যেভাবে কাজ করলে ওয়েবসাইটের সব পোস্ট গুগলে র‍্যাংক করবে

মোবাইল দিয়ে কনটেন্ট রাইটিং করে আয় করার উপায় সম্পূর্ণ ফ্রি কোর্সআপনি কি ওয়েবসাইট র‍্যাংক করানোর উপায় খুঁজছেন? আজকে আমরা আমাদের কোর্সের একটি গুরুত্বপূর্ণ পূর্ণ অংশে আছি। কীভাবে ওয়েবসাইট গুগলে র‍্যাংক হয় এ নিয়ে আমরা আজকে এসেছি। এবং আমাদের সম্পূর্ণ ফ্রি কোর্স উপরের বাটনে দেওয়া আছে। 

ওয়েবসাইট-র‍্যাংক-করানোর-উপায়এই পোস্টে আমরা ওয়েবসাইট র‍্যাংক করানোর সকল উপায় নিয়ে জানব। তাই শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথেই থাকুন। 

পোস্ট সূচিপত্র: ওয়েবসাইট র‍্যাংক করানোর উপায় নিয়ে বিস্তারিত যা যা থাকছে

ওয়েবসাইট র‍্যাংক করানোর উপায় অনেক আছে। মূলত বর্তমানে অনেক বেশি competition তৈরি হয়েছে। যারা মাঝে টিকে থাকা অনেক অনেক কঠিন। আপধি যদি একেবারে দক্ষ লেখক না হন তবে বতর্মানে এই competition এ টিকে থাকা আরও অনেক কঠিন হয়ে উঠবে। 
আমাদের মতো হাজার হাজার রাইটার আছে যারা নিয়মিত আর্টিকেল লেখছে। কোটি কোটি মানুষের ইচ্ছার উপরে নির্ভর করে অনেক আর্টিকেল প্রতিদিন পাবলিশ হচ্ছে। এখন অনেক রাইটার আছে যারা অনেক দক্ষ তাদের আর্টিকেল সবসময় র‍্যাংক পায়। আবার অনেক ওয়েবসাইট আছে যেগুলো পুরাতন সেগুলোও র‍্যাংক পায়। 

আপনি তাহলে কোন বিষয়ে লেখলে র‍্যাংক পাবেন? যে বিষয়টি নিয়েই লেখতে যাচ্ছে সেই বিষয়ের উপরেই আর্টিকেল আছে। যাইহোক আপনাকে এই অবস্থায় কিওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কে জানতে হবে। যা নিয়ে আমাদের কোর্সে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আশা করি আপনি কিওয়ার্ড রিসার্চ করার নিয়ম দেখে বুঝে তারপর আমাদের এই কোর্সটি করবেন। 

আপনার দরকার অনেক অনেক ব‍্যাকলিংক। এখন আবার এই ব‍্যাকলিংক কি? এ নিয়ে এই পোস্টে মোটামুটি একটা আলোচনা করা হয়েছে। এবং আমাদের কোর্সে এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আপনাকে SEO আর্টিকেল লেখার অনেক ভালো দক্ষতা থাকতে হবে। আপনাকে অনেক Details এ অনেক নিখুঁত ভাবে কাজ করতে হবে। এ নিয়েও আমাদের কোর্সে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। 

আপনার ওয়েবসাইট SEO ভাবে সাজাতে হবে। আপনার ভালো Domain লাগবে। এরপরে আপনার লেখার ধরন ভালো থাকতে হবে। Title ভালো হতে হবে। আপনার ওয়েবসাইটের লোডিং টাইম ঠিক থাকতে হবে। তাহলে আপনি র‍্যাংক পাবেন। কীভাবে আপনি ওয়েবসাইট সাজাবেন এ নিয়েও আমাদের কোর্সে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। 

এরপরে আপনাকে নিয়মিত ২/৩টি বা আরও বেশি বেশি করে পোস্ট করতে হবে। আপনাকে বেশি শব্দের আর্টিকেল লেখতে হবে যেমন ১০০০/১৫০০ শব্দ বা আরও অনেক বেশি শব্দ নিয়ে আপনাকে লেখতে হবে। এই সবকিছু নিয়ে আজকে আমরা এই পোস্টে বিস্তারিত আলোচনা করবো। তাই শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথেই থাকুন। 

SEO আর্টিকেল লেখার উপায়

SEO আর্টিকেল লেখার জন‍্য আপনাকে অনেক বেশি অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। SEO শিখতে গেলে অভিজ্ঞতা এবং চর্চা লাগে। আপনি যদি কপিরাইট বা AI দিয়ে কনটেন্ট বানিয়ে পাবলিশ করেন তবে কিছুক্ষণ বা কিছুদিনের জন‍্য র‍্যাংক পেলেও কত দিন পরে দেখবেন Google থেকে পোস্ট হারিয়ে গিয়েছে। তাই আপনাকে SEO পদ্ধতিতে লেখতে হবে। যাতে র‍্যাংকিং সবসময়ের জন‍্য টিকে থাকে। 

আপনি আমাদের এই পোস্টের দিকে লক্ষ করেন আমরা কীভাবে কোনো কপিরাইট ছাড়া আপনাকে বুঝিয়ে বুঝিয়ে লেখছি। এটা একধরনের SEO রাইটিং। আপনাকে SEO ছবি লাগাতে হবে। যেমন এই পোস্টের ছবিগুলো SEO করা। আপনাকে প্রতিটা Details খেয়াল রাখতে হবে। এর জন‍্য আমাদের অনেক গুলো পোস্ট আছে। যেমন কিওয়ার্ডের জন‍্য আলাদা পোস্ট, কীভাবে লেখতে হয়, backlink, ছবি এমন এমন অনেক পোস্ট আছে। এই সবগুলো সম্পর্কে আপনার ধারণা থাকলে আপনি SEO বুঝবেন। 

ওয়েবসাইট ব‍্যাকলিংক বাড়ানোর উপায়

ওয়েবসাইট ব‍্যাকলিংক টা আবার কি? ওয়েবসাইট র‍্যাংক করানোর উপায় এর মাঝে ব‍্যাকলিংক একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনার পোস্টের লিংক কত জায়গায় শেয়ার হচ্ছে বা কত জায়গায় আপনার পোস্ট প্রচারণা হচ্ছে সবগুলো ব‍্যাংকলিংক। ধরুন আমার এই পোস্টটি যদি আমি ফেসবুকে পোস্ট করি তবে আমি একটা ব‍্যাকলিংক পাবো। এরপরে quaraতে যদি পোস্ট করি আরেকটা পাব। 

এভাবে আমার এই পোস্ট এর লিংক যতগুলো জায়গায় পোস্ট করা হবে তত গুলো আমার ব‍্যাকলিংক আসবে। ব‍্যাংকলিংক কীভাবে কোথা থেকে পাওয়া যায় সবকিছু নিয়ে আমাদের কোর্সে জানানো হয়েছে। এখন আপনার পোস্টে ধরুন ৫টা ব‍্যাকলিংক আছে। এখন একি বিষয়ে অন‍্যান‍্য দের পোস্স্টেট এতো ব‍্যাকলিংক নেয়। 

তবে আপনার পোস্ট র‍্যাংক করার সম্ভাবনা ৬০% এবং বাকি ৪০% নির্ভর করবে বাকি কাজগুলোর উপর। এভাবে যতগুলো জাগায় আপনার ওয়েবসাইটের লিংক আছে ততগুলো আপনার ব‍্যাকলিংক। এবং গুগল এইটাকেই ট্রাস্ট করে এবং র‍্যাংক দিয়ে দেয়। তাই ব‍্যাকলিংক ওয়েবসাইটের জন‍্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। 

কীভাবে Competition টিকে থাকা যায়

বর্তমানে কনটেন্ট রাইটিং এ অনেক বেশি competition। আপনি যত বেশি পরিশ্রম করবেন আপনি অন‍্যদের থেকে তত বেশি এগিয়ে যাবেন। বর্তমানে অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান কনটেন্ট রাইটিং করছে। তারাও এমন খারাপ অবস্থা থেকে ভালো পর্যায়ে গিয়েছে। কিন্তু তখন কম্পেটিশন কম ছিলো এখন বেশি। তাই আপনাকে বেশি পরিশ্রম করতে হবে। 

আপনাকে শুরুতে এমন কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করতে হবে যেগুলো নিয়ে ওয়েবসাইটে বেশি পোস্ট নেয়। এতে করে সহজেই আপনি র‍্যাংক পেয়ে যাবেন। কিন্তু আপনার ভিজিটর কম আসবে এসব বিষয়ে। শুরুতে ২/৩ মাস এটাই করুন। যেহেতু competition বেশি তাই আপনাকে ধৈর্য্য ধরতেই হবে। এরপরে ধীরে ধীরে বড় বড় ওয়েবসাইটের সাথে টক্কর নিবেন। এভাবেই মূলত competition এ টিকে থাকা যাবে। 

কি কারণে ওয়েবসাইট র‍্যাংক পায়

ওয়েবসাইট র‍্যাংক করানোর উপায় যেগুলো এগুলো ছাড়াও অনেক কারণে ওয়েবসাইট র‍্যাংক পেতে পারে। আমরা অনেক সময় দেখেছি যে বড় বড় প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট থেকে যেকোনো আর্টিকেল লিখলেই র‍্যাংক পায়। কোনো SEO এর নিয়ম ছাড়াই। এর মূল কারণ হচ্ছে তাদের ওয়েবসাইট অনেক পুরাতন। এতে করে Google তাদের ওয়েবসাইট ট্রাস্ট করে। আর সহজেই র‍্যাংক দিয়ে দেয়। 

এরপরে তারা দিনে এমনো হয় ১০০-২০০ পোস্ট করছে। যেমন বিভিন্ন সংবাদ মাধ‍্যম। এবং তাদের ওয়েবসাইটে প্রতিদিন লাখ লাখ ভিজিটর যাচ্ছে। এতে করে তাদের ওয়েবসাইট থেকে গুগলের অনেক লাভ হয় এবং তাই Google সবসময় তাদের আগে র‍্যাংক দেয়। আপনাকেউ ধীরে ধীরে ঐ পর্যায়ে যেতে হবে। আপনি যত ভালো SEO লেখেন অন‍্যান‍্য বড় বড় প্রতিষ্ঠানের সাথে টক্কর নিতে পারবেন না। তাই Google এর trust পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন ও ধৈর্য্য ধরুন। 

কি নিয়ে লেখলে র‍্যাংক পাওয়া যাবে

ওয়েবসাইট র‍্যাংক করানোর উপায় সম্পর্কে জানলেও আমরা অনেকেই জানি না যে কি নিয়ে লেখলে মূলত র‍্যাংক পাওয়া যায়। আপনি যে বিষয়ের উপরেই লেখতে যাচ্ছেন তার উপরেই হাজার হাজার কনটেন্ট আছে। তাহলে আপনি কোন বিষয়ে আর্টিকেল লেখবেন? এর জন‍্য আপনাকে আমাদের কোর্স থেকে কিওয়ার্ড রিসার্চ করার সম্পূর্ণ গাইড লাইন দেখে নিতে হবে। 
আপনাকে লং টেইল কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করতে হবে। যেমন "অনলাইনে আয় করার উপায়" এই কিওয়ার্ড নিয়ে হাজার হাজার পোস্ট আছে। কিন্তু আপনি যদি লেখেন গ্রামে বসে অনলাইনে আয় করার উপায় তাহলে কিন্তু আপনি র‍্যাংক পাবেন কারণ এ নিয়ে অনেক কম আর্টিকেল আছে। এছাড়াও আমাদের কোর্সে বিস্তারিত বুঝানো হয়েছে। 

কীভাবে Rank বজায় রাখা যায়

অনেক সময় দেখা যায় যে ওয়েবসাইটের আর্টিকেল র‍্যাংক পেয়েছে। কিন্তু কিছুদিন পরে দেখা যায় যে এই পোস্ট অনেক নিচে পড়ে গেছে। র খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। আপনাকে প্রথমেই AI এর ব‍্যবহার কমাতে হে। AI ব‍্যবহার ও কপিরাইট করা যাবে না। এরপরে আপনাকে তিন চার দিন পরে পরে সেই আর্টিকেলের মাঝে আরও কিছু কথা লাগাতে হবে। 
ওয়েবসাইট-র‍্যাংক-করানোর-উপায়আপনাকে কিছু মডিফাই করতে হে। কিওয়ার্ডের ভালো মতো ব্রবহার করতে হবে। Title ৫-৮ শব্দে রাখতে হবে। আপনার আর্টিকেলে কি কি সমস্যা তার সমাধান করতে হবে। এর জন‍্য আপনি Ubersuggest tools এর ব‍্যবহার করতে পারেন। এ নিয়ে আমরা আমাদের কোর্সে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। 
এরপরে মাঝে মাঝে একটা আর্টিকেল ইনডেক্স হয়েও হয় না। কিছুদিন পরে রিমুভ হয়ে যায়। তখন ঐ পোস্টের লেখা কপি করে আবার পেস্ট করে নতুন permalink দিয়ে নতুন title দিয়ে আবার index request দিতে হবে। এগুলো সবকিছু খেয়াল রাখতে হবে। তবেই কীভাবে Rank বজায় রাখা যাবে।

ওয়েবসাইট র‍্যাংক পাওয়ার গুরুত্ব  

ওয়েবসাইট র‍্যাংক করানোর উপায় সম্পর্কে তো জানলাম কিন্তু এর গুরুত্ব কি? একটা ওয়েবসাইটের মূলত ইনকাম হয় ভিউ বা ক্লিক থেকে। তার জন‍্য অনেক অনেক ভিজিটর দরকার। আপনি দুই ভাবে ভিজিটর আনতে পারেন। এক হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায় লিংক শেয়ার করে আনতে পারেন। এছাড়াও আপনি গুগলে র‍্যাংক পেয়ে ভিজিটর আনতে পারেন। 

একজন ভিজিটর গুগলে সার্চ দিলো অনলাইনে আয় করার উপায়। সে শুরুতে যেই ভালো ভালো ওয়েবসাইটের পোস্ট দেখবে এবং title যেটা ভালো লাগবে সেই ওয়েবসাইটেই ঢুকবে। এখন যার ওয়েবসাইটের আর্টিকেল র‍্যাংক পেয়েছে তার ভিজিটর বাড়ছে। তাই আপনি যদি র‍্যাংক পান তবেই আপনার ভিজিটর বাড়বে। তাই ওয়েবসাইট র‍্যাংক পাওয়া অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। 

পরিশেষে আমার মতামত 

এই পোস্টে আমরা ওয়েবসাইট র‍্যাংক করানোর উপায় নিয়ে বিস্তারিত অনেক কিছু জেনেছি। প্রতিটা ধাপ নিয়েই আমাদের কোর্সে আর্টিকেল আছে। এবং আগামীতে আরও বিস্তারিত আপডেট নিয়ে আসা হবে। আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন। শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথে থাকার জন‍্য ধন‍্যবাদ। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ST Bangla Hub নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url