অন‍্যায় যে করে আর অন‍্যায় যে সহে, তব ঘৃণা যেন তৃণসম দেহ ভাবসম্প্রসারণ

ভোগে নয়, ত‍্যাগেই প্রকৃত সুখ ভাবসম্প্রসারণ আপনি যদি অন‍্যায় যে করে আর অন‍্যায় যে সহে ভাবসম্প্রসারণ সম্পর্কে শিখতে ও জানতে চান তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন‍্য। আপনি এখান থেকে বিভিন্ন শব্দের বিভিন্ন ধরনের ভাবসম্প্রসারণ পাবেন। সাথে কীভাবে সহজে ভাবম্প্রসারণ লেখা যায় তার পদ্ধতি সম্পর্কেও জানতে পারবেন। 

অন‍্যায়-যে-করে-আর-অন‍্যায়-যে-সহে-ভাবসম্প্রসারণএই পোস্টের শেষে আমরা আপনাকে একটি ভাবসম্প্রসারণ শিখার সহজ পদ্ধতি ও নিয়ম গুলো সম্পর্কে জানাব। তাই শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথেই থাকুন। 

পোস্ট সূচিপত্র: অন‍্যায় যে করে আর অন‍্যায় যে সহে ভাবসম্প্রসারণ নিয়ে যা যা থাকছে ক্লিক করুন

অন‍্যায় যে করে এবং অন‍্যায় যে দেখে ষষ্ঠ শ্রেণি ভাবসম্প্রসারণ

মূলভাব: অন্যায় করা যেমন অপরাধ, তেমনি অন্যায় দেখে চুপ করে থাকাও অপরাধ।
সম্প্রসারিত ভাব: মানুষ সমাজে বাস করে এবং সমাজে ভালোভাবে চলতে হলে সবাইকে নিয়ম মানতে হয়। কিন্তু অনেক সময় কিছু মানুষ অন্যায় কাজ করে। এতে সমাজের অন্য মানুষ কষ্ট পায়। আবার অনেকেই অন্যায় দেখেও কিছু বলে না। তারা ভয় পায় বা ঝামেলা এড়াতে চায়। কিন্তু এভাবে চুপ করে থাকলে অন্যায়কারী আরও সাহস পায় এবং তার অন্যায় বেড়ে যায়। অন্যায় করা যেমন খারাপ, তেমনি অন্যায় সহ্য করাও ভালো নয়। কারণ অন্যায় সহ্য করলে সমাজে অন্যায় ছড়িয়ে পড়ে। তাই শুধু নিজে ভালো থাকলেই হবে না, অন্যায়ের বিরুদ্ধেও দাঁড়াতে হবে। অন্যায়কে বাধা দেওয়া মানুষের নৈতিক দায়িত্ব।

মন্তব্য: সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হলে অন্যায়কারী ও অন্যায় সহ্যকারী উভয়ের বিরুদ্ধেই সচেতন হতে হবে।

অন‍্যায় যে করে এবং অন‍্যায় যে সহে সপ্তম শ্রেণি ভাবসম্প্রসারণ

মূলভাব: অন্যায় করা যেমন অপরাধ, তেমনি অন্যায় দেখে নীরবে সহ্য করাও অপরাধ।

সম্প্রসারিত ভাব: মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব হলেও সমাজে অনেক মানুষ নানা রকম অন্যায় কাজে লিপ্ত হয়। এসব অন্যায়ের ফলে সাধারণ মানুষ কষ্ট ভোগ করে এবং সমাজে অশান্তি সৃষ্টি হয়। অন্যায়কারীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তোলা প্রত্যেক সচেতন মানুষের কর্তব্য। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, আমরা অনেক সময় অন্যায় দেখেও চুপ করে থাকি। কেউ ঝামেলা এড়াতে চায়, কেউ ভয় পায়, আবার কেউ নিজেকে নিরাপদ রাখার চেষ্টা করে। এভাবেই অন্যায়কে নীরবে মেনে নেওয়া হয়।

কিন্তু অন্যায় করা আর অন্যায় সহ্য করা দুটিই সমান দোষের কাজ। কারণ অন্যায় সহ্য করলে অন্যায়কারী আরও সাহস পায় এবং তার অপরাধ বাড়তে থাকে। এতে সমাজের শৃঙ্খলা নষ্ট হয়। সমাজে শুধু অন্যায় না করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোও মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। যারা অন্যায়কারীর বিরুদ্ধে কিছু না বলে তাকে প্রশ্রয় দেয়, তারাও সমাজের ক্ষতি করে।

মন্তব্য: অন্যায়কারী ও অন্যায়কে প্রশ্রয়দানকারী উভয়েই সমাজের জন্য ক্ষতিকর। তাই সমাজে শান্তি বজায় রাখতে হলে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন ও প্রতিবাদী হতে হবে।

অন‍্যায় যে করে আর অন‍্যায় যে সহে ভাবসম্প্রসারণ অষ্টম শ্রেণি

মূলভাব: অন্যায়কারী এবং অন্যায় সহ্যকারী উভয়েই সমান অপরাধী।
সম্প্রসারিত ভাব: মানুষ সমাজে বসবাস করে এবং সমাজে চলতে গেলে তার কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হয়। মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকতে হলে ন্যায় ও অন্যায়ের পার্থক্য বুঝে চলা প্রয়োজন। যে ব্যক্তি অন্যায় করে, সে সমাজ ও দেশের জন্য ক্ষতিকর। আবার এমন অনেক মানুষ আছে, যারা নিজেরা সরাসরি অন্যায় করে না, কিন্তু অন্যায় দেখেও নীরব থাকে বা অন্যায়কারীকে পরোক্ষভাবে সাহায্য করে। এতে অন্যায়কারীর সাহস আরও বেড়ে যায় এবং সে বেপরোয়া হয়ে ওঠে।

অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ না করলে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। অন্যায়কারীর উপযুক্ত শাস্তি না হলে অন্যায় বাড়তেই থাকে। তখন সমাজে শান্তি নষ্ট হয় এবং সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়ে। তাই শুধু অন্যায় না করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোও মানুষের কর্তব্য। ক্ষমা ভালো গুণ হলেও সব ক্ষেত্রে ক্ষমা করা উচিত নয়, কারণ এতে অন্যায় উৎসাহিত হয়।

মন্তব্য: সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হলে অন্যায়কারী ও অন্যায় সহ্যকারী উভয়ের বিরুদ্ধেই প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

অন‍্যায় যে করে আর অন‍্যায় যে সহে ভাবসম্প্রসারণ নবম, দশম এবং এসএসসি

মূলভাব: যে ব্যক্তি অন্যায় করে এবং যে ব্যক্তি সেই অন্যায় জেনেও সহ্য করে উভয়েই সমানভাবে দোষী ও নিন্দনীয়।

সম্প্রসারিত ভাব: মানুষ সমাজবদ্ধ জীব। সমাজে বসবাস করতে হলে যেমন মানুষের কিছু অধিকার রয়েছে, তেমনি কিছু কর্তব্যও পালন করতে হয়। অন্যায় না করা এবং অন্যায়ের প্রতিবাদ করা মানুষের অন্যতম নৈতিক দায়িত্ব। কেউ যদি নিজে অন্যায় করে, তবে সে সরাসরি অপরাধী। কিন্তু কেউ যদি অন্যায়ের সময় নীরব থাকে, প্রতিবাদ না করে কিংবা পরোক্ষভাবে সহায়তা করে, তবে সেও কম অপরাধী নয়। কারণ তার নীরবতা অন্যায়কারীকে আরও সাহসী করে তোলে।

আইনের চোখে অনেক সময় অন্যায় সহ্যকারী শাস্তি না পেলেও বিবেকের আদালতে সে দায়মুক্ত হতে পারে না। অন্যায় সংঘটিত হওয়ার সময় যদি মানুষ প্রতিবাদী ভূমিকা নেয়, তবে বহু অন্যায় আগেই থেমে যেতে পারে। কিন্তু ভীরুতা, স্বার্থপরতা বা ভয় মানুষের কণ্ঠ রোধ করে দেয়। এর ফলে সমাজে অন্যায়ের প্রভাব বাড়তে থাকে এবং সাধারণ মানুষ অসহায় হয়ে পড়ে।

ক্ষমা একটি মহৎ গুণ হলেও সব ক্ষেত্রে ক্ষমা প্রদর্শন বাঞ্ছনীয় নয়। অন্যায়কারীকে বারবার ক্ষমা করলে তা দুর্বলতার পরিচয় দেয় এবং অন্যায়কে উৎসাহিত করে। তাই সমাজে ন্যায় ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হলে অন্যায়কারী ও অন্যায়কে প্রশ্রয়দানকারী উভয়ের বিরুদ্ধেই কঠোর অবস্থান নিতে হবে। মনীষী গ্যাটের ভাষায়, অন্যায়ের বিরোধিতা না করা মানেই কর্তব্যের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা।

মন্তব্য: অন্যায় দমন করতে হলে শুধু অপরাধীকে নয়, অন্যায় সহ্যকারী ও সহায়তাকারীকেও প্রতিরোধ করতে হবে। তবেই একটি ন্যায়ভিত্তিক ও সুস্থ সমাজ গড়ে উঠবে।

অন‍্যায় যে করে আর অন‍্যায় যে সহে ভাবসম্প্রসারণ এইচএসসি

মূলভাব: মানুষ সামাজিক জীব। সমাজে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে হলে প্রত্যেক মানুষের কিছু অধিকার যেমন আছে, তেমনি কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্যও রয়েছে। এই দায়িত্ব পালনের মাধ্যমেই মানুষের মনুষ্যত্ব প্রকাশ পায়। ন্যায় ও অন্যায়ের পার্থক্য বুঝে চলাই মানুষের প্রকৃত পরিচয়। কিন্তু সমাজে দেখা যায়, কেউ সরাসরি অন্যায় করে, আবার কেউ সেই অন্যায় জেনেও নীরব থাকে। প্রকৃতপক্ষে অন্যায়কারী এবং অন্যায় সহ্যকারী উভয়েই সমাজের জন্য সমান ক্ষতিকর।
সম্প্রসারিত ভাব:  অন্যায়কারী সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। তারা অন্যের অধিকার হরণ করে, আইন ভঙ্গ করে এবং দুর্বল মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। কিন্তু এদের এই দুঃসাহস তখনই বাড়ে, যখন সমাজের মানুষ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে। যারা অন্যায় দেখেও প্রতিবাদ করে না, তারা পরোক্ষভাবে অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয়। ফলে অন্যায়কারী আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং সমাজে অন্যায়ের বিস্তার ঘটে।

আইনের দৃষ্টিতে সাধারণত সরাসরি অন্যায়কারীর বিচার হয়। কিন্তু বিবেকের বিচারে অন্যায় সহ্যকারীও কম অপরাধী নয়। কারণ অন্যায় সংঘটিত হওয়ার সময় যদি প্রতিবাদ গড়ে তোলা হতো, তবে অনেক অন্যায়ই রোধ করা সম্ভব হতো। নীরবতা অনেক সময় অন্যায়ের শক্তিকে আরও দৃঢ় করে তোলে। তাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া প্রতিটি সচেতন নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব।

ক্ষমা একটি মহৎ গুণ হলেও সব ক্ষেত্রে ক্ষমা প্রদর্শন কাম্য নয়। বিশেষ করে অন্যায় ও অবিচারের ক্ষেত্রে অযথা ক্ষমা সমাজে অন্যায়কে উৎসাহিত করে। অন্যায়কারী যদি উপযুক্ত শাস্তি না পায়, তবে সমাজ ধীরে ধীরে অন্যায় ও অপরাধের আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়। তখন সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে এবং সামাজিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে।

সমাজকে সুন্দর ও বাসযোগ্য রাখতে হলে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। শুধু অন্যায়কারী নয়, যারা অন্যায়ে মদদ দেয় কিংবা নীরবে সহ্য করে তাদের বিরুদ্ধেও সামাজিক ও নৈতিক প্রতিবাদ প্রয়োজন। ন্যায়বোধসম্পন্ন মানুষই পারে অন্যায়ের শেকড় উপড়ে ফেলতে।

মন্তব্য: অন্যায় করা যেমন অপরাধ, তেমনি অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়াও অপরাধ। তাই ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের জন্য অন্যায়কারী ও অন্যায় সহ্যকারী উভয়ের বিরুদ্ধেই দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করা অপরিহার্য।

ভাবসম্প্রসারণ লেখার নিয়ম

ভাবসম্প্রসারণ শুধু লেখলেই হবে না বরং নিয়ম অনুযায়ী লেখতে হবে। আমি আপনাকে তুমি বলেই ডাকি যেহেতু আপনি একজন ছাত্র বা ছাত্রী। তুমি যদি একটা ভালো রেজাল্ট করতে চাও বা ভাব সম্প্রসারণে দশে দশ পেতে চাও তাহলে অবশ্যই তোমাকে নিয়ম মানতে হবে। আমরা এখানে যতগুলো শ্রেণির ভাব সম্প্রসারণ দিয়েছি তাতে একটু বেশিই শব্দ দিয়েছি। তোমার উচিৎ তিন চার বার রিডিং পড়া এবং দুই তিন বার লেখা এতে করে তোমার সহজেই শিখা হয়ে যাবে। 
তুমি অনেক পরিশ্রম করেও এগুলো মুখস্ত করতে পারবে না। পারলেও অনেক পরিশ্রম আর সময় লাগবে। তার চেয়ে ভালো তুমি সৃজনশীলতার পরিচয় দাও। তাই আমরা বেশি শব্দেই লিখেছি। কারণ তুমি যতটুকু শিখবে ততটুকু মনে থাকবে না। তিন ভাগের দুই ভাগ মনে থাকতে পারে। তাহলে সেই দুই ভাগে তোমার প্রয়োজনীয় লেখা বা খাতা ভরে যাবে। এছাড়াও ভাবসম্প্রসারণ রচনার মতো পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা লেখা যাবে না। তুমি যদি ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত হয়ে থাকো তোমার জন‍্য সর্বোচ্চ দেড় থেকে আড়াই পৃষ্ঠাই যথেষ্ট। প্রতি পৃষ্ঠায় ধরলা ১২-১৩ লাইন করে। 

এরপর যদি তুমি নবম,দশম বা এসএসসি পরীক্ষার্থী হোও তাহলে আড়াই থেকে তিন পৃষ্ঠাই তোমার জন‍্য ভালো হবে। আর যদি কলেজ বা এইচএসসি পরীক্ষার্থী হোও তাহলে ৩ বা সাড়ে তিন পৃষ্ঠা তোমার জন‍্য ভালো। ভাবসম্প্রসারণের শুরুতে বড় করে একটি হেডলাইন দিবে। তারপর মূলভাব দিয়ে পুরো ভাবসম্প্রসারণের মূল ভাব যেটা তা তিন থেকে পাঁচ লাইনে লেখবে। এরপর সম্প্রসারিত ভাব অর্থাৎ বিস্তারিত আলোচনা করবে। 

শেষে একটি মন্তব্য দিবে। মূল ভাব ও মন্তব্যে হালকা পাতলা কঠিন ভাষার ব‍্যবহার ভালো হয়। আর সম্প্রসারিত ভাবে সম্পূর্ণ সহজ ভাষার ব‍্যবহার করলে ভালো হবে। আমরা এই পোস্টে এভাবেই সাজিয়ে লিখেছি। "অন‍্যায় যে করে আর অন‍্যায় যে সহে, তব ঘৃণা যেন তৃণসম দেহ" এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাবসম্প্রসারণ। তাই এটি শিখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বেশিরভাগ পরীক্ষাতেই এই ভাবসম্প্রসারণটি দেখা যায়। তাই এই ভাবসম্প্রসারণটি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

পরিশেষে আমার মতামত

অন‍্যায় যে করে আর অন‍্যায় যে সহে, তব ঘৃণা যেন তৃণসম দেহ ভাবসম্প্রসাটি আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন। আপনার যদি ভালো লাগে তাহলে আমাদের কাছে এমন অনেক ভাবসম্প্রসারণ অনুচ্ছেদ রচনা এমন বাংলা রাইটিং অনেক আছে। আপনি আমাদের কাছ থেকেই শিখতে পারেন। আর আপনার জন‍্য কোনো পরিবর্তনের ইচ্ছা হয় তবে আপনি কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারবেন। আপনার সেবার জন‍্য আমরা প্রস্তুত। শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথে থাকার জন‍্য অনেক ধন‍্যবাদ এতে করে আপনার উপকার সাথে কাজও হয়েছে। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ST Bangla Hub নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url