ভোগে নয়, ত্যাগেই প্রকৃত সুখ ভাবসম্প্রসারণ - ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে এইচএসসি পর্যন্ত
পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি ভাব সম্প্রসারণ আপনি যদি ভোগে নয় ত্যাগেই প্রকৃত সুখ ভাবসম্প্রসারণ সম্পর্কে শিখতে চান তাহলে আজকের পোস্টটি শুধু আপনার জন্য। আমরা শুধু আপনাকে ভাবসম্প্রসারণ সম্পর্কে জানাব না বরং কীভাবে আপনি সহজ পদ্ধতিতে ভাবসম্প্রসারণ লেখতে পারবেন সেটিও শিখাব।
এই পোস্টের শেষে আমরা আপনাকে সহজে ভাবসম্প্রসারণ শিখা ও মনে রাখার কৌশল সম্পর্কে শিখাব। তাই শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথেই থাকুন।
পোস্ট সূচিপত্র : ভোগে নয়, ত্যাগেই প্রকৃত সুখ ভাবসম্প্রসারণ নিয়ে যা যা থাকছে এই পোস্টে ক্লিক করুন
- ভোগে নয় ত্যাগের মাঝেই প্রকৃত সুখ ভাবসম্প্রসারণ ষষ্ঠ শ্রেণি
- ত্যাগেই প্রকৃত সুখ ভাবসম্প্রসারণ সপ্তম শ্রেণি
- ভোগে নয় ত্যাগেই প্রকৃত সুখ ভাবসম্প্রসারণ অষ্টম শ্রেণি
- ভোগে নয় ত্যাগেই প্রকৃত সুখ ভাবসম্প্রসারণ নবম, দশম এবং এসএসসি
- ভোগে নয় ত্যাগেই প্রকৃত সুখ ভাবসম্প্রসারণ এইচএসসি
- ভাবসম্প্রসারণ লেখার নিয়ম
- পরিশেষে আমার মতামত
ভোগে নয় ত্যাগের মাঝেই প্রকৃত সুখ ভাবসম্প্রসারণ ষষ্ঠ শ্রেণি
মূলভাব: ভোগ মানুষকে সাময়িক আনন্দ দেয়, কিন্তু ত্যাগ মানুষের জীবনে প্রকৃত সুখ আনে।
আরও পড়ুন: পড়াশোনার পাশাপাশি কীভাবে আয় করা যায়
সম্প্রসারিত ভাব: মানুষ সাধারণত ভোগের মধ্যেই সুখ খোঁজে। ভালো খাবার, সুন্দর পোশাক বা আরাম মানুষকে কিছু সময়ের জন্য আনন্দ দেয়। কিন্তু এই আনন্দ বেশিদিন থাকে না। ভোগের প্রতি বেশি আকর্ষণ মানুষকে স্বার্থপর করে তোলে। অন্যদিকে, ত্যাগ মানুষের মনকে শান্ত করে। যখন কেউ নিজের সুখ ত্যাগ করে অন্যের উপকার করে, তখন সে প্রকৃত আনন্দ অনুভব করে। দরিদ্রকে সাহায্য করা, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এসব কাজ মানুষের মনকে বড় করে তোলে। ত্যাগী মানুষ সবাই ভালোবাসে এবং সম্মান করে।
মন্তব্য: ভোগের সুখ ক্ষণস্থায়ী হলেও ত্যাগের সুখ স্থায়ী। তাই আমাদের উচিত ত্যাগের মাধ্যমে সত্যিকারের সুখ খুঁজে নেওয়া। [১১০ শব্দ]
ত্যাগেই প্রকৃত সুখ ভাবসম্প্রসারণ সপ্তম শ্রেণি
মূলভাব: ভোগের মধ্য দিয়ে মানুষ সাময়িক আনন্দ পায়, কিন্তু প্রকৃত সুখ ও শান্তি আসে ত্যাগের মাধ্যমে।
সম্প্রসারিত ভাব: ভোগ ও ত্যাগ মানুষের জীবনের দুইটি ভিন্ন পথ। ভোগের পথে মানুষ নিজের সুখকেই বড় করে দেখে, আর ত্যাগের পথে মানুষ অপরের কল্যাণকে গুরুত্ব দেয়। ভোগ মানুষের মনকে সংকীর্ণ করে তোলে, আর ত্যাগ মানুষের হৃদয়কে প্রসারিত করে। ভোগের প্রতি অতিরিক্ত আকর্ষণ মানুষের মধ্যে লোভ সৃষ্টি করে এবং সেই লোভ থেকেই জন্ম নেয় নানা দুঃখ ও অশান্তি। ভোগের জন্য যারা জীবন যাপন করে, তারা মূলত নিজের প্রয়োজন মেটাতেই ব্যস্ত থাকে। তাদের জীবন মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গেই শেষ হয়ে যায়। কিন্তু যারা ত্যাগের আদর্শে জীবন গড়ে তোলে, তারা অন্যের জন্য বাঁচে। মানুষের উপকারে নিজেদের উৎসর্গ করার মাধ্যমে তারা সমাজে সম্মান অর্জন করে এবং মৃত্যুর পরও মানুষের স্মৃতিতে বেঁচে থাকে। পৃথিবীর অনেক মহৎ ব্যক্তি আত্মত্যাগের মাধ্যমেই নিজেদের মহান করে তুলেছেন।
মন্তব্য: জীবনের প্রকৃত সাফল্য নিহিত আছে স্বার্থ ত্যাগের মধ্যে। তাই আমাদের উচিত ভোগের মোহ ত্যাগ করে ত্যাগের আদর্শ গ্রহণ করা। [১৫০ শব্দ]
ভোগে নয় ত্যাগেই প্রকৃত সুখ ভাবসম্প্রসারণ অষ্টম শ্রেণি
মূলভাব: ভোগ ও ত্যাগ মানুষের জীবনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। ভোগ মানুষকে সাময়িক আনন্দ দিলেও প্রকৃত সুখ দিতে পারে না। অন্যদিকে, ত্যাগ মানুষের জীবনকে সুন্দর, মহৎ ও অর্থবহ করে তোলে। সত্যিকারের সুখ ত্যাগের মাধ্যমেই পাওয়া যায়।
সম্প্রসারিত ভাব: মানুষ সাধারণত ভোগের মধ্যেই সুখ খুঁজে পায়। ভালো খাবার, সুন্দর পোশাক বা আরাম-আয়েশ মানুষকে কিছু সময়ের জন্য আনন্দ দেয়। কিন্তু এই আনন্দ স্থায়ী হয় না। ভোগের প্রতি বেশি আকর্ষণ মানুষকে ধীরে ধীরে স্বার্থপর করে তোলে। তখন সে শুধু নিজের কথাই ভাবে, অন্যের কষ্ট তার মনে দাগ কাটে না। অন্যদিকে, ত্যাগ মানুষের মনে শান্তি ও তৃপ্তি আনে। যখন কেউ নিজের সুখের কথা না ভেবে অন্যের উপকার করে, তখন তার মন আনন্দে ভরে ওঠে। অসহায় মানুষকে সাহায্য করা, দরিদ্রকে সহযোগিতা করা বা কাউকে ভালোবাসা দিয়ে পাশে দাঁড়ানো এসব কাজ ত্যাগের উদাহরণ। এসবের মধ্যেই প্রকৃত সুখ লুকিয়ে থাকে। ত্যাগ মানুষের মানবিক গুণাবলি প্রকাশ করে। ত্যাগী মানুষ সবাই ভালোবাসে এবং সম্মান করে। ভোগী মানুষকে মানুষ খুব বেশি মনে রাখে না, কিন্তু ত্যাগী মানুষ সবার হৃদয়ে স্থান করে নেয়। তাই বলা যায়, ভোগের আনন্দ ক্ষণস্থায়ী হলেও ত্যাগের আনন্দ চিরস্থায়ী।
মন্তব্য: ভোগ মানুষকে সাময়িক সুখ দিলেও ত্যাগই মানুষের জীবনে প্রকৃত আনন্দ ও শান্তি এনে দেয়। তাই আমাদের উচিত ভোগের প্রতি অতিরিক্ত আসক্ত না হয়ে ত্যাগের মানসিকতা গড়ে তোলা। এজন্যই বলা হয়—ভোগে নয়, ত্যাগেই প্রকৃত সুখ। [২০০ শব্দ]
ভোগে নয় ত্যাগেই প্রকৃত সুখ ভাবসম্প্রসারণ নবম, দশম এবং এসএসসি
মূলভাব: মানুষের জীবনে সুখ ও সার্থকতার অনুসন্ধান করা চিরন্তন সত্য। কেউ সুখ খোঁজে ভোগে, আর কেউ খোঁজে ত্যাগে। কিন্তু অভিজ্ঞতা ও ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে যে ভোগ মানুষকে কখনো পূর্ণতা দিতে পারে না, বরং ত্যাগই মানুষের অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে এবং তাকে সত্যিকার অর্থে আমাদের মহান করে তোলে।
আরও পড়ুন: পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি ভাবসম্প্রসারণ
সম্প্রসারিতভাব: যে মানুষ সবসময়ই নিজের আরাম, সুবিধা ও লাভের কথাই ভাবে, সে ধীরে ধীরে সমাজ ও মানবিক সম্পর্ক থেকে বিচ্ছিন্ন হতে থাকে। তার হৃদয়ে অন্যের সুখ–দুঃখের কোনো স্থান থাকে না। ভোগবিলাস প্রথমে আনন্দ দিলেও অল্প সময়ের মধ্যেই তা আরও বেশি পাওয়ার তৃষ্ণা বাড়িয়ে তোলে। ফলে মানুষের মন কখনো তৃপ্ত হয় না, বরং অশান্তিতে ভরে ওঠে। অন্যদিকে ত্যাগ মানুষের চিন্তাকে উদার করে। নিজের স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে অন্যের জন্য কিছু করতে পারাই মনুষ্যত্বের প্রকৃত পরিচয়। যে ব্যক্তি নিজের সময়, শ্রম কিংবা সম্পদ সমাজের কল্যাণে ব্যয় করে, তার জীবন অর্থবহ হয়ে ওঠে। মা–বাবার সন্তানের জন্য নিঃস্বার্থ ত্যাগ, একজন শিক্ষকের ছাত্র গড়ার নিরলস চেষ্টা কিংবা একজন সমাজসেবকের নিঃস্বার্থ কাজ সবই ত্যাগের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ভোগ মানুষকে ক্লান্ত করে, কিন্তু ত্যাগ মানুষকে শক্তিশালী করে। ভোগ চাহিদা বাড়ায়, আর ত্যাগ আত্মাকে শান্ত করে। তাই সমাজে ভোগী মানুষ অচিরেই বিস্মৃত হয়, কিন্তু ত্যাগীরা যুগের পর যুগ স্মরণীয় হয়ে থাকেন।
উপসংহার: সবশেষে বলা যায়, মানুষের জীবনের প্রকৃত সাফল্য ভোগে নয়, ত্যাগেই নিহিত। ত্যাগই মানুষকে মানবিক, মহান ও স্মরণীয় করে তোলে। তাই ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে যদি আমরা ত্যাগের আদর্শকে গ্রহণ করি, তবে আমাদের জীবন হবে শান্তিময়, সুন্দর ও সত্যিকার অর্থে সার্থক। [২৩০ শব্দ]
ভোগে নয় ত্যাগেই প্রকৃত সুখ ভাবসম্প্রসারণ এইচএসসি
মূলভাব: মানবজীবনে সুখের সন্ধান একটি চিরন্তন বিষয়। অনেকেই মনে করে ভোগ-বিলাসের মধ্যেই সুখ নিহিত, কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতা বলে ভিন্ন কথা। প্রকৃত সুখ ভোগে নয়, বরং ত্যাগের মধ্যেই নিহিত। আত্মত্যাগের মাধ্যমে মানুষ নিজের জীবনকে মহৎ ও অর্থবহ করে তুলতে পারে।
আরও পড়ুন:পরীক্ষার আগের রাতে কী কী করণীয়
সম্প্রসারিতভাব: ভোগ ও ত্যাগ মানবজীবনের দুই বিপরীত প্রবণতা। ভোগ মানুষের ইন্দ্রিয়সুখকে তৃপ্ত করলেও তা ক্ষণস্থায়ী এবং সীমাহীন চাহিদার জন্ম দেয়। ভোগের আকাঙ্ক্ষা মানুষকে ধীরে ধীরে স্বার্থপর করে তোলে এবং তার মধ্যে হিংসা, লোভ ও আত্মকেন্দ্রিকতার বিকাশ ঘটায়। ফলে সমাজ ও মানবিক সম্পর্কের প্রতি তার দায়বদ্ধতা কমে যায়। ভোগবাদী মানুষ সাধারণত নিজের সুখ ও আরামকেই প্রাধান্য দেয়, অন্যের দুঃখ-কষ্ট তার হৃদয়কে খুব একটা স্পর্শ করে না। অন্যদিকে, ত্যাগ মানুষের চরিত্রকে মহৎ করে তোলে। যে ব্যক্তি নিজের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে অন্যের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করে, সে সমাজে সম্মান ও মর্যাদা লাভ করে। ত্যাগের মধ্যেই মানবিকতার প্রকৃত প্রকাশ ঘটে। কবির ভাষায়, “নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।” ত্যাগী মানুষ মৃত্যুর পরও মানুষের স্মৃতিতে বেঁচে থাকে।
ত্যাগের মাধ্যমে মানুষ অন্তরের এক গভীর শান্তি অনুভব করে, যা ভোগের দ্বারা কখনো অর্জন করা সম্ভব নয়। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সমাজকল্যাণে অংশগ্রহণ কিংবা নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী অন্যকে সাহায্য করা এসব কাজ ত্যাগেরই বিভিন্ন রূপ।
উপসংহার: পরিশেষে বলা যায়, ভোগ মানুষের জীবনে সাময়িক আনন্দ আনলেও ত্যাগই এনে দেয় স্থায়ী সুখ ও আত্মতৃপ্তি। ভোগে মানুষ ক্লান্ত হয়, আর ত্যাগে মানুষ মহান হয়। তাই জীবনের প্রকৃত সার্থকতা অর্জনের জন্য আমাদের উচিত ভোগের মোহ ত্যাগ করে ত্যাগের আদর্শকে গ্রহণ করা। এ কারণেই বলা হয় ভোগে নয়, ত্যাগেই প্রকৃত সুখ। [২৫০ শব্দ]
ভাবসম্প্রসারণ লেখার নিয়ম
ভাবসম্প্রসারণ শুধু লেখলেই হবে না বরং নিয়ম অনুযায়ী লেখতে হবে। আমি আপনাকে তুমি বলেই ডাকি যেহেতু আপনি একজন ছাত্র বা ছাত্রী। তুমি যদি একটা ভালো রেজাল্ট করতে চাও বা ভাব সম্প্রসারণে দশে দশ পেতে চাও তাহলে অবশ্যই তোমাকে নিয়ম মানতে হবে। আমরা এখানে যতগুলো শ্রেণির ভাব সম্প্রসারণ দিয়েছি তাতে একটু বেশিই শব্দ দিয়েছি। তোমার উচিৎ তিন চার বার রিডিং পড়া এবং দুই তিন বার লেখা এতে করে তোমার সহজেই শিখা হয়ে যাবে।
আরও পড়ুন: প্রতিদিনের পড়াশোনার রুটিন তৈরি করার নিয়ম
তুমি অনেক পরিশ্রম করেও এগুলো মুখস্ত করতে পারবে না। পারলেও অনেক পরিশ্রম আর সময় লাগবে। তার চেয়ে ভালো তুমি সৃজনশীলতার পরিচয় দাও। তাই আমরা বেশি শব্দেই লিখেছি। কারণ তুমি যতটুকু শিখবে ততটুকু মনে থাকবে না। তিন ভাগের দুই ভাগ মনে থাকতে পারে। তাহলে সেই দুই ভাগে তোমার প্রয়োজনীয় লেখা বা খাতা ভরে যাবে। এছাড়াও ভাবসম্প্রসারণ রচনার মতো পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা লেখা যাবে না। তুমি যদি ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত হয়ে থাকো তোমার জন্য সর্বোচ্চ দেড় থেকে আড়াই পৃষ্ঠাই যথেষ্ট। প্রতি পৃষ্ঠায় ধরলা ১২-১৩ লাইন করে।
এরপর যদি তুমি নবম,দশম বা এসএসসি পরীক্ষার্থী হোও তাহলে আড়াই থেকে তিন পৃষ্ঠাই তোমার জন্য ভালো হবে। আর যদি কলেজ বা এইচএসসি পরীক্ষার্থী হোও তাহলে ৩ বা সাড়ে তিন পৃষ্ঠা তোমার জন্য ভালো। ভাবসম্প্রসারণের শুরুতে বড় করে একটি হেডলাইন দিবে। তারপর মূলভাব দিয়ে পুরো ভাবসম্প্রসারণের মূল ভাব যেটা তা তিন থেকে পাঁচ লাইনে লেখবে। এরপর সম্প্রসারিত ভাব অর্থাৎ বিস্তারিত আলোচনা করবে।
শেষে একটি মন্তব্য দিবে। মূল ভাব ও মন্তব্যে হালকা পাতলা কঠিন ভাষার ব্যবহার ভালো হয়। আর সম্প্রসারিত ভাবে সম্পূর্ণ সহজ ভাষার ব্যবহার করলে ভালো হবে। আমরা এই পোস্টে এভাবেই সাজিয়ে লিখেছি। "ভোগে নয়, ত্যাগেই প্রকৃত সুখ" এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাবসম্প্রসারণ। তাই এটি শিখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বেশিরভাগ পরীক্ষাতেই এই ভাবসম্প্রসারণটি দেখা যায়। তাই এই ভাবসম্প্রসারণটি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
পরিশেষে আমার মতামত
আমরা আমাদের এই পোস্টে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাবসম্প্রসারণ সম্পর্কে জেনেছি। ভোগে নয়, ত্যাগেই প্রকৃত সুখ ভাবসম্প্রসারণটি তোমার পরীক্ষাতে আসার সম্ভাবনা ৩০% বাকি সবগুলো ৭০%। তাই আপনাকে আমাদের দেখানো নিয়ম অনুযায়ী ভাবসম্প্রসারণ শিখতে হবে। তাহলে আপনি একটি ভালো নাম্বার পেতে পারেন। আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে এভাবে অনেক সহজ করে অনেক ভাবসম্প্রসারণ, অনুচ্ছেদ, রচনা এছাড়াও ইংরেজি প্যারাগ্রাফ, ডায়ালগ, স্টোরি সবকিছু লিখে থাকি। তাই আমাদের সাথেই থাকুন এবং শেষ পর্যন্ত এই পোস্টে আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

ST Bangla Hub নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url