ওয়েবসাইটে প্রতিদিন ১০০০০+ ট্রাফিক নিয়ে আসুন
মোবাইল দিয়ে কনটেন্ট রাইটিং করে আয় করার উপায় সম্পূর্ণ ফ্রি কোর্সআপনি কি ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বাড়ানোর উপায় খুঁজছেন? তাহলে আপনি সঠিক জায়গাতেই এসেছেন। আমরা আজকে নিয়ে এসেছি আমাদের কোর্সের আরেক পর্ব ওয়েবসাইটের ট্রাফিক বাড়ানোর পদ্ধতি নিয়ে। এখান আমরা সবকিছু বিস্তারিত আলোচনা করবো।
অনেকের ওয়েবসাইটে অনেক কম ট্রাফিক থাকে এ নিয়ে অনেকে চিন্তায় থাকে। আর চিন্তা করতে হবে না যদি আপনি আমাদের সকল ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বাড়ানোর টিপস গুলো কাজে লাগান। পোস্ট সূচিপত্র: ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বাড়ানোর উপায় নিয়ে বিস্তারিত যা যা থাকছে
- ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বাড়ানোর উপায়
- ওয়েবসাইট র্যাংক করানোর উপায়
- ওয়েবসাইটের ব্যাকলিংক বাড়ানোর উপায়
- সঠিক পদ্ধতিতে SEO আর্টিকেল লেখার নিয়ম
- বাইরে থেকে ট্রাফিক আনার উপায়
- কীভাবে Competition এ টিকে থাকা যায়
- কেন আপনার ট্রাফিক এতো কম আসছে
- ধৈর্য্য ধরে কাজ করার প্রয়োজনীয়তা
- কীভাবে কাজ করলে কতদিন পরে ভালো ট্রাফিক আসবে
- পরিশেষে আমার মতামত
ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বাড়ানোর উপায়
আপনি কি ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বাড়ানোর উপায় সম্পর্কে জানেন? আপনার একটি ওয়েবসাইট আছে কিন্তু আপনি সেই ওয়েবসাইট থেকে ভালো আয় করতে পারছেন না। কীভাবে একটা SEO ওয়েবসাইট বানাবেন এবং কাজ করবেন এ নিয়ে আমাদের একটি পুরো কোর্স পোস্টের উপরের বাটনে দেওয়া আছে। যাইহোক আজকে আমরা ট্রাফিক নিয়ে জানব।
আপনার ওয়েবসাইটে যত বেশি ট্রাফিক বাড়বে আপনার ওয়েবসাইটে তত বেশি ইনকাম হবে। ট্রাফিক মানে হচ্ছে প্রতি মাসে কতজন নতুন ভিউয়ার আপনার ওয়েবসাইটে আসছে। অর্থাৎ কতজন ভিন্ন ভিন্ন মানুষ প্রতিদিন বা মাসে আপনার ওয়েবসাইটে আসছে। মূলত View এবং click থেকেই আয় হয়। Adsএ যতো ক্লিক হবে তত বেশি ইনকাম হবে। যার জন্য দরকার একটা বিশাল এমাউন্ট এর ট্রাফিক। ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বাড়ানোর জন্য কিছু উপায়ের ব্যবহার করতে হবে। যেমন:
- ব্যাকলিংক দরকার ওয়েবসাইটে। এই ব্যাকলিংক নিয়ে আমরা জানব।
- ওয়েবসাইটের ভালো র্যাংকিং দরকার। যাতে বেশি মানুষ ওয়েবসাইটে ঢুকে।
- SEO ভাবে এবং কপি রাইট ফ্রি বা AI ছাড়া আর্টিকেল লেখা। AI দিয়ে লেখলে সাময়িক র্যাংকিং হলেও বেশি দিন তা উপরে থাকে না।
- প্রতিদিন বেশি বেশি আর্টিকেল লেখা যতগুলো সম্ভব। অনেক বড় বড় ওয়েবসাইটে প্রতিদিন ১০০/২০০ করেও আর্টিকেল পাবলিশ করা হয় তাই SEO ছাড়াই তারা র্যাংক ও ট্রাফিক পায়।
- বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া বা মার্কেটিং বা বিভিন্ন Ads থেকে বা লিংক থেকেও ট্রাফিক আনা যায়। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানব।
- বেশি বেশি শেয়ার করার মাধ্যমে ট্রাফিক আসে।
- আবার বিভিন্ন micro job site থেকে টাকা দিয়ে বিভিন্ন ট্রাফিক আনা যায়।
- সবচেয়ে ক্ষতিকর ট্রাফিক হচ্ছে বট ট্রাফিক এতে গুগল ওয়েবসাইট ব্যান করে দিতে পারে।
ওয়েবসাইট র্যাংক করানোর উপায়
আপনি যত ভালো আর্টিকেল লেখবেন আপনার ওয়েবসাইট ততবেশি র্যাংক করবে। এছাড়াও র্যাংক করার জন্য দরকার backlink। এ নিয়ে আমরা পরের ধাপে জানব। এছাড়াও SEO পদ্ধতিতে সঠিক তথ্য দিয়ে আপনি যদি আর্টিকেল লিখতে পারেন তবে আপনার পোস্ট সবসময় র্যাংক পাবে। আপনার Average position ভালো হতে থাকবে। 5/6 average position এ থাকা অনেক ভালো।
এছাড়াও আমরা আমাদের কোর্সের মাঝে একটি পোস্ট সম্পূর্ণ র্যাংকিং নিয়ে লিখেছি। আপনি এই কোর্সটি করলে বুঝতে পারবেন যে কীভাবে সহজেই পোস্ট র্যাংক করানো যায়। পোস্টের উপরের বাটনে তা দেওয়া আছে। আপনার পোস্ট যদি র্যাংক করে এবং আপনার Title যদি অনেক বেশি সুন্দর হয় তাহলে পাঠকরা গুগলে সার্চ করার পরে প্রথমেই তাদের মন মতো আর্টিকেল পেয়ে যাবে এবং আপনার পোস্টে প্রবেশ করবে। তাই ট্রাফিক পেতে গুগল র্যাংকিং অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
ওয়েবসাইটের ব্যাকলিংক বাড়ানোর উপায়
ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বাড়ানোর উপায় গুলোর মাঝে অন্যতম একটি উপায় হচ্ছে ব্যাকলিংক। এখন আবার এই ব্যাকলিংক কি? এ নিয়ে আমাদের মাঝে অনেকেই জানে না। ব্যাংকলিংক একটা পোস্ট র্যাংক পেতে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। একটা ওয়েবসাইট র্যাংক পেতে হলে তার ব্যাকলিংক দরকার হয়।
মনে করুন আপনি একটা পোস্ট লিখলেন এই পোস্ট আপনি বিভিন্ন জাগায় শেয়ার করলেন। এছাড়াও আপনার পোস্টের লিংক অন্যরা তাদের ওয়েবসাইটে শেয়ার করলো বা বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করলেন। তখন এগুলো আপনার ওয়েবসাইটের ব্যাকলিংক হিসেবে কাউন্ট হবে। এতে করে গুগল আপনার ঐ পোস্ট বা আপনার ওয়েবসাইটকে ট্রাস্ট করবে এবং র্যাংক দিবে।
এছাড়াও আপনি যে বিভিন্ন জাগায় শেয়ার করলেন সেখান থেকে অনেক ট্রাফিক আপনি আপনার ওয়েবসাইটে পেতে পারেন। কোথায় কোথায় লেয়ার করবেন বা কীভাবে বাইরে থেকে ট্রাফিক আনবেন এ নিয়ে আমাদের পোস্টে আজকে আপনি বিস্তারিত সবকিছু জানতে পারবেন। তাই শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথেই থাকুন।
সঠিক পদ্ধতিতে SEO আর্টিকেল লেখার নিয়ম
আপনি কি SEO পদ্ধতিতে আর্টিকেল লিখতে পারেন? এটি আপনার জন্য খুবই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনাকে লিখতে জানতে হবে। এছাড়াও আপনাকে কপি রাইট ফ্রি আর্টিকেল লেখতে হবে। এছাড়াও AI ব্যবহার করতে পারবেন না। গুগল অনেক সহজেই এটি বুঝে ফেলে। এবং পাঠকরা তা বেশি পছন্দ করে না এবং ট্রাফিক কম আসে।
আমরা SEO পদ্ধতিতে কীভাবে লিখতে হয় এ নিয়ে বিস্তারিত বিশাল একটি কোর্স নিয়ে এসেছে। এবং আগামীতে আমাদের ওয়েবসাইটে আরও আপডেট পাবেন। আপনি তাই আমাদের পোস্টের উপরের কোর্সের লিংক থেকে SEO পদ্ধতিতে আর্টিকেল লেখার উপায় পেয়ে যাবেন। আর ট্রাফিক বাড়াতে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
বাইরে থেকে ট্রাফিক আনার উপায়
বাইরে থেকে ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বাড়ানোর উপায় অনেক সহজ। শুধু লিংক শেয়ার করে দেওয়া। বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া আছে যেখানে বিভিন্ন ধরনের লিংক পোস্ট করা যায়। আপনাকে এমন এমন আর্টিকেল লিখতে হবে যেটা মানুষ পছন্দ করে এবং Trending এ আছে এমন। এটা হচ্ছে মূলত কিওয়ার্ড রিসার্চ পদ্ধতি। এ নিয়েও আমাদের কোর্সে বিস্তারিত জানানো হয়েছে।
তো এগুলো বিভিন্ন সোশ্যার মিডিয়াতে পোস্ট করা যায়। Facebook, Instagram, Twitter, LinkedIn, Pinterest, TikTok, Quora, Reddit, Medium এই সাইটগুলো থেকে আপনি সহজেই অনেক অনেক ট্রাফিক আনতে পারবেন। এছাড়াও এমন আরও অনেক সাইট আছে। এগুলো you tube থেকে দেখে নিতে পারেন।
কীভাবে Competition এ টিকে থাকা যায়
বর্তমানে লেখালেখির অনেক বেশি competition শুরু হয়েছে। এখন যারা দক্ষ এবং অভিজ্ঞ তারা এই প্রতিযোগিতায় সবার থেকে এগিয়ে কারণ তারা অনেক আগে থেকেই এই কাজ গুলো করছে। এরপরে অনেক বড় বড় কম্পানি এসব কাজ করছে। আপনি একা তাহলে কীভাবে তাদের সাথে পারবেন? এটাই মূলত অনেক কঠিন কাজ।
আপনি যে বিষয়ে আর্টিকেল লিখবেন সে বিষয়ে ইতিমধ্যে হাজার হাজার আর্টিকেল গুগলে আছে। এরপরে low competition এর কিওয়ার্ড নিয়ে লিখলে আপনার viewও কম হবে। আপনাকে এই সবাইকে পিছনে ফেলতে হবে। অনেকেই আছে যারা নিয়ম মেনে কাজ করে না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ঠিক এমনি। তাই আপনি যদি একদম perfect নিয়ম মেনে ভালো মতো regular কাজ করেন দেখবেন আপনি competition এ সবার আগে।
এভাবেই আপনাকে কিওয়ার্ড রিসার্চ করে লিখতে হবে। আর এই কিওয়ার্ড রিসার্চ করার পদ্ধতি এবং কীভাবে এই competition এ টিকে ভালো আয় করা যায় সে নিয়ে আমরা আমাদের কোর্সে বিস্তারিত সবকিছু নিয়ে আসবো। তাই আমাদের কোর্সের পাশেই থাকুন।
কেন আপনার ট্রাফিক এতো কম আসছে
আপনার ট্রাফিক কম আসার অনেক কারণ থাকতে পারে। ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বাড়ানোর উপায় গুলোর সঠিক ব্যবহার করলেই আপনার আর এই সমস্যা থাকবে না। আপনি যদি কপিরাইট বা AI দিয়ে আর্টিকেল লেখেন তবে আপনার ট্রাফিক কম হতে নারে। এছাড়াও আপনার ওয়েবসাইট দুর্বল থাকলেও ট্রাফিক পাবেন না। ডোমেইন না থাকলে গুগলে সার্চ করে কেউ পাবে না।
আপনার লেখাতে সমস্যা থাকতে পারে। আবার এমন হতে পারে এমন বিষয়ে আর্টিকেল লিখেছেন যা নিয়ে গুগলে আগে থেকেই উন্নত বড় বড় ওয়েবসাইটের আর্টিকেল আছে। তাই আপনাকে চিন্তা ভাবনা করে সুন্দর করে আর্টিকেল লিখতে হঠ। তাহলেই ওয়েবসাইটে ভালো ট্রাফিক আসবে ।
ধৈর্য্য ধরে কাজ করার প্রয়োজনীয়তা
আপনার এমন মনে হতে পারে যে আপনি অনেক পরিশ্রম করে কাজ করছেন কিন্তু আপনার এগনো ওয়েবসাইটে ট্রাফিক আসছে না। বা আপনি Competition এ টিকতে পারছেন না। আসলে বিষয়টা এক দুই দিনের না। আপনার SEO সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করতেই ১/২ বছর সময় লাগবে। এরপরে ওয়েবসাইট নিয়ে কাজ করলেও আরও কিছু সময় লাগবে।
এরপরে আপনাকে নিয়মিত ধৈর্য্য ধরে কাজ করতে হবে। আমার 4 মাসে ইনকাম ছিল মাত্র ৫ টাকা। এখন আমার সব পোস্ট মোটামুটি র্যাংকে থাকে। ভালো ইনকাম হয়। আশা করি আপনি এখান থেকে একটু হলেও ধৈর্য নিতে পারেন যে কখনো না কখনো আপনার ওয়েবসাইট ভাসবে এবং অনেক অনেক টাকা ইনকাম হবে। কীভাবে কাজ করলে কতদিন পরে ভালো ট্রাফিক আসবে
আপনি যদি আমাদের কোর্সে দেখানো নিয়ম অনুযায়ী কাজ করতে পারেন তাহলে আপনার ৪/৫ মাসেই ইনকাম হয়ে যাবে। আপনাকে অনেকে অনেক লোভ দেখাতে পারে যে ২/৩ মাসে ইনকাম হয়ে যাবে গেরান্টি সহ সব দেখাবে। কিন্তু এটা আসলে খুব কম মানুষ পারে। তাই আপনাকে ধৈর্য্য ধরে অন্যদের কথা বা কাজ না দেখে নিজের কাজ করা উচিৎ।
আপনাকে প্রতিদিন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জ্ঞান অর্জন করতে হবে। তাহলেই অতি তাড়াতাড়ি আপনার ইনকাম হবে। বিষয়টা অনেকা অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানের উপরেও নির্ভর করে। তাই আপনাকে ধৈর্য্য ধরে কাজ করতে হবে। এবং ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বাড়ানোর উপায় গুলো সঠিক ব্যবহার করতে পারলে অবশ্যই ভালো ট্রাফিক পাবেন।
পরিশেষে আমার মতামত
এই পোস্টে আমরা ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বাড়ানোর উপায় সম্পর্কে বিস্তার অনেক কিছু জেনেছি। আপনি যদি আমাদের দেখানো নিয়ম অনুযায়ী এবং কথাগুলো শুনে ভালো মতো কাজ করতে পারেন তবে ভালো ইনকাম হবে। দেরি হলেও আপনার অনেক অভিজ্ঞতা হবে। ধরে নিন এটা অনেক টা পড়াশোনার মতো। প্রথমে জ্ঞান অর্জন তারপর চাকরি, ব্যবসা থেকে ইনকাম। আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন। শেষে পর্যন্ত আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
ST Bangla Hub নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url