স্বাধীনতা দিবস অনুচ্ছেদ - ২৬শে মার্চ। ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে এইচএসসি পর্যন্ত
অনুচ্ছেদ লেখার নিয়মআপনি যদি স্বাধীনতা দিবস অনুচ্ছেদ সম্পর্কে শিখতে চান তাহলে আজকের পোস্টটি শুধু আপনার জন্য। আমরা শুধু আপনাকে অনুচ্ছেদটি সম্পর্কে জানাব না বরং কীভাবে আপনি সহজ পদ্ধতিতে যেকোনো অনুচ্ছেদ লেখতে পারবেন সেটিও শিখাব।
এই পোস্টের শেষে আমরা আপনাকে সহজে অনুচ্ছেদ শিখা ও মনে রাখার কৌশল সম্পর্কে শিখাব। তাই শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথেই থাকুন।
পোস্ট সূচিপত্র : স্বাধীনতা দিবস সম্পর্কে এই পোস্টে যা যা থাকছে ক্লিক করুন
- স্বাধীনতা দিবস অনুচ্ছেদ ষষ্ঠ শ্রেণি
- স্বাধীনতা দিবস অনুচ্ছেদ সপ্তম শ্রেণি
- স্বাধীনতা দিবস সম্পর্কে অনুচ্ছেদ অষ্টম শ্রেণি
- স্বাধীনতা দিবস অনুচ্ছেদ নবম,দশম এবং এসএসসি
- স্বাধীনতা দিবস অনুচ্ছেদ এইচএসসি
- অনুচ্ছেদ লেখার নিয়ম
- পরিশেষে আমার মতামত
স্বাধীনতা দিবস অনুচ্ছেদ ষষ্ঠ শ্রেণি
বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস ২৬শে মার্চ। ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়। এই স্বাধীনতা হঠাৎ করে অর্জিত হয়নি, এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের শোষণ, বৈষম্য ও সংগ্রামের ইতিহাস। ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত হলেও পূর্ব বাংলা পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর হাতে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিকভাবে অবহেলিত হতে থাকে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলেও পাকিস্তানের সামরিক সরকার ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা শুরু করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলন তার চূড়ান্ত রূপ নেয়।
আরও পড়ুন: পরীক্ষার আগের রাতে কী কী করণীয়
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ভয়াবহ গণহত্যা চালায়। ওই রাতেই গ্রেফতার হওয়ার পূর্বমুহূর্তে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিজয় অর্জন করে। স্বাধীনতা লাভের পর থেকে প্রতিবছর ২৬শে মার্চ যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়। এই দিনে আমরা শপথ করি বাংলাদেশকে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলব এবং যে কোনো মূল্যে আমাদের স্বাধীনতা রক্ষা করব। [১৫১ শব্দ]
স্বাধীনতা দিবস অনুচ্ছেদ সপ্তম শ্রেণি
বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ঘোষিত হয় ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ। তাই এই দিনটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। স্বাধীনতা হঠাৎ করে অর্জিত হয়নি, এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের শোষণ, বৈষম্য ও সংগ্রামের ইতিহাস। ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত হলেও পূর্ব বাংলা পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর হাতে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিকভাবে অবহেলিত হতে থাকে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলেও পাকিস্তানের সামরিক সরকার ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা শুরু করে।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলন তার চূড়ান্ত রূপ নেয়। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ভয়াবহ গণহত্যা চালায়। ওই রাতেই গ্রেফতার হওয়ার পূর্বমুহূর্তে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং দেশকে মুক্ত করার আহ্বান জানান। তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক, বাঙালি সৈনিক, পুলিশ, ইপিআর, আনসারসহ বাংলার সর্বস্তরের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।
দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ও অসংখ্য শহিদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিজয় অর্জন করে। স্বাধীনতা লাভের পর থেকে প্রতিবছর ২৬শে মার্চ যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়। স্বাধীনতা দিবস আমাদের শেখায় শোষণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সদা সচেতন থাকতে। [১৬৫ শব্দ]
স্বাধীনতা দিবস সম্পর্কে অনুচ্ছেদ অষ্টম শ্রেণি
বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস ২৬শে মার্চ। ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়। এই স্বাধীনতা হঠাৎ করে অর্জিত হয়নি, এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের শোষণ, বৈষম্য ও সংগ্রামের ইতিহাস। ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত হলেও পূর্ব বাংলা পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর হাতে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিকভাবে অবহেলিত হতে থাকে।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলেও পাকিস্তানের সামরিক সরকার ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা শুরু করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলন তার চূড়ান্ত রূপ নেয়। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ভয়াবহ গণহত্যা চালায়। এই রাতটি হচ্ছে বাঙালির জীবনে একটি কালো রাত। ওই রাতেই গ্রেফতার হওয়ার পূর্বমুহূর্তে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং দেশকে মুক্ত করার আহ্বান জানান।
তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক, বাঙালি সৈনিক, পুলিশ, ইপিআর, আনসারসহ বাংলার সর্বস্তরের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ও অসংখ্য শহিদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিজয় অর্জন করে। স্বাধীনতা লাভের পর থেকে প্রতিবছর ২৬শে মার্চ যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়। স্বাধীনতা দিবস আমাদের শেখায় শোষণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সদা সচেতন থাকতে। [১৮৫ শব্দ]
স্বাধীনতা দিবস অনুচ্ছেদ নবম,দশম এবং এসএসসি
বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস ২৬শে মার্চ। ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়। এই স্বাধীনতা হঠাৎ করে অর্জিত হয়নি, এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের শোষণ, বৈষম্য ও সংগ্রামের ইতিহাস। ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত হলেও পূর্ব বাংলা পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর হাতে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিকভাবে অবহেলিত হতে থাকে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলেও পাকিস্তানের সামরিক সরকার ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা শুরু করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলন তার চূড়ান্ত রূপ নেয়। যা যুদ্ধের অহ্বান দেয়।
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ভয়াবহ গণহত্যা চালায়। এই রাতটি হচ্ছে বাঙালির জীবনে একটি কালো রাত। ওই রাতেই গ্রেফতার হওয়ার পূর্বমুহূর্তে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং দেশকে মুক্ত করার আহ্বান জানান। তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক, বাঙালি সৈনিক, পুলিশ, ইপিআর, আনসারসহ বাংলার সর্বস্তরের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ও অসংখ্য শহিদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিজয় অর্জন করে। যদিও ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস, তবুও ২৬শে মার্চ থেকেই বাঙালি জাতি স্বাধীন, কারণ এই দিনেই স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।
স্বাধীনতা লাভের পর থেকে প্রতিবছর ২৬শে মার্চ যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়। এদিন জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। স্বাধীনতা দিবস আমাদের শেখায় শোষণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সদা সচেতন থাকতে। [২২৫ শব্দ]
স্বাধীনতা দিবস অনুচ্ছেদ এইচএসসি
বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস ২৬শে মার্চ। ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়। এই স্বাধীনতা হঠাৎ করে অর্জিত হয়নি, এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের শোষণ, বৈষম্য ও সংগ্রামের ইতিহাস। ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত হলেও পূর্ব বাংলা পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর হাতে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিকভাবে অবহেলিত হতে থাকে। এর প্রতিবাদে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে বাঙালি জাতি স্বাধীনতার পথে ঐক্যবদ্ধ হয়। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলেও পাকিস্তানের সামরিক সরকার ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা শুরু করে।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলন তার চূড়ান্ত রূপ নেয়। যা যুদ্ধের অহ্বান দেয়। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ভয়াবহ গণহত্যা চালায়। এই রাতটি হচ্ছে বাঙালির জীবনে একটি কালো রাত। ওই রাতেই গ্রেফতার হওয়ার পূর্বমুহূর্তে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং দেশকে মুক্ত করার আহ্বান জানান। তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক, বাঙালি সৈনিক, পুলিশ, ইপিআর, আনসারসহ বাংলার সর্বস্তরের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ও অসংখ্য শহিদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিজয় অর্জন করে। যদিও ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস, তবুও ২৬শে মার্চ থেকেই বাঙালি জাতি স্বাধীন, কারণ এই দিনেই স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।
স্বাধীনতা লাভের পর থেকে প্রতিবছর ২৬শে মার্চ যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়। এদিন জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। স্বাধীনতা দিবস আমাদের শেখায় শোষণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সদা সচেতন থাকতে। এই দিনে আমরা শপথ করি বাংলাদেশকে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলব এবং যে কোনো মূল্যে আমাদের স্বাধীনতা রক্ষা করব। [২৭০ শব্দ]
অনুচ্ছেদ লেখায় নিয়ম
অনুচ্ছেদ শুধু লেখলেই হবে না বরং নিয়ম অনুযায়ী লেখতে হবে। আমি আপনাকে তুমি বলেই ডাকি যেহেতু আপনি একজন ছাত্র বা ছাত্রী। তুমি যদি একটা ভালো রেজাল্ট করতে চাও বা অনুচ্ছেদে দশে দশ পেতে চাও তাহলে অবশ্যই তোমাকে নিয়ম মানতে হবে। আমরা এখানে যতগুলো শ্রেণির অনুচ্ছেদ দিয়েছি তাতে একটু বেশিই শব্দ দিয়েছি। তোমার উচিৎ তিন চার বার রিডিং পড়া এবং দুই তিন বার লেখা এতে করে তোমার সহজেই শিখা হয়ে যাবে।
আরও পড়ুন: প্রতিদিন পড়ার রুটিন তৈরি করার সহজ উপায়
তুমি অনেক পরিশ্রম করেও এগুলো মুখস্ত করতে পারবে না। পারলেও অনেক পরিশ্রম আর সময় লাগবে। তার চেয়ে ভালো তুমি সৃজনশীলতার পরিচয় দাও। তাই আমরা বেশি শব্দেই লিখেছি। কারণ তুমি যতটুকু শিখবে ততটুকু মনে থাকবে না। তিন ভাগের দুই ভাগ মনে থাকতে পারে। তাহলে সেই দুই ভাগে তোমার প্রয়োজনীয় লেখা বা খাতা ভরে যাবে। এছাড়াও অনুচ্ছেদ রচনার মতো পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা লেখা যাবে না। তুমি যদি ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত হয়ে থাকো তোমার জন্য সর্বোচ্চ তিন পৃষ্ঠাই যথেষ্ট। অর্থাৎ ১৫০ শব্দের মধ্যে হতে হবে। প্রতি পৃষ্ঠায় ধরলাম ১২-১৩ লাইন করে।
এরপর যদি তুমি নবম,দশম বা এসএসসি পরীক্ষার্থী হোও তাহলে তিন থেকে চার পৃষ্ঠাই তোমার জন্য ভালো হবে। আর যদি কলেজ বা এইচএসসি পরীক্ষার্থী হোও তাহলে চার বা সাড়ে চার পৃষ্ঠা তোমার জন্য ভালো। অর্থাৎ ২০০ শব্দের মাঝে লেখলেই ভালো হবে। অনুচ্ছেদের শুরুতে বড় একটা হ্যাডলাইন দিবে। কোনো ধরনের প্যারা দেওয়া যাবে না। শুরুতেই মূল বিষয় লেখবে যেমন ২৬শে মার্চ এই কিওয়ার্ডটি উল্লেখ্য করা হয়েছে। স্বাধীনতা দিবস, ২৬শে মার্চ এগুলো কিওয়ার্ড। এমন কিওয়ার্ড লেখবে।
শেষে সুন্দর করে শেষ করবে। প্রয়োজনীয়তা, তাৎপর্য, কার্যক্রম এগুলো উল্লেখ্য করবে। আমরা এই পোস্টে এভাবেই সাজিয়ে লিখেছি। "স্বাধীনতা দিবস" এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ। তাই এটি শিখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বেশিরভাগ পরীক্ষাতেই এই অনুচ্ছেদ টি দেখা যায়। তাই তোমার উচিৎ এই অনুচ্ছেদ ভালো ভাবে শিখা।
পরিশেষে আমার মতামত
আমরা আমাদের এই পোস্টে একটি গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুচ্ছেদ সম্পর্কে জেনেছি। স্বাধীনতা দিবস অনুচ্ছেদটি তোমার পরীক্ষাতে আসার সম্ভাবনা ৩০% বাকি সবগুলো ৭০%। তাই আপনাকে আমাদের দেখানো নিয়ম অনুযায়ী অনুচ্ছেদ শিখতে হবে। তাহলে আপনি একটি ভালো নাম্বার পেতে পারেন। আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে এভাবে অনেক সহজ করে অনেক অনুচ্ছেদ, ভাবসম্প্রসারণ, রচনা এছাড়াও ইংরেজি প্যারাগ্রাফ, ডায়ালগ, স্টোরি সবকিছু লিখে থাকি। তাই আমাদের সাথেই থাকুন। এবং শেষ পর্যন্ত এই পোস্টে আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

ST Bangla Hub নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url