ব্যাকলিংক তৈরি করার মাধ্যমে ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক করার সহজ পদ্ধতি
গুগল সার্চ কনসোল ইম্প্রেশন আছে কিন্তু ক্লিক শূন্যআপনি কি জানতে চান ব্যাকলিংক তৈরি করার মাধ্যমে ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক করার সহজ পদ্ধতি কি? তাহলে আজকে আপনি সঠিক জায়গাতেই এসেছেন। অনেকের ওয়েবসাইট বিভিন্ন কারণে র্যাঙ্ক হয় না। এর জন্য ব্যাকলিংক প্রয়োজন।
এই পোস্টে আমরা আপনাকে কীভাবে ব্যাকলিংক তৈরি করতে হয় এবং ওয়েবসাইট র্যাংক করানো যায় তা নিয়ে আমরা জানব। তাই শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথেই থাকুন। পোস্ট সূচিপত্র: ব্যাকলিংক তৈরি করার মাধ্যমে ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক করার সহজ পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত সবকিছু
- ব্যাকলিংক তৈরি করার মাধ্যমে ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক করার সহজ পদ্ধতি
- ব্যাকলিংক কি ও কেন করবেন
- SEO পদ্ধতিতে ব্যাকলিংক কীভাবে পাব
- ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক করার পদ্ধতি
- ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক করতে ব্যাকলিংক কেন লাগবে
- ব্যাকলিংক পাওয়ার ফ্রি সাইট
- ওয়েব ২.০ ব্যাকলিং কি ও এর গুরুত্ব
- কীভাবে ওয়েব ২.০ ব্যাকলিংক তৈরি করবেন
- সর্বশেষ ব্যাকলিংক প্রিমিয়াম অফার
- পরিশেষে আমার মতামত
ব্যাকলিংক তৈরি করার মাধ্যমে ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক করার সহজ পদ্ধতি
ব্যাকলিংক তৈরি করার মাধ্যমে ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক করার সহজ পদ্ধতি গুলো আপনি জানলে সহজেই ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক করাতে পারবেন। অনেকের ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক করে না। সবকিছুই ঠিক আছে কিন্তু কেন র্যাঙ্ক করছে না তা বুঝায় যাচ্ছে না। এর জন্য প্রয়োজন ব্যাকলিংক। আপনার ওয়েবসাইটের যত বেশি ব্যাখলিংক থাকবে গুগল আপনাকে তত বেশি বিশ্বাস করবে। এবং আপনাকে র্যাঙ্ক দিবে।
আরও পড়ুন: পড়াশোনার পাশাপাশি কীভাবে আয় করা যায়
একটি ওয়েবসাইটকে গুগলে র্যাঙ্ক করানোর জন্য ব্যাকলিংক খুব গুরুত্বপূর্ণ। সহজভাবে বলতে গেলে যখন অন্য কোনো ওয়েবসাইট আপনার ওয়েবসাইটের লিংক দেয়, তখন সেটিকে ব্যাকলিংক বলা হয়। গুগল সাধারণত মনে করে যে, যত বেশি ভালো মানের ওয়েবসাইট আপনার সাইটকে লিংক দেবে তত বেশি আপনার ওয়েবসাইটের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে। ফলে আপনার ওয়েবসাইটের র্যাঙ্কও ধীরে ধীরে উপরে উঠতে পারে। ব্যাকলিংক আসলে কি তা নিয়ে আমরা এই পোস্টে জানব।
ব্যাকলিংক তৈরি করার জন্য প্রথমে ভালো মানের কনটেন্ট তৈরি করা প্রয়োজন। কারণ ভালো তথ্য বা উপকারী আর্টিকেল হলে অন্য ওয়েবসাইট বা মানুষ সহজেই সেটিকে শেয়ার করতে চাবে। অর্থাৎ তারা তাদের ওয়েবসাইটে আপনার সেই পোস্টের লিংক শেয়ার করে দিবে। এছাড়া বিভিন্ন ব্লগ বা ওয়েবসাইটে গেস্ট পোস্ট লিখেও ব্যাকলিংক পাওয়া যায়।
ধরুন যে যেগুলো পাবলিক ওয়েবসাইট যেমন Quara, Medium এগুলোতে আপনি একটি আর্টিকেল লিখলেন নিচে আপনার পোস্ট বা ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে দিলেন। অনেক সময় সোশ্যাল মিডিয়াতেও নিজের ওয়েবসাইটের লিংক শেয়ার করলে সেখান থেকেও কিছু ট্রাফিক ও ব্যাকলিংক পাওয়া যায়। যেমন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করতে পারেন বা টুইটারে টুইট করতে পারেন। যেই লিংক গুলো দিবেন এগুলোই ব্যাকলিংক হয়ে দাড়াবে।
আরেকটি উপায় হচ্ছে বিভিন্ন জাগায় যখন আপনি আপনার প্রোফাইল বা যেকোনো কিছু তৈরি করতে যাবেন তখন সেখানে আপনার ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে দেওয়া। যেমন লিংকডিন একাউন্ট করবেন। এখানে আপনি ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে দিলেন। বা সোশ্যাল মিডিয়া যেমন ফেসবুকে আপনার ওয়েবসাইট লিংক দিয়ে দিবেন। এই সবগুলো হবে আপনার ওয়েবসাইটের ব্যাকলিংক। এগুলোর মাধ্যমে ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক করবে।
ব্যাকলিংক কি ও কেন করবেন
ব্যাকলিংক একটি ওয়েবসাইটের অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এটি ছাড়া কোনো ওয়েবসাইটই র্যাঙ্ক করে না। আমরা এ সম্পর্কে উপরে মোটামুটি জেনেছি। ব্যাকলিংক মূলত হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইট বা পোস্টের লিংক অন্য কেউ তার নিজের ওয়েবসাইটে শেয়ার করা। বা ধরুন আপনিই বিভিন্ন জায়গায় আপনার ওয়েবসাইটের লিংক দিয়েছেন। তবে এটি শুধু বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের জন্য কাজ করবে। এখন আপনি যদি সবার ইনবক্সে লিংক দেন এতে করে ব্যাকলিংক হয় না।
বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা পাবলিক ওয়েবসাইট বা কোনো প্রোফাইল তৈরি করতে বা সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করলে এটি ব্যাকলিংক হয়। এখন আপনি যদি কোনো পোস্টের লিংক শেয়ার করেন বিভিন্ন জায়গায় তাহলে আপনার ঐ পোস্টের উপর অনেক লিংক হবে। এবং ঐ পোস্টটি র্যাঙ্ক করবে। সাথে আপনার ওয়েবসাইটেরও র্যাঙ্ক হবে।
যদি অনেক ভালো মানের ওয়েবসাইট আপনার সাইটের লিংক দেয়, তাহলে সার্চ ইঞ্জিন মনে করে আপনার ওয়েবসাইটেও ভালো মানের তথ্য রয়েছে। ব্যাকলিংক করার আরেকটি বড় সুবিধা হলো এতে ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বাড়তে পারে। কেউ যদি অন্য কোনো ওয়েবসাইটে আপনার লিংক দেখে ক্লিক করে, তাহলে সেখান থেকেও ভিজিটর আসতে পারে। তাই SEO করার ক্ষেত্রে ব্যাকলিংক একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
SEO পদ্ধতিতে ব্যাকলিংক কীভাবে পাব
SEO ব্যাকলিংক তৈরি করার মাধ্যমে ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক করার সহজ পদ্ধতি সম্পর্কে জানা আমাদের এখন গুরুত্বপূর্ণ। অনেকে ব্যাকলিংক কিনে নেয় আবার অনেকে বট দিয়ে ব্যাকলিংক আনে আবার অনেক অনেক জায়গায় শেয়ার করতে থাকে এতে করে ব্যাকলিংক হয় কিন্তু অনেক সময় SEO ব্যাকলিংক হয় না।
SEO ব্যাকলিংকের সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ভালো ভালো আর্টিকেলের মাঝে আপনার ওয়েবসাইট বা আপনার যেকোনো পোস্টের লিংক শেয়ার করা। এছাড়াও গেস্ট পোস্ট করার মাধ্যমে ব্যাকলিংক পাওয়া যায়। অনেক ব্লগ বা ওয়েবসাইট অন্যদের লেখা প্রকাশ করে এবং সেই লেখার সাথে লেখকের ওয়েবসাইটের লিংক দেওয়া যায়। এভাবে সহজেই একটি ব্যাকলিংক পাওয়া যায়।
এছাড়াও বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে নিজের ওয়েবসাইটের লিংক শেয়ার করা যেতে পারে। যেমন Facebook, LinkedIn বা Pinterest এর মতো প্ল্যাটফর্মে পোস্ট করলে সেখান থেকেও ওয়েবসাইটে ভিজিটর আসতে পারে। আর বিভিন্ন প্রোফাইল বা একাউন্ট খুলার সময় ওয়েবসাইট লিংক এড করা। তবে সবচেয়ে ভালো হচ্ছে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে মানুষ আপনার পোস্ট শেয়ার করা। এটিই মূলত বেশি কাজে আসে।
ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক করার পদ্ধতি
ব্যাকলিংক তৈরি করার মাধ্যমে ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক করার সহজ পদ্ধতি সম্পর্কে আমরা অনেক কিছুই জেনেছি। এই পোস্টে আমরা আরও অনেক কিছু জানব। ব্যাকলিংক ছাড়াও আরও বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে হবে ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক করানোর জন্য। চলুন এ সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
- ভালো এবং তথ্যবহুল কনটেন্ট লিখতে হবে।
- একটি নির্দিষ্ট কীওয়ার্ড নিয়ে আর্টিকেল লিখতে হবে।
- টাইটেল সুন্দর ও আকর্ষণীয় করতে হবে।
- আর্টিকেলের মধ্যে কীওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে।
- ছোট ছোট প্যারাগ্রাফে লেখা ভালো।
- ছবির সাথে alt tag ব্যবহার করা উচিত।
- ওয়েবসাইটের গতি দ্রুত রাখতে হবে।
- মোবাইল ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইট বানাতে হবে।
- নিয়মিত নতুন পোস্ট করতে হবে।
- পুরনো পোস্ট আপডেট করতে হবে।
- অন্য ওয়েবসাইট থেকে ব্যাকলিংক নিতে হবে।
- নিজের পোস্টের মধ্যে লিংক দেওয়া ভালো।
- সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট শেয়ার করতে হবে।
- ভালো টপিক নিয়ে আর্টিকেল লিখতে হবে।
- সঠিকভাবে SEO করতে হবে।
- ওয়েবসাইটের ডিজাইন সহজ রাখতে হবে।
- গুগলে সাইট সাবমিট করতে হবে।
- পাঠকের উপকার হয় এমন লেখা দিতে হবে।
- স্প্যাম লিংক ব্যবহার করা যাবে না।
- ধৈর্য ধরে নিয়মিত কাজ করতে হবে।
ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক করতে ব্যাকলিংক কেন লাগবে
ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক করতে তো ভালো মানের কনটেন্ট আর ভালো ওয়েবসাইট থাকলেই হয়। এই ব্যাকলিংক কেন দরকার? আমরা অনেকেই এটি ভেবে ব্যাকলিংকের দিকে খেয়াল করি না। এতে করে আমাদের ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক হয় না। তাই এর গুরুত্ব অনেক অনেক বেশি।
ব্যাকলিংক একটি পোস্টের যত বেশি গুগল তাকে তত বেশি বিশ্বাস করবে ফলে লেখা মোটামুটি হলেও উপরের দিকে র্যাঙ্ক হয়ে যায়। একটি পোস্টের ব্যাকলিংক ১০ কিন্তু লেখা এতো ভালো না এর চেয়ে আপনার লেখা অনেক ভালো কিন্তু ব্যাকলিংক মাত্র ২\৩টি তাহলে এরপরেও আপনার পোস্ট নিচের দিকে থাকবে। তাই আপনাকে ব্যাকলিংক অনেক বেশি লাগবে। একটি ওয়েবসাইটের ব্যাকলিংক লাখ লাখ বা হাজার হাজার হতে পারে। এ নিয়ে আমরা এই পোস্টে জানব।
ব্যাকলিংক পাওয়ার ফ্রি সাইট
ব্যাকলিংক তৈরি করার মাধ্যমে ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক করার সহজ পদ্ধতি গুলো ব্যবহার করার সাথে সাথে আরও কিছু ফ্রি ওয়েবসাইট আছে। যেখানে আপনি Website পোস্ট শেয়ার করে ঐ পোস্টে ব্যাকলিংক পেতে পারেন। আপনি নিয়মিত একটি করে পোস্ট লেখবেন এবং ঐ সাইট গুলো তে লিংক পোস্ট করে ব্যাকলিংক পেতে পারেন। এমন কিছু ফ্রি ওয়েবসাইট হচ্ছে:
- Medium
- Tumblr
- Quora
- Blogger
- WordPress.com
- Weebly
- Wix
- Google Sites
- About.me
- Behance
- Dribbble
- GitHub Pages
- LiveJournal
- Jimdo
- Strikingly
- SITE123
- Webflow
- Dev.to
- Hashnode
- Substack
- HubPages
- Vocal Media
ওয়েব ২.০ ব্যাকলিং কি ও এর গুরুত্ব
ব্যাকলিংক তৈরি করার মাধ্যমে ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক করার সহজ পদ্ধতি সম্পর্কে তো জানলাম এখন আবার এই ২.০ ব্যাকলিংক কি? ওয়েব ২.০ ব্যাকলিংক বলতে এমন ব্যাকলিংককে বোঝায় যেখানে আপনি নিজেই কোনো ফ্রি ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করে সেখানে আর্টিকেল লিখে নিজের মূল ওয়েবসাইটের লিংক দেন।
যেমন ধরুন আপনি Blogger বা WordPress.com এ একটি ফ্রি ব্লগ তৈরি করলেন। তারপর সেখানে একটি আর্টিকেল লিখে আপনার ওয়েবসাইটের লিংক দিলেন। এটিই মূলত ওয়েব ২.০ ব্যাকলিংক। আপনি দুই তিনটি ওয়েবসাইট বানাতে পারেন এবং সার্চ কনসোলে এড করে তারপর মোটামুটি এখানে পোস্ট লেখবেন এবং আপনার মূল ওয়েবসাইটের ঐ পোস্টের লিংক দিয়ে দিবেন। এর কিছু গুরুত্ব হচ্ছে:
- ওয়েবসাইটের অথরিটি বাড়াতে সাহায্য করে।
- গুগলে ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক করতে সহায়তা করে।
- ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বাড়াতে পারে।
- SEO শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।
- নতুন ওয়েবসাইট দ্রুত ইনডেক্স হতে সাহায্য করে।
কীভাবে ওয়েব ২.০ ব্যাকলিংক তৈরি করবেন
আমরা ওয়েব ২.০ ব্যাকলিংক সম্পর্কে উপরে জেনেছি। এখন প্রশ্ন আসে যে এটা কীভাবে তৈরি করা যায়? আমরা মোটামুটি এ নিয়েও আমরা জেনেছি। চলুন আমরা কিছু ধাপ নিয়ে আলোচনা করে যে কীভাবে এই ওয়েব ২.০ ব্যাকলিংক বানানো যাবে।
- প্রথমে একটি ওয়েব ২.০ সাইট নির্বাচন করতে হবে যেমন Blogger বা WordPress.com।
- এরপর সেখানে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে।
- তারপর একটি ফ্রি ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে।
- এরপর একটি ভালো আর্টিকেল লিখতে হবে। চেষ্টা করবেন যেন আর্টিকেলটি তথ্যবহুল হয়।
- এরপর আর্টিকেলের মধ্যে স্বাভাবিকভাবে আপনার মূল ওয়েবসাইটের লিংক যুক্ত করতে হবে।
- সবশেষে আর্টিকেলটি পাবলিশ করতে হবে এবং ইনডেক্সের জন্য রিকোয়েস্ট দিতে হবে। আরেকটা বিষয় হচ্ছে যেই url index করবেন সেই url এর পিছনে?m=1 লাগিয়ে url inspection এ দিয়ে request দিতে হবে।
সর্বশেষ ব্যাকলিংক প্রিমিয়াম অফার
আমরা এই পোস্টে ব্যাকলিংক তৈরি করার মাধ্যমে ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক করার সহজ পদ্ধতি সম্পর্কে জেনেছি। এখন চলুন একটু প্রিমিয়াম কিছু ব্যাকলিংক সম্পর্কে জেনে নেই। এখানে মূলত আপনি অন্য কাউকে দিয়ে কাজ করাতে পারেন। অনেক ফ্রিল্যান্সার আছে যারা ব্যাকলিংক নিয়ে কাজ করে তারা ব্যাকলিংক সেল করে। অর্থাৎ তারা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে আপনার লিংক শেয়ার করে।
আপনি ordinary it নামে একটি প্রতিষ্ঠান থেকে যোগাযোগ করে নিতে পারেন। যাইহোক এছাড়াও আপনি বিভিন্ন জায়গা থেকে কিনে নিতে পারেন। এর জন্য আপনি বিভিন্ন রিসার্চ করতে পারেন। মূলত ৫০০০ টাকায় ১০০০ ব্যাকলিংক পাওয়া যায়। এর দাম একটু বেশিই হতে পারে। যাইহোক এটি আপনার কাজে আসবে। তবে সঠিক জায়গা থেকে আপনাকে যাচাই করে কিনতে হবে। পরিশেষে আমার মতামত
এই পোস্টে আমরা ব্যাকলিংক তৈরি করার মাধ্যমে ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক করার সহজ পদ্ধতি সম্পর্কে জেনেছি। আমরা শেষে আপনাকে প্রিমিয়াম ভালো ব্যাকলিংক সম্পর্কেও জানিয়েছি। আশা করি আপনি এর গুরুত্ব এবং কীভাবে এই কাজ করতে হবে তা বুঝতে পেরেছেন। শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথে থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

ST Bangla Hub নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url