধর্ম ও শ্রেণির মানুষ একসঙ্গে আনন্দ উপভোগ করে এবং সারা বছরের ক্লান্তি ভুলে যায়। [২০০ শব্দ]
বৈশাখী মেলা অনুচ্ছেদ এইচএসসি
বৈশাখী মেলা বাংলা নববর্ষকে ঘিরে আয়োজিত একটি ঐতিহ্যবাহী ও সর্বজনীন উৎসব। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বাংলাদেশের শহর ও গ্রামের নানা স্থানে এই মেলার আয়োজন করা হয়। স্থানীয় জনগণের উদ্যোগেই মূলত বৈশাখী মেলার সূচনা হয়। এই মেলা এক দিন থেকে শুরু করে কোথাও কোথাও এক সপ্তাহ বা পুরো বৈশাখ মাসজুড়ে চলতে দেখা যায়। নববর্ষের আনন্দ ও উৎসবের আবহ ছড়িয়ে দিতে বৈশাখী মেলার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈশাখী মেলা সাধারণত খোলা মাঠ, গ্রামের হাট-বাজার, নদীর তীর কিংবা মন্দির প্রাঙ্গণে বসে।
আরও পড়ুন: এইচএসসি পরীক্ষায় ভালো করার কৌশল
মেলা উপলক্ষে আশপাশের এলাকা থেকে নানা বয়সের মানুষ জড়ো হয়। শিশু থেকে বৃদ্ধ—সবার মধ্যেই এক ধরনের উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ করা যায়। রঙিন দোকান, মানুষের কোলাহল ও আনন্দের উপস্থিতিতে মেলাপ্রাঙ্গণ প্রাণচাঞ্চল্যে ভরে ওঠে। এই মেলায় গ্রামবাংলার নানা ঐতিহ্যবাহী দ্রব্যসামগ্রীর সমাহার ঘটে। কুটিরশিল্পের তৈরি জিনিসপত্র, মাটির খেলনা, বাঁশ ও কাঠের সামগ্রী, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রি হয়। এছাড়া হরেক রকমের মিষ্টিজাতীয় খাবার, বাতাসা, মুড়ি, খই, পিঠা-পুলির দোকান মেলার আকর্ষণ বাড়িয়ে তোলে। শিশুদের আনন্দের জন্য নাগরদোলা, বেলুন ও খেলনার দোকান বিশেষ গুরুত্ব পায়। বৈশাখী মেলা কেবল কেনাবেচার স্থান নয়, এটি বিনোদন ও সংস্কৃতির মিলনমেলা। মেলাকে কেন্দ্র করে যাত্রা, পুতুলনাচ, লোকসংগীত, নাচ, সার্কাসসহ নানা বিনোদনমূলক আয়োজন করা হয়। এসব আয়োজন মানুষের মনে আনন্দ জাগায় এবং বাঙালির লোকসংস্কৃতিকে জীবন্ত রাখে। সবশেষে বলা যায়, বৈশাখী মেলা বাঙালির ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সামাজিক বন্ধন গড়ে তোলে। নববর্ষের শুরুতে বৈশাখী মেলা আমাদের জীবনে নতুন আনন্দ, আশা ও উদ্দীপনা নিয়ে আসে। [২৫০ শব্দ]
অনুচ্ছেদ লেখায় নিয়ম
অনুচ্ছেদ শুধু লেখলেই হবে না বরং নিয়ম অনুযায়ী লেখতে হবে। আমি আপনাকে তুমি বলেই ডাকি যেহেতু আপনি একজন ছাত্র বা ছাত্রী। তুমি যদি একটা ভালো রেজাল্ট করতে চাও বা অনুচ্ছেদে দশে দশ পেতে চাও তাহলে অবশ্যই তোমাকে নিয়ম মানতে হবে। আমরা এখানে যতগুলো শ্রেণির অনুচ্ছেদ দিয়েছি তাতে একটু বেশিই শব্দ দিয়েছি। তোমার উচিৎ তিন চার বার রিডিং পড়া এবং দুই তিন বার লেখা এতে করে তোমার সহজেই শিখা হয়ে যাবে।
আরও পড়ুন: প্রতিদিন পড়াশোনর রুটিন তৈরি করার উপায়
তুমি অনেক পরিশ্রম করেও এগুলো মুখস্ত করতে পারবে না। পারলেও অনেক পরিশ্রম আর সময় লাগবে। তার চেয়ে ভালো তুমি সৃজনশীলতার পরিচয় দাও। তাই আমরা বেশি শব্দেই লিখেছি। কারণ তুমি যতটুকু শিখবে ততটুকু মনে থাকবে না। তিন ভাগের দুই ভাগ মনে থাকতে পারে। তাহলে সেই দুই ভাগে তোমার প্রয়োজনীয় লেখা বা খাতা ভরে যাবে। এছাড়াও অনুচ্ছেদ রচনার মতো পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা লেখা যাবে না। তুমি যদি ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত হয়ে থাকো তোমার জন্য সর্বোচ্চ তিন পৃষ্ঠাই যথেষ্ট। অর্থাৎ ১৫০ শব্দের মধ্যে হতে হবে। প্রতি পৃষ্ঠায় ধরলাম ১২-১৩ লাইন করে।
এরপর যদি তুমি নবম,দশম বা এসএসসি পরীক্ষার্থী হোও তাহলে তিন থেকে চার পৃষ্ঠাই তোমার জন্য ভালো হবে। আর যদি কলেজ বা এইচএসসি পরীক্ষার্থী হোও তাহলে চার বা সাড়ে চার পৃষ্ঠা তোমার জন্য ভালো। অর্থাৎ ২০০ শব্দের মাঝে লেখলেই ভালো হবে। অনুচ্ছেদের শুরুতে বড় একটা হ্যাডলাইন দিবে। কোনো ধরনের প্যারা দেওয়া যাবে না। শুরুতেই মূল বিষয় লেখবে যেমন বৈশাখ মেলা এই কিওয়ার্ডটি উল্লেখ্য করা হয়েছে। বৈশাখ মেলা, নববর্ষ এগুলো কিওয়ার্ড। এমন কিওয়ার্ড লেখবে।
শেষে সুন্দর করে শেষ করবে। প্রয়োজনীয়তা, তাৎপর্য, কার্যক্রম এগুলো উল্লেখ্য করবে। আমরা এই পোস্টে এভাবেই সাজিয়ে লিখেছি। "বৈশাখ মেলা" এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ। তাই এটি শিখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বেশিরভাগ পরীক্ষাতেই এই অনুচ্ছেদটি দেখা যায়। তাই তোমার উচিৎ এই অনুচ্ছেদ ভালো ভাবে শিখা।
পরিশেষে আমার মতামত
আমরা আমাদের এই পোস্টে একটি গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুচ্ছেদ সম্পর্কে জেনেছি। বৈশাখ অনুচ্ছেদটি তোমার পরীক্ষাতে আসার সম্ভাবনা ৪০% বাকি সবগুলো ৬০%। তাই আপনাকে আমাদের দেখানো নিয়ম অনুযায়ী অনুচ্ছেদ শিখতে হবে। তাহলে আপনি একটি ভালো নাম্বার পেতে পারেন। আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে এভাবে অনেক সহজ করে অনেক অনুচ্ছেদ, ভাবসম্প্রসারণ, রচনা এছাড়াও ইংরেজি প্যারাগ্রাফ, ডায়ালগ, স্টোরি সবকিছু লিখে থাকি। তাই আমাদের সাথেই থাকুন। এবং শেষ পর্যন্ত এই পোস্টে আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

ST Bangla Hub নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url