পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি ভাবসম্প‍্রসারণ - ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে এইচএসসি পর্যন্ত

ভাবসম্প্রসারণ লেখার নিয়মআপনি যদি পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি ভাবসম্প‍্রসারণ সম্পর্কে শিখতে চান তাহলে আজকের পোস্টটি শুধু আপনার জন‍্য। আমরা শুধু আপনাকে ভাবসম্প‍্রসারণ সম্পর্কে জানাব না বরং কীভাবে আপনি সহজ পদ্ধতিতে ভাবসম্প‍্রসারণ লেখতে পারবেন সেটিও শিখাব। 

পরিশ্রম-সৌভাগ্যের-প্রসূতি-ভাবসম্প‍্রসারণ

এই পোস্টের শেষে আমরা আপনাকে সহজে ভাবসম্প‍্রসারণ শিখা ও মনে রাখার কৌশল সম্পর্কে শিখাব। তাই শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথেই থাকুন। 

পোস্ট সূচিপত্র : পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি ভাবসম্প‍্রসারণ সম্পর্কে এই পোস্টে যা যা থাকছে ক্লিক করুন

পরিশ্রম সৌভাগ্যের চাবিকাঠি ভাবসম্প‍্রসারণ ষষ্ঠ শ্রেণি 

মূলভাবঃ মানুষ তার জন্মের শুরু থেকে সৌভাগ্য নিয়ে আসে না, সৌভাগ্য তাকে নিজে অর্জন করে নিতে হয়। জীবনে উন্নতি ও সফলতা পেতে হলে ভাগ্যের উপর নির্ভর না করে পরিশ্রমকে আপন করে নিতে হয়। কারণ ভাগ্য কোনো অলৌকিক শক্তি নয়, মানুষের পরিশ্রমই তার ভাগ্য গড়ে তোলে।
সম্প্রসারিত ভাবঃ জীবনে সফল হওয়ার একমাত্র নিশ্চিত পথ হলো অক্লান্ত পরিশ্রম। ইতিহাসে যাঁরা মহান ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত, তাঁরা কেউই অলস ছিলেন না। তাঁদের সাফল্যের পেছনে ছিল কঠোর শ্রম ও অধ্যবসায়। সৌভাগ্য কখনো অলস মানুষের জীবনে আসে না; বরং পরিশ্রমী মানুষই সৌভাগ্যের অধিকারী হয়। মানবজীবন একটি সংগ্রামের জীবন। এই সংগ্রামে টিকে থাকতে হলে পরিশ্রম ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই। যে ব্যক্তি পরিশ্রম করে, সে জ্ঞান, সম্মান ও সাফল্য লাভ করে। আর যে অলস থাকে, তার জীবনে ব্যর্থতা নেমে আসে। 

মন্তব্যঃ সৌভাগ্য কাউকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয় না; এটি অর্জন করতে হয় নিজের চেষ্টা ও শ্রমের মাধ্যমে। তাই জীবনে উন্নতি করতে হলে অলসতা ত্যাগ করে অধ্যবসায়ের সঙ্গে কাজ করতে হবে। 

পরিশ্রম সৌভাগ্যের চাবিকাঠি ভাবসম্প‍্রসারণ সপ্তম শ্রেণি

মূল ভাবঃ জীবনে সুখ, সম্মান ও সফলতা লাভ করা সবারই স্বপ্ন। কিন্তু এসব কিছু কেবল ভাগ্যের উপর নির্ভর করে পাওয়া যায় না। সৌভাগ্য অর্জনের জন্য মানুষের প্রয়োজন নিরলস পরিশ্রম। কারণ ভাগ্য কোনো অলৌকিক শক্তি নয়; মানুষের নিজের কাজ ও প্রচেষ্টাই তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে।

সম্প্রসারিত ভাবঃ জীবনে সফল হওয়ার একমাত্র নিশ্চিত পথ হলো নিরলস পরিশ্রম। ইতিহাসে যাঁরা মহান ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত, তাঁরা কেউই অলস ছিলেন না। তাঁদের সাফল্যের পেছনে ছিল কঠোর শ্রম ও অধ্যবসায়। সৌভাগ্য কখনো অলস মানুষের জীবনে আসে না; বরং পরিশ্রমী মানুষই সৌভাগ্যের অধিকারী হয়। মানবজীবন একটি সংগ্রামের জীবন। এই সংগ্রামে টিকে থাকতে হলে পরিশ্রম ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই। যে ব্যক্তি পরিশ্রম করে, সে জ্ঞান, সম্মান ও সাফল্য লাভ করে। আর যে অলস থাকে, তার জীবনে ব্যর্থতা নেমে আসে। 

মন্তব্যঃ পরিশেষে বলা যায়, সৌভাগ্য কারও কাছে ভিক্ষা হিসেবে আসে না; এটি অর্জন করতে হয় নিজের কর্মের মাধ্যমে। তাই সুন্দর, সার্থক ও সফল জীবন গড়তে হলে আমাদের সবাইকে পরিশ্রমের পথেই এগোতে হবে। কারণ আমাদের মনে রাখতে হবে পরিশ্রমের পরেই আছে সুখ।

পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি ভাবসম্প‍্রসারণ অষ্টম শ্রেণি

মূল ভাবঃ মানুষ জন্মগতভাবে সৌভাগ্য নিয়ে আসে না, সৌভাগ্য তাকে নিজ প্রচেষ্টায় অর্জন করতে হয়। জীবনে উন্নতি ও সফলতা পেতে হলে ভাগ্যের উপর নির্ভর না করে পরিশ্রমকে আপন করে নিতে হয়। কারণ ভাগ্য কোনো অলৌকিক শক্তি নয়, মানুষের পরিশ্রমই তার ভাগ্য গড়ে তোলে।

সম্প্রসারিত ভাবঃ জীবনে সফল হওয়ার একমাত্র নিশ্চিত পথ হলো নিরলস পরিশ্রম। ইতিহাসে যাঁরা মহান ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত, তাঁরা কেউই অলস ছিলেন না। তাঁদের সাফল্যের পেছনে ছিল কঠোর শ্রম ও অধ্যবসায়। সৌভাগ্য কখনো অলস মানুষের জীবনে আসে না; বরং পরিশ্রমী মানুষই সৌভাগ্যের অধিকারী হয়। মানবজীবন একটি সংগ্রামের জীবন। এই সংগ্রামে টিকে থাকতে হলে পরিশ্রম ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই। যে ব্যক্তি পরিশ্রম করে, সে জ্ঞান, সম্মান ও সাফল্য লাভ করে। আর যে অলস থাকে, তার জীবনে ব্যর্থতা নেমে আসে। আদিম যুগ থেকে মানুষ পরিশ্রম ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সভ্যতার পথে এগিয়েছে। আজ আমরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যে সুবিধা ভোগ করছি, তা মানুষের দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের ফল। ব্যক্তিগত জীবন হোক বা জাতীয় জীবন উন্নতি অর্জনের মূল চাবিকাঠি হলো পরিশ্রম।

মন্তব্যঃ সবশেষে বলা যায়, সৌভাগ্য কারও কাছে ভিক্ষা হিসেবে আসে না; এটি অর্জন করতে হয় নিজের কর্মের মাধ্যমে। তাই সুন্দর, সার্থক ও সফল জীবন গড়তে হলে আমাদের সবাইকে পরিশ্রমের পথেই এগোতে হবে।

পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি ভাবসম্প‍্রসারণ নবম, দশম এবং এসএসসি  

মূল ভাবঃ মানুষের জীবনে সৌভাগ্য সবারই কাম্য। কিন্তু এই সৌভাগ্য আমাদের কাছে নিজে নিজে আসে না। তার জন্য প্রয়োজন অক্লান্ত পরিশ্রম আমরা সবকিছুই ভাবি যে ভাগ্য কিন্তু এই ভাগ্য নিজে বানিয়ে নিতে হয়। কারণ ভাগ্য কোনো অলৌকিক শক্তি নয়, ভাগ্য মূলত মানুষের কর্মফল। আর পরিশ্রমের মধ্য দিয়েই আমাদের জীবনের কর্মফল নির্ধারিত হয়।

সম্প্রসারিত ভাবঃ জীবনে সফলতা অর্জন করার একমাত্র নিশ্চিত পথ হলো নিরলস পরিশ্রম। ইতিহাসে সকল বরণীয় ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিগণ কেউই অলস ছিলেন না। তাঁদের জীবনের প্রতিটি সাফল্যের পিছনে ছিল অক্লান্ত পরিশ্রম। সৌভাগ্য কখনো অলস মানুষের জীবনের দরজায় হাজির হয় না। বরং পরিশ্রমীর পথেই সে ধরা দেয়। মানবজীবন মূলত সংগ্রামের জীবন। এই সংগ্রামে টিকে থাকতে হলে পরিশ্রম ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই। যে পরিশ্রম করে সে জ্ঞান, সম্মান, সাফল্য ও প্রতিষ্ঠা লাভ করে। আর অলস ব্যক্তির জীবনে ব্যর্থতা ছাড়া কিছু থাকে না। আদিম যুগ থেকে মানুষ পারস্পারিক সহযোগিতা ও নিরলস শ্রমের মাধ্যমে ধীরে ধীরে সভ্যতার পথে এগিয়েছে। আজ আমরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যেই সুখ-সুবিধা ভোগ করছি তা মানুষের দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও সাধনারই সোনালি ফসল। জাতীয় জীবনে পরিশ্রমের গুরুত্ব অপরিসীম। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোর ইতিহাস দেখলে বুঝা যায় তাদের উন্নতির মূল হচ্ছে পরিশ্রম। ব্যক্তিগত জীবন হোক বা জাতীয় জীবন, উন্নত ও সৌভাগ্য অর্জনের একমাত্র চাবিকাঠি হলো পরিশ্রম।

মন্তব্যঃ অতএব নিঃসংশয়ে বলা যায় যে, এটি নিজের সৌভাগ্য কোনো দৈব অনুগ্রহ নয়, এটি নিজের সৃষ্টি ও কর্মফল। যে ব্যক্তি লক্ষ্য স্থির করে অধ্যবসায়ের সাথে কাজ করে, সাফল্য একদিন তার কাছে আসবেই। তাই জীবনকে সুখের, সার্থক, ও সফল করতে হলে আমাদের সবাইকে পরিশ্রমের ব্রত গ্রহণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে পরিশ্রমই হচ্ছে সৌভাগ্যের মূল চাবিকাঠি।

পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি ভাবসম্প‍্রসারণ এইচএসসি

মূল ভাবঃ মানুষের জীবনের প্রতিটি অর্জনের পেছনে একটি অদৃশ্য শক্তি কাজ করে, যাকে অনেকেই ভাগ্য বলে মনে করে। কিন্তু গভীরভাবে চিন্তা করলে দেখা যায়, এই তথাকথিত ভাগ্য আসলে মানুষের নিজের গড়া। সৌভাগ্য কারও জীবনে হঠাৎ করে নেমে আসে না; বরং নিরলস পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের পথ বেয়ে ধীরে ধীরে তার আবির্ভাব ঘটে। তাই পরিশ্রমকেই সৌভাগ্যের প্রকৃত উৎস বলা হয়।

সম্প্রসারিত ভাবঃ জীবনে সাফল্য অর্জনের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হলো কঠোর পরিশ্রম। ইতিহাসের পাতায় যাঁরা স্মরণীয় ও অনুসরণীয় হয়ে আছেন, তাঁদের জীবনের দিকে তাকালেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়। তাঁরা কেউই অলসতা বা ভাগ্যের উপর নির্ভর করে বড় হননি। অবিরাম চেষ্টা, আত্মনিবেদন ও শ্রমই তাঁদের জীবনকে সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দিয়েছে। বাস্তবতা হলো সৌভাগ্য অলস মানুষের জন্য অপেক্ষা করে না; বরং যারা পরিশ্রম করে, সৌভাগ্য তাদেরই অনুসরণ করে। মানবজীবন মূলত একটি সংগ্রাম। প্রতিটি মানুষকে জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। এই সমস্যা অতিক্রম করতে হলে পরিশ্রম ছাড়া আর কোনো বিকল্প কোনো পথ নেই। যে ব্যক্তি পরিশ্রমকে জীবনের সঙ্গী করে নেয়, সে ধীরে ধীরে জ্ঞান, সম্মান, প্রতিষ্ঠা ও সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয়। অন্যদিকে অলস ও কর্মবিমুখ ব্যক্তি কেবল ব্যর্থতার বোঝাই বহন করে চলে। সভ্যতার ইতিহাসও পরিশ্রমের গুরুত্বকে সমর্থন করে। আদিম যুগে মানুষ যখন প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকার চেষ্টা করছিল, তখন পারস্পরিক সহযোগিতা ও শ্রমই তাকে রক্ষা করেছিল। আজ মানুষ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যে উন্নত স্তরে পৌঁছেছে, তা কোনো দৈব অনুগ্রহ নয়; বরং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানুষের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল। একইভাবে জাতীয় জীবনেও উন্নতির ভিত্তি হলো শ্রম। পৃথিবীর উন্নত জাতিগুলোর অগ্রগতির মূলেও রয়েছে শৃঙ্খলাবদ্ধ ও পরিকল্পিত পরিশ্রম।

মন্তব্যঃ সুতরাং নিঃসন্দেহে বলা যায়, সৌভাগ্য কোনো অলৌকিক দান নয়; এটি মানুষের নিজের সৃষ্টি। যে ব্যক্তি সুস্পষ্ট লক্ষ্য স্থির করে ধৈর্য ও অধ্যবসায়ের সঙ্গে কাজ করে, সাফল্য একদিন তার জীবনে ধরা দিতেই বাধ্য। তাই ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে সত্যিকারের উন্নতি অর্জন করতে হলে আমাদের সবাইকে পরিশ্রমকে জীবনের মূল আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। কারণ পরিশ্রমই সৌভাগ্যের প্রসূতি।

ভাবসম্প্রসারণ লেখার নিয়ম

ভাবসম্প্রসারণ শুধু লেখলেই হবে না বরং নিয়ম অনুযায়ী লেখতে হবে। আমি আপনাকে তুমি বলেই ডাকি যেহেতু আপনি একজন ছাত্র বা ছাত্রী। তুমি যদি একটা ভালো রেজাল্ট করতে চাও বা ভাব সম্প্রসারণে দশে দশ পেতে চাও তাহলে অবশ্যই তোমাকে নিয়ম মানতে হবে। আমরা এখানে যতগুলো শ্রেণির ভাব সম্প্রসারণ দিয়েছি তাতে একটু বেশিই শব্দ দিয়েছি। তোমার উচিৎ তিন চার বার রিডিং পড়া এবং দুই তিন বার লেখা এতে করে তোমার সহজেই শিখা হয়ে যাবে। 
তুমি অনেক পরিশ্রম করেও এগুলো মুখস্ত করতে পারবে না। পারলেও অনেক পরিশ্রম আর সময় লাগবে। তার চেয়ে ভালো তুমি সৃজনশীলতার পরিচয় দাও। তাই আমরা বেশি শব্দেই লিখেছি। কারণ তুমি যতটুকু শিখবে ততটুকু মনে থাকবে না। তিন ভাগের দুই ভাগ মনে থাকতে পারে। তাহলে সেই দুই ভাগে তোমার প্রয়োজনীয় লেখা বা খাতা ভরে যাবে। এছাড়াও ভাবসম্প্রসারণ রচনার মতো পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা লেখা যাবে না। তুমি যদি ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত হয়ে থাকো তোমার জন‍্য সর্বোচ্চ দেড় থেকে আড়াই পৃষ্ঠাই যথেষ্ট। প্রতি পৃষ্ঠায় ধরলা ১২-১৩ লাইন করে। 

এরপর যদি তুমি নবম,দশম বা এসএসসি পরীক্ষার্থী হোও তাহলে আড়াই থেকে তিন পৃষ্ঠাই তোমার জন‍্য ভালো হবে। আর যদি কলেজ বা এইচএসসি পরীক্ষার্থী হোও তাহলে ৩ বা সাড়ে তিন পৃষ্ঠা তোমার জন‍্য ভালো। ভাবসম্প্রসারণের শুরুতে বড় করে একটি হেডলাইন দিবে। তারপর মূলভাব দিয়ে পুরো ভাবসম্প্রসারণের মূল ভাব যেটা তা তিন থেকে পাঁচ লাইনে লেখবে। এরপর সম্প্রসারিত ভাব অর্থাৎ বিস্তারিত আলোচনা করবে। 

শেষে একটি মন্তব্য দিবে। মূল ভাব ও মন্তব্যে হালকা পাতলা কঠিন ভাষার ব‍্যবহার ভালো হয়। আর সম্প্রসারিত ভাবে সম্পূর্ণ সহজ ভাষার ব‍্যবহার করলে ভালো হবে। আমরা এই পোস্টে এভাবেই সাজিয়ে লিখেছি। "পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি" এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাবসম্প্রসারণ। তাই এটি শিখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বেশিরভাগ পরীক্ষাতেই এই ভাবসম্প্রসারণটি দেখা যায়। 

পরিশেষে আমার মতামত 

আমরা আমাদের এই পোস্টে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাবসম্প‍্রসারণ সম্পর্কে জেনেছি। পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি ভাবসম্প্রসারণটি তোমার পরীক্ষাতে আসার সম্ভাবনা ৪০% বাকি সবগুলো ৬০%। তাই আপনাকে আমাদের দেখানো নিয়ম অনুযায়ী ভাবসম্প‍্রসারণ শিখতে হবে। তাহলে আপনি একটি ভালো নাম্বার পেতে পারেন। আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে এভাবে অনেক সহজ করে অনেক ভাবসম্প‍্রসারণ, অনুচ্ছেদ, রচনা এছাড়াও ইংরেজি প‍্যারাগ্রাফ, ডায়ালগ, স্টোরি সবকিছু লিখে থাকি। তাই আমাদের সাথেই থাকুন। এবং শেষ পর্যন্ত এই পোস্টে আমাদের সাথে থাকার জন‍্য ধন‍্যবাদ। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ST Bangla Hub নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url