মাদকাসক্তি ও এর প্রতিকার রচনা - তারূণ‍্যের ভূমিকা

রচনা লেখার নিয়মআপনি যদি মাদকাসক্তি ও এর প্রতিকার রচনা শিখতে চান তাহলে আজকের পোস্টটি শুধু আপনার জন‍্য। আমরা শুধু আপনাকে রচনা সম্পর্কে জানাব না বরং কীভাবে আপনি সহজ পদ্ধতিতে যেকোনো রচনা লেখতে পারবেন সেটিও শিখাব। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের রচনা থাকছেই। 

মাদকাসক্তি-ও-এর-প্রতিকার-রচনা

এই পোস্টের শেষে আমরা আপনাকে সহজে রচনা শিখা ও মনে রাখার কৌশল সম্পর্কে শিখাব। তাই শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথেই থাকুন। [আপনি যদি SSC বা HSC এর জন‍্য বা নবম দশম শ্রেণির জন‍্য রচনা খুজে থাকেন অবশ্যই আপনাকে ২০০/৩০০ শব্দের রচনা শিখলে হবে না]

পোস্ট সূচিপত্র: মাদকাসক্তি ও এর প্রতিকার রচনা নিয়ে যা যা থাকছে ক্লিক করুন

মাদকাসক্তি ও এর প্রতিকার রচনা ২০০ শব্দে

ভূমিকা: বর্তমান সময়ের একটি ভয়ংকর সামাজিক সমস্যা হলো মাদকাসক্তি। অজান্তেই এই নেশা মানুষকে ধীরে ধীরে গ্রাস করে এবং একসময় তা জীবনের স্বাভাবিক গতিকে সম্পূর্ণভাবে নষ্ট করে দেয়। মানুষ সাময়িক আনন্দ, কৌতূহল কিংবা দুঃখ ভুলে থাকার আশায় মাদক গ্রহণ শুরু করলেও পরে তা ভয়াবহ অভ্যাসে পরিণত হয়।

পরিণাম: 

মাদকদ্রব্যের ধরন নানা রকম। এর মধ্যে হেরোইন, গাঁজা, আফিম, কোকেন, ইয়াবা, ঘুমের ওষুধসহ বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্য রয়েছে। এসব মাদক দ্রুত মানুষের শরীর ও মনের ওপর প্রভাব ফেলে। একবার এতে অভ্যস্ত হলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ এই নেশার সবচেয়ে বড় শিকার।

প্রতিকার:

মাদকাসক্তির পরিণতি অত্যন্ত মারাত্মক। এতে মানুষের শারীরিক শক্তি কমে যায়, মানসিক স্থিরতা নষ্ট হয় এবং কর্মক্ষমতা ধীরে ধীরে লোপ পায়। নেশাগ্রস্ত ব্যক্তির আচরণে অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়। অনেক সময় তারা চুরি, ছিনতাই ও অন্যান্য অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। পরিবার ও সমাজে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে এবং সামাজিক শৃঙ্খলা ব্যাহত হয়।

উপসংহার:

এই ভয়াবহ সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রতিকার অত্যন্ত জরুরি। মাদকদ্রব্যের উৎপাদন ও পাচারের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করতে হবে। পাশাপাশি পরিবারকে সচেতন ভূমিকা রাখতে হবে এবং তরুণদের নৈতিক শিক্ষা ও সুস্থ জীবনধারায় অভ্যস্ত করতে হবে। সামাজিক সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই মাদকাসক্তির ভয়াল ছোবল থেকে জাতিকে রক্ষা করা সম্ভব।

মাদকাসক্তি ও এর প্রতিকার রচনা ৩০০ শব্দে

ভূমিকা: বর্তমান সমাজে নীরব ঘাতকের মতো মাদকাসক্তি ছড়িয়ে পড়েছে। এটি শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, একটি পরিবার ও পুরো সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। মানুষ জেনেশুনেই ক্ষতিকর এই নেশায় জড়িয়ে পড়ে, যা ধীরে ধীরে তার চিন্তা, বিবেক ও স্বাভাবিক জীবনকে গ্রাস করে। আধুনিক সভ্যতার সবচেয়ে ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধিগুলোর একটি হলো মাদকাসক্তি।

মাদকদ্রব্য ও বিস্তার:

মাদকদ্রব্য বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে। গাঁজা, আফিম, চরস, হেরোইন, কোকেন, ব্রাউন সুগার, ঘুমের ওষুধসহ নানা রাসায়নিক দ্রব্য মানুষকে নেশাগ্রস্ত করে তোলে। এসব মাদকের অধিকাংশই বিদেশ থেকে চোরাপথে আসে। এশিয়ার কিছু অঞ্চল যেমন গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল ও গোল্ডেন ক্রিসেন্ট এলাকায় আফিম উৎপাদন বেশি হয়। এসব মাদক ধীরে ধীরে আমাদের দেশেও ছড়িয়ে পড়েছে এবং তরুণ সমাজকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

মাদকাসক্তির কারণ:

মাদকাসক্তির পেছনে অনেক কারণ রয়েছে। বেকারত্ব, হতাশা, পারিবারিক অশান্তি, বন্ধুদের কুপ্রভাব এবং কৌতূহল মানুষকে নেশার পথে ঠেলে দেয়। অনেক সময় মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার আশায় কেউ কেউ মাদক গ্রহণ করে, যা পরে ভয়ংকর অভ্যাসে পরিণত হয়। সামাজিক অবক্ষয় ও নৈতিক শিক্ষার অভাবও এর অন্যতম কারণ।

পরিণাম:

মাদকাসক্তির পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি ধীরে ধীরে শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। তার আচরণে অস্বাভাবিকতা দেখা যায়, কর্মক্ষমতা নষ্ট হয় এবং পড়াশোনা বা কাজের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। একসময় সে চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। এতে পরিবারে অশান্তি বাড়ে এবং সমাজে অপরাধ বৃদ্ধি পায়।

প্রতিকার:

মাদকাসক্তি প্রতিরোধে পারিবারিক সচেতনতা সবচেয়ে জরুরি। বাবা-মাকে সন্তানের প্রতি নজর রাখতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নৈতিক শিক্ষা জোরদার করতে হবে। সরকারকে কঠোরভাবে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন করতে হবে এবং মাদক ব্যবসায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। পাশাপাশি মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।

উপসংহার:

মাদকাসক্তি জাতির ভবিষ্যতের জন্য ভয়ংকর হুমকি। সবাই মিলে সচেতন হলে এবং সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ জোরদার করা হলে এই অভিশাপ থেকে সমাজকে রক্ষা করা সম্ভব। সুস্থ সমাজ গঠনের জন্য মাদকমুক্ত জীবনযাপনই একমাত্র পথ। যদি প্রতিটি তরুণ নিজের জীবনকে গড়ে তোলে। বিজ্ঞান, নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধে। তবে ভবিষ্যৎ হবে মাদকমুক্ত ও আলোকিত।

মাদকাসক্তি ও এর প্রতিকার রচনা এসএসসি ও এইচএসসি

ভূমিকা: মাদকাসক্তি (Drug Addiction) হলো এমন একটি মানসিক ও শারীরিক অবস্থা, যেখানে মানুষ বারবার কোনো নেশাজাতীয় পদার্থ গ্রহণে বাধ্যহয়, যদিও তা তার শরীর ও জীবনের জন্য ক্ষতিকর। মাদকাসক্তি বর্তমানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর মতে একটি "chronic relapsing brzain disonden অর্থাৎ বারবার ফিরে আসা দীর্ঘস্থায়ী মস্তিষ্কজনিত রোগ। তরুণ সমাজের মাঝে এটি ক্যাপক প্রভাব বিস্তার করছে। আজকের তরুণ সমাজের দায়িত্ব এই ভয়াবহ সমস্যার মোকাবিলা করা। তরুণরাই পারে নিজেদের ও অন্যদের পরিবর্তন ঘটাতে বিজ্ঞানের আলোয়, সচেতনতার পথে, মানবিক দায়িত্ব গ্রহণ করতে।

বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা ও তরুণদের ভূমিকাঃ

বিজ্ঞান বলে, মাদক (Drug) যেমন Nicotine, Alcohol, Cannabis, Cocaine, Heroin, Methamphetamine ইত্যাদি- মস্তিষ্কের dopamine নামক এক রাসায়নিকের কার্যক্রমে প্রভাব ফেলে। Dopamine আমাদের "pleasune center" বা আনন্দেবোধ নিয়ন্ত্রণ করে। যখন কেউ মাদক গ্রহণ করে, তখন মস্তিস্কের মাঝে অস্বাভাবিকভাবে ডোপামিন নিঃসৃত হয়, ফলে মুহূর্তের জন্য আনন্দ হয়, কিন্তু পরে মস্তিষ্কে সেই আনন্দে আর থাকে না। এরপর আরও বেশি মাদকের প্রয়োজন হয়- একে বলে Tolerance।
এভাবেই গড়ে ওঠে Addiction Cyclel এইসব বিষয় তরুণদের মাথায় রাখতে হবে। এগুলো বিবেচনা করে তরুণরা নতুন সমাজ গড়তে পারে। তরুণরা স্কুল-কলেজ পর্যায়ে অচেতনতা ক্যাম্পেইন আয়োজন করে সহপাঠী-দের এই বৈজ্ঞানিক কারণ গুলো জানাতে পারে। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহজভাবে ভিডিও বা পোস্টের মাধ্যমে "How brain addiction works" তুলে ধরে নতুন প্রজন্মকে মাদকের ধোঁকা থেকে রক্ষা করতে পারে। এই সব তরুণরা তাদের গল্প দিয়ে দেখাতে পারে।

                     "Success is the best 
                          alternative to addiction."

কারণ ও তরুণদের দায়িত্বঃ

মাদকাসক্তি অনেক কারণেই হতে পারে। কৌতূহল থেকে, বন্ধুদের প্রভাবে, মানসিক চাপ বা হতাশা থেকে, পারিবারিক অসন্তোষ বা নজরদারির অভাবে। এমন নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে। মনোবিজ্ঞানে বলা হয়;

                  "Uncontrolled emotion 
                        seeks temporary escape"

অর্থাৎ মানসিক অস্থিরতা থেকে মানুষ অস্থায়ী সুখ খোঁজে মাদকের মাধ্যমে। তরুণরা নিজেরা মানসিক ভারসাম্য রক্ষা করতে পারে যোগব্যায়াম, খেলাধুলা, সৃজনশীল কাজে যুক্ত থেকে। বন্ধুদের মধ্যে কেউ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হলে তার পাশে দাঁড়ানো, কাউন্সেলিংয়ের পরামর্শ দেওয়া। এগুলো সবকিছুই প্রকৃত বন্ধুর পরিচয়। তারুণ্য যখন ইতিবাচক নেতৃত্ব নেয়, তখন মাদক প্রবেশের সুযোগ পায় না।

মাদকাসক্তির চিকিৎসা ও পুনর্বাসন, তরুণদের মানবিক ভূমিকা :-

মাদকাসক্তি একটি রোগ, অপরাধ নয়। আধুনিক চিকিৎসা অনুযায়ী, এটি Neurochemical Disorder। এর সাধারণত তিনটি ধাপে চিকিৎসা হয়ঃ
1. Detoxification এখানে শরীর থেকে মাদক আসক্তির দূর করা হয়।
2. Therapy and Counseling চিকিৎসা ব্যবস্থা। মনস্তাত্ত্বিক
3. Rehabilitation পুনর্বাসন ও সামাজিক পুনরাগমন।

এছাড়াও সবচেয়ে বড় একটি সমস্যা হচ্ছে তামাকে থাকা নিকোটিন। এর কিছু চিকিৎসা পদ্ধতি হচ্ছেঃ
১। নিকোটিন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি 
2। Bupropion: এটি একটি অ্যান্টিডিপ্রেস-মেন্ট যা ডোপামিন ও নরএপিনেফ্রিন বাড়িয়ে তামাক ছাড়ার আগ্রহ ও withdrawal কমায়।
৩। Varenicline ও Nortriptyline.

মাদকাসক্তি থেকে নানা ধরনের রোগ হতে পারে। এর মাঝে সবচেয়ে ভয়াবহ রোগটি হচ্ছে ক্যান্সার। ক্যান্সার রোগের চিকিৎসা হলোঃ
১। সার্জারি।
২। কেমোথেরাপি।
৩। রেডিওথেরাপি।
৪। ইমিউনোথেরাপি।
৫। টার্গেটেড থেরাপিঃ এখনে কোষের বৃদ্ধির দিকটি খেয়াল করে বিজ্ঞানীরা এই চিকিৎসা বের করে। এর কিছু সংকেত আছে যেমনঃ

P13K/AKT, RAS/RAF/MEK/ERK JAK/STAT (pathway)

তরুণরা এসকল চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রচার করতে পারে। তরুণরা "Volunteer Group" গঠন করে পুনর্বাসন কেন্দ্রে সহযোগিতা করতে পারে। যারা আসক্ত ছিল, তাদের সমাজিকভাবে গ্রহণ করা, তাদের প্রতি সহমর্মিতা দেখানো এটাই প্রকৃত মানবিক কাজ। তারা "Youth Against Drugs" নামে সংগঠন তৈরি করে সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে।

তরুণদের নিয়ে উক্তি :

তারুণ্য হলো জাতির চালিকাশক্তি। তরুণদের হাতেই ভবিষ্যতের নির্মাণ। কিন্তু আজকের সমাজে এই তারুণ্যের এক অংশ মাদক নামক ভয়াবহ বিষে আক্রান্ত হচ্ছে। বিজ্ঞানী Albert Einstein বলেছেন-

            "The world will not be destroye
           by those who do evil, but by those 
    who watch them without doing anything"

অর্থাৎ মাদকবিরোধী লড়াইয়ে নিষ্ক্রিয় থাকা মানে আমাদেরকে সমস্যার দিকে ঠেলে দেওয়া। তরুণ প্রজন্ম যদি আজ অচেতন হয়, তবে সমাজে এই অন্ধকারের জায়গায় ফিরবে আলোর জয়। Dr. Nona Volkow. (Director National in'stitute on Drug Abuse, USA) বলেছেন-

        "Addiction is a disease of the brain 
    that hijacks the normal rewand system!!

তরুণর এই সকল বৈজ্ঞানিক সত্য সমাজে প্রচার করতে পারে যাতে সবাই বোঝে মাদক শুধু নৈতিক নয়, বৈজ্ঞানিকভাবে ক্ষতিকর। তারা স্কুল বা সামাজিক সংগঠনে "science Behind Addiction" শীর্ষক সেমিনার আয়োজন করে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে পারে। মনোবিজ্ঞানী Sigmund Freud বলেছেন-

       "Unexpressed emotions will never die; 
                 they are bruied alive and 
         will come forth later in uglien ways."

অর্থাৎ, মানসিক চাপ, হতাশা বা একাকিত্ব অনেক সময় মাদকাসক্তির দিকে ঠেলে দেয়। বন্ধুদের প্রভাব, পারিবারিক সমস্যা বা আত্মবিশ্বাসের অভাবও তরুণদের 'ভুল পথে নিতে পারে।

মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন, তরুণদের নেতৃত্বঃ

মাদক বিরোধী লড়াই শুধু আইনের নয়, এটি একটি সামাজিক বিপ্লব। তরুণরা স্কুল, ক্লাব ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে "Say No to Drugs" ক্যাম্পেইন চালাতে পারে। তারা Community Awareness Program, Street Drama, Poster Campaign & Music for change আয়োজন করতে পারে, যা তরুণদের আকৃষ্ট করবে। বিজ্ঞানী Marie Curie বলেছেন

          "Nothing in life is to be feared, 
                 it is only to be understood."

তরুণ প্রজন্ম যদি মাদকাসক্তির বৈজ্ঞানিক ক্ষতি বুঝে নেয়, তবে ভয় নয়- তাদের জ্ঞানই হবে প্রতিরোধের অস্ত্র। তরুণদের শপথ হওয়া উচিতঃ
  • মাদকের প্রলোভনে না বলা।
  • বন্ধুদের পাশে থাকা।
  • বিজ্ঞান ও সচেতনতার আলো 'ছড়ানো।
তরুণরাই পারে নিজেদের সমাজিক অবস্থানকে ব্যবহার করে মাদকবিরোধী উদাহরণ গড়ে তুলতে। তরুণরাই নতুন প্রজন্মকে ভবিষ্যত দেখাতে পারবে।

উপসংহার:

মাদকমুক্ত সমাজের স্বপ্ন বাস্তবায়নে তরুদেরই নেতৃত্ব দিতে হবে। বিজ্ঞানী Carl Sagan বলেন-

     "We are the custodians of lifes meaning. 
                Wheat What we do with our 
                    youth defines the future."

যদি প্রতিটি তরুণ নিজের জীবনকে গড়ে তোলে। বিজ্ঞান, নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধে। তবে ভবিষ্যৎ হবে মাদক
মুক্ত ও আলোকিত।

"One youth aware means a hundred lives saved."

যদি প্রতিটি তরুণ নিজের জীবনকে সত্য, জ্ঞান ও দায়িত্ববোধে গড়ে তোলে, তবে একদিন সত্যিই বাস্তব হবে সেই অগ্ন

         "মাদকমুক্ত বাংলাদেশ, তারুণ্যের প্রতিজ্ঞায়।"
[৯০০ শব্দ]

রচনা লেখার নিয়ম

রচনা শুধু লেখলেই হবে না বরং নিয়ম অনুযায়ী লেখতে হবে। আমি আপনাকে তুমি বলেই ডাকি যেহেতু আপনি একজন ছাত্র বা ছাত্রী। তুমি যদি একটা ভালো রেজাল্ট করতে চাও বা রচনাতে বিশে বিশ বা বারোতে বারো পেতে চাও তাহলে অবশ্যই তোমাকে নিয়ম মানতে হবে। আমরা এখানে শেষে যেই রচনা দিয়েছি তাতে একটু বেশিই শব্দ দিয়েছি। তোমার উচিৎ তিন চার বার রিডিং পড়া এবং দুই তিন বার লেখা এতে করে তোমার সহজেই শিখা হয়ে যাবে। 
তুমি অনেক পরিশ্রম করেও রচনা মুখস্ত করতে পারবে না। পারলেও অনেক পরিশ্রম আর সময় লাগবে। তার চেয়ে ভালো তুমি সৃজনশীলতার পরিচয় দাও। তাই আমরা বেশি শব্দেই লিখেছি। কারণ তুমি যতটুকু শিখবে ততটুকু মনে থাকবে না। তিন ভাগের দুই ভাগ মনে থাকতে পারে। তাহলে সেই দুই ভাগে তোমার প্রয়োজনীয় লেখা বা খাতা ভরে যাবে। রচনা তুমি তোমার ইচ্ছা মতো লেখতে পারবে। সুন্দর লেখার সাথে কিছু মেইন পয়েন্ট শিখার মাধ‍্যমে লেখতে পারো। 

তোমার হাতে পরীক্ষার শেষে যতটুকু সময় থাকে তার মাঝে লেখবে। ধরো এক থেকে দেড় ঘন্টা সময় রচনা লেখবে। ১৫ থেকে ২৫ পৃষ্ঠা বা তার বেশি লেখতে পারো। তাহলে সম্পূর্ণ নাম্বার পাবে। মাদকাসক্তি ও এর প্রতিকার রচনা গুরুত্বপূর্ণ রচনাগুলোর মাঝে একটি। তাই তোমাকে এই রচনা ফোকাস করতে হবে। আর ইংরেজি বা উক্তি মনে রাখতে হবে। এতে শিক্ষকের বেশি আকর্ষণ পড়ে।

পরিশেষে আমার মতামত 

আমরা আমাদের এই পোস্টে একটি গুরুত্বপূর্ণ একটি রচনা সম্পর্কে জেনেছি। মাদকাসক্তি ও এর প্রতিকার রচনাটি তোমার পরীক্ষাতে আসার সম্ভাবনা ৫০% বাকি সবগুলো ৫০%। তাই আপনাকে আমাদের দেখানো নিয়ম অনুযায়ী রচনা শিখতে ও লেখতে হবে। তাহলে আপনি একটি ভালো নাম্বার পেতে পারেন। আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে এভাবে অনেক সহজ করে অনেক অনুচ্ছেদ, ভাবসম্প‍্রসারণ, রচনা এছাড়াও ইংরেজি প‍্যারাগ্রাফ, ডায়ালগ, স্টোরি সবকিছু লিখে থাকি। তাই আমাদের সাথেই থাকুন। এবং শেষ পর্যন্ত এই পোস্টে আমাদের সাথে থাকার জন‍্য ধন‍্যবাদ। 


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ST Bangla Hub নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url